Advertisement
E-Paper

কয়লা দুর্নীতি মামলায় মামা-ভাগ্নের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিল ইডি, নাম রয়েছে বুদবুদ থানার প্রাক্তন ওসি মনোরঞ্জনেরও

এর আগে কয়লা দুর্নীতি মামলার তদন্তে পশ্চিম বর্ধমানের বাসিন্দা মণ্ডল এবং ভাগ্নে কিরণ খাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করেছিল ইডি। কয়লাকাণ্ডে নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছিলেন তাঁরা। ১০ ফেব্রুয়ারি তাঁদের গ্রেফতার করা হয়।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:১৮
(বাঁ দিকে) কিরণ খাঁ, চিন্ময় মণ্ডল (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) কিরণ খাঁ, চিন্ময় মণ্ডল (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

কয়লা দুর্নীতি মামলায় চার্জশিট জমা দিল ইডি। বৃহস্পতিবার কলকাতার নগর দায়রা আদালতে তিন ব্যক্তি এবং দুই সংস্থার বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছে তারা। অভিযুক্তদের তালিকায় রাখা হয়েছে চিন্ময় মণ্ডল, তাঁর ভাগ্নে কিরণ খাঁ এবং মহেশ আগরওয়ালকে। ইডি সূত্রে খবর, অভিযুক্ত হিসাবে না-থাকলেও বুদবুদ থানার প্রাক্তন ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের নামও চার্জশিটে রয়েছে। ইডি সূত্রে এ-ও জানা গিয়েছে যে, এই কয়লা দুর্নীতির মাধ্যমে (প্রসিড অফ ক্রাইম) ২৭ কোটি টাকা মুনাফা করা হয়েছে।

এর আগে কয়লা দুর্নীতি মামলার তদন্তে পশ্চিম বর্ধমানের মামা-ভাগ্নেকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করেছিল ইডি। কয়লাকাণ্ডে নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছিলেন দু’জনে। গত ১০ ফেব্রুয়ারি আসানসোল-দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলের বাসিন্দা কিরণ খাঁ এবং চিন্ময় মণ্ডলকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

কিরণের বাড়ি আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভার রানিগঞ্জের বক্তানগর এলাকায়। চিন্ময় দুর্গাপুরের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে খবর, অবৈধ কয়লা ব্যবসায় মামার হাতেখড়ি হয়েছিল বাম আমলে। সে সময় চিন্ময়-সহ পাঁচ জন মিলে শিল্পাঞ্চলে সিন্ডিকেট পরিচালনা করতেন। তাতে ছিলেন সুন্দর, রাজু, বাবু এবং রশিদ নামে চার ব্যক্তি। আসানসোল-দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে ওই সিন্ডিকেটকে একসময় ‘বাদশা’ বলা হত। ইডি সূত্রেে আগেই জানা গিয়েছিল যে, ওই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে ছিলেন শিল্পাঞ্চলের এক নাম করা ব্যবসায়ী। এঁদের কাজ ছিল অবৈধ উপায়ে উত্তোলন করা কয়লা কম দামে কিনে দূর-দূরান্তের বিভিন্ন কলকারখানায় সরবরাহ করা।

Advertisement

অন্য দিকে, অবৈধ কয়লা কারবারে মামার হাত ধরে কিরণের প্রবেশ ঘটে। গত ১৫ থেকে ১৬ বছর ধরে ভাগ্নেই সিন্ডিকেট পরিচালনা করছেন। বাঁকুড়া জেলার মেজিয়াতে তাঁর বালিঘাট রয়েছে। পাশাপাশি কয়লা ব্যবসা এবং জমি কেনাবেচাতেও তিনি যুক্ত। দুর্গাপুর থেকে আসানসোল পর্যন্ত ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের দু’পাশে বিস্তীর্ণ জমির বড় অংশই মামা-ভাগ্নে ‘নিয়ন্ত্রণ’ করতেন। তাঁরা বড় বড় আবাসন প্রকল্প তৈরি করেন। ডুপ্লে ফ্ল্যাট বিক্রি করেন। তদন্তকারীদের অনুমান, কয়লা ও বালির ব্যবসা থেকে প্রাপ্ত কালোটাকা সাদা করার উদ্দেশ্যেই প্রোমোটিং এবং জমির ব্যবসায় হাত দিয়েছিলেন মামা-ভাগ্নে।

Coal Scam ED
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy