E-Paper

শিক্ষার হাল ফেরানোর বার্তা, সব কলেজে চালু হবে বায়োমেট্রিক

সূত্রের খবর, শুধু স্কুলে নয়, কলেজেও কড়া ভাবে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের প্রবেশ-প্রস্থান চালু করতে সরকার তৎপর হতে চলেছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৯ মে ২০২৬ ০৭:৩১

— প্রতীকী চিত্র।

শিক্ষাঙ্গন রাজনীতিমুক্ত করা নিয়ে সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বার্তা আসার আগেই বিকাশ ভবনে উচ্চ আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করলেন বিজেপির বিধায়কেরা। ১৭ জন বিধায়ক মিলে শিক্ষা দফতরে বৈঠকের পরে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খোলেন রাসবিহারীর বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্ত এবং শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। সূত্রের খবর, শুধু স্কুলে নয়, কলেজেও কড়া ভাবে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের প্রবেশ-প্রস্থান চালু করতে সরকার তৎপর হতে চলেছে।

আগের সরকারের আমলেই এই উদ্যোগ শুরু হয়েছে। কিন্তু সরকারি কলেজগুলিতে এই বিষয়টি আজও চালু হয়নি। এ বার বিষয়টি আরও গুরুত্ব পাবে বলে সূত্রের খবর। পরে শঙ্কর বলেন, ‘‘শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত সব বিধায়কদের মতামত নিয়ে নথিবদ্ধ করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন। বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্ব যে হেতু মুখ্যমন্ত্রী নিজে সামলাচ্ছেন, তিনিই এ ক্ষেত্রে সরকারি নীতির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।’’ পাঠ্যক্রম বদলের বিষয় নিয়েও কমিটি গড়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। অনেকের ধারণা, সিঙ্গুর আন্দোলনের ইতিহাসের মতো বিষয় পাঠ্যক্রম থেকে বাদ পড়তে পারে।

শঙ্কর ও স্বপন, দু’জনেই তৃণমূল জমানায় শিক্ষায় দুর্নীতি, শিক্ষামন্ত্রী ও উপাচার্যের জেলযাত্রার কলঙ্কের অধ্যায় নিয়ে মুখ খোলেন। স্বপন বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে পুনর্জীবনের যে কথা বলা হয়েছে, সেখানে শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ স্থান আছে। এতে স্কুল শিক্ষা এবং উচ্চ শিক্ষা দুটোই আছে। উচ্চ শিক্ষাকে আগের স্থানে ফিরিয়ে আনাই হবে আমাদের লক্ষ্য।’’ প্রসঙ্গত, শুভেন্দু অধিকারীও একটি অনুষ্ঠানে শিক্ষাঙ্গনগুলি রাজনীতিমুক্ত করার কথা বলেন। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতি রাজনৈতিক মনোনয়নমুক্ত করার সরকারি পদক্ষেপের বিষয়ে বলেন। কলেজের পুরনো পরিচালন সমিতিগুলি ভাঙার পরে পরিচালন ব্যবস্থা মসৃণ রাখতে সেখানে প্রশাসক বসানোর প্রস্তুতি চলছে বলেও নবান্ন জানাচ্ছে।

বিকাশ ভবনের বৈঠকে এ দিন স্কুল এবং উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করলেই মেয়েদের ৫০ হাজার টাকা বা যে কোনও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসলে শিক্ষার্থীদের বিশেষ অনুদানের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় বলে খবর। তৃণমূলের জমানায় ব্যাঙের ছাতার মতো গজানো বিশ্ববিদ্যালয়গুলির নামমাত্র পরিকাঠামো নিয়েও আলোচনা হয়। সূত্রের খবর, নতুন সরকারের ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Biometric Attendance Biometric Attendance Machine Education system West Bengal government

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy