Advertisement
E-Paper

বৃহস্পতিবার ধর্মঘটের দিন রাজ্য সরকারি দফতর খোলা রাখার নির্দেশ নবান্নের, অনুপস্থিতিতে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত

ধবার নবান্ন থেকে জারি হওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ওই দিন সব রাজ্য সরকারি অফিস, এমনকি যে সব প্রতিষ্ঠান রাজ্য সরকারের অনুদানপ্রাপ্ত, সেগুলিও খোলা থাকবে এবং সমস্ত কর্মচারীকে যথারীতি কাজে যোগ দিতে হবে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:৪৩
February 12 strike: All state government offices ordered to remain open

নবান্ন। —ফাইল চিত্র।

বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের ডাকা ২৪ ঘণ্টার সর্বভারতীয় ধর্মঘটের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার রাজ্যের সমস্ত সরকারি দফতর খোলা রাখার নির্দেশ জারি করল অর্থ দফতর। বুধবার নবান্ন থেকে জারি হওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ওই দিন সব রাজ্য সরকারি অফিস, এমনকি যে সব প্রতিষ্ঠান রাজ্য সরকারের অনুদানপ্রাপ্ত, সেগুলিও খোলা থাকবে এবং সমস্ত কর্মচারীকে যথারীতি কাজে যোগ দিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারি কোনও কর্মীকে ‘ক্যাজুয়াল লিভ’ বা অন্য কোনও ছুটি মঞ্জুর করা হবে না— দিনের প্রথমার্ধ, দ্বিতীয়ার্ধ বা পুরো দিন— কোনও ক্ষেত্রেই নয়। ওই দিন অনুপস্থিত থাকলে তা ‘ডাইস-নন’ হিসেবে গণ্য হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মী ওই দিনের বেতন পাওয়ার অধিকারী হবেন না। তবে কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ছাড় রাখা হয়েছে। কর্মী হাসপাতালে ভর্তি থাকলে, পরিবারে শোকজনিত কারণে অনুপস্থিত থাকলে, ১১ ফেব্রুয়ারির আগেই গুরুতর অসুস্থতার কারণে ছুটিতে থাকলে বা আগাম মঞ্জুরিকৃত চাইল্ড কেয়ার লিভ বা মাতৃত্বকালীন ছুটি ও অর্জিত ছুটি থাকলে তা বিবেচনা করা হবে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিতে হবে।

সংশ্লিষ্ট দফতরের প্রধান বা নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারি যাঁরা অনুপস্থিত থাকবেন তাঁদের প্রত্যেককে শো কজ় নোটিস দিতে। সন্তোষজনক জবাব পেলে এবং উপযুক্ত প্রমাণ পেশ করলে ছুটি মঞ্জুর করা যেতে পারে। অন্যথায় অনুপস্থিতি ‘ডাইস-নন’ হিসেবে গণ্য হবে এবং বেতন প্রদান করা হবে না। শো কজ়ের জবাব না দিলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। অর্থ দফতর জানিয়েছে, এই নির্দেশ বাস্তবায়নের সমস্ত প্রক্রিয়া ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সম্পূর্ণ করে রিপোর্ট দাখিল করতে হবে। অতিরিক্ত মুখ্যসচিবের সই করা এই স্মারক ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দফতর ও প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করে দেন যে, পশ্চিমবঙ্গে আর বন্‌ধ বা ধর্মঘটের রাজনীতি করতে দেবেন না তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সেই নির্দেশ কার্যকর করতে গোটা রাজ্য প্রশাসন যে কোনও ধরনের বন্‌ধ এবং ধর্মঘটকে ব্যর্থ করতে ময়দানে নামে। ধর্মঘটের আগের দিন প্রতিবারই নবান্ন থেকে এমনই কড়া বিজ্ঞপ্তি জারি করে নিজেদের অবস্থান জানান দেয় রাজ্য সরকার। এ বারও তার ব্যতিক্রম হল না।

Strike Day Nabanna Government Offices
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy