প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশবাসীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন আগেই। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী পদের দায়িত্ব নিয়ে এ বার সেই সুপারিশ মেনে সরকারি খরচে রাশ টানতে সক্রিয় হলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর নির্দেশ কার্যকর করতে সরকারি আধিকারিকদের উদ্দেশে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে সোমবার।
রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতরের সচিব ও জেলাশাসকদের পাঠানো ওই বিজ্ঞপ্তির মূল নির্দেশগুলির মধ্যে রয়েছে—
১. সরকারি কাজে ভিডিয়ো কনফারেন্স, ভার্চুয়াল মিটিং এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বেশি ব্যবহার।
২. অপ্রয়োজনীয় সফর কমানো এবং গণপরিবহন, কারপুলিং ও বৈদ্যুতিক যান ব্যবহারে উৎসাহ।
৩. বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও শক্তি সংরক্ষণ।
৪. কাগজবিহীন অফিস ব্যবস্থা এবং ই-অফিস চালু করা।
৫. দেশীয় পণ্যের ব্যবহার ও ‘স্বদেশি উদ্যোগ’কে উৎসাহ দান।
৬. বর্জ্য কমানো, পুনর্ব্যবহার ও প্রাকৃতিক সম্পদের দায়িত্বশীল ব্যবহার।
৭. স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব জীবনযাত্রা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি। যার মধ্যে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ভোজ্য তেল, প্রাকৃতিক ও পরিবেশবান্ধব কৃষি পদ্ধতির ব্যবহার ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
আরও পড়ুন:
নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, রাজ্যের প্রতিটি সরকারি বিভাগ এবং জেলা প্রশাসনকে ২০২৬–২৭ সালের জন্য একটি কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করতে হবে, যেখানে তাৎক্ষণিক, মধ্যমেয়াদি এবং দীর্ঘমেয়াদি হস্তক্ষেপ, পরিমাপযোগ্য ফলাফল ও সময়সীমার উল্লেখ থাকবে। আগামী ২২ মের মধ্যে তারিখের মধ্যে ওই কর্মপরিকল্পনা মুখ্যসচিবের দফতরে জমা দিতে হবে। পরবর্তী ধাপে ১ জুলাই, ২০২৬ থেকে মাসিক অগ্রগতি সংক্রান্ত প্রতিবেদনও প্রদান করতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘সমস্ত অতিরিক্ত মুখ্যসচিব/প্রধান সচিব/সচিব এবং জেলা শাসকদের অনুরোধ করা হচ্ছে বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিবেচনা করতে এবং তাঁদের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন সমস্ত অধস্তন দফতপ ও সংস্থার মাধ্যমে যথাযথ পদক্ষেপ ও নির্দেশ পালনের বিষয়টি নিশ্চিত করতে। এটিকে অতি জরুরি বিষয় হিসেবে গণ্য করতে হবে’।