Advertisement
২৮ জানুয়ারি ২০২৩
West Bengal health department

West Bengal Health Department: রাজ্য প্রসূতি মৃত্যু নিয়ন্ত্রণে হাসপাতালে নজরদারির সিদ্ধান্ত স্বাস্থ্য ভবনের

পুরো কাজ সুষ্ঠ ভাবে করার জন্য স্বাস্থ্য ভবনে থাকবে ‘মেন্টর দল’ একই রকম ভাবে প্রতিটি জেলাতেও একটি করে মেন্টর দল থাকবে।

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা শেষ আপডেট: ২৬ এপ্রিল ২০২২ ২২:৩৭
Share: Save:

রাজ্যে প্রসূতিদের মৃত্যুর হার নিয়ে চিন্তিত স্বাস্থ্য ভবন। ‘অল্প বয়সি’ প্রসূতি-সহ রাজ্যে প্রসূতিদের সার্বিক মৃত্যুহার কমাতে নজরদারি দল এবং মৃত্যুর কারণ খুঁজতে বিশেষজ্ঞ দল তৈরি করল স্বাস্থ্য ভবন। মঙ্গলবার এই বিষয়ে বর্ধমান, উত্তরবঙ্গ এবং সাগরদত্ত মেডিক্যাল কলেজের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করেন স্বাস্থ্য সচিব। সেখানেই এই বিষয়ে আরও বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

Advertisement

রাজ্যে ‘অল্প বয়সি’ প্রসূতিদের মৃত্যু মাথাব্যথার কারণ বলে স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর। অন্যান্য বয়সের প্রসূতিদের থেকে কম বয়সি বা ‘টিনএজ’ অন্তঃসত্ত্বাদের মৃত্যুহার বেশি যা দেশের মধ্যে দ্বিতীয়। স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০২১-২২ সালে রাজ্যে অল্প বয়সে সন্তান সম্ভাবনার (টিনএজ প্রেগন্যান্সি) হার ১৯শতাংশ। বিগত চার বছরে এই হার ছিল ২৩ শতাংশ। আগামিদিনে এই হার ১০ শতাংশের নীচে আনার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন। এর জন্য অল্পবয়সি দম্পতিদের চিহ্নিত করে পরিবার পরিকল্পনার আওতায় আনার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানান স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী।

এ ছাড়াও স্বাস্থ্যকর্তাদের মতে, শিশুর জন্মের পর অনেক মা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা উচ্চরক্ত চাপ জনিত কারণে মারা যান। এই সমস্যার সমাধান করতে, যে সব হাসপাতালে বেশি সন্তান প্রসব হয় সেই সব হাসপাতালে ‘পোস্ট ডেলিভারি ইউনিট’ খোলা হবে। এই ইউনিটে সারাদিন প্রশিক্ষিত নার্স এবং চিকিৎসকরা উপস্থিত থাকবেন।

প্রসূতি মৃত্যুর কারণ নির্ধারণের জন্য যে বিশেষজ্ঞ দল তৈরি করা হয়েছে তারা মূলত চারটি কাজ করবেন। প্রাথমিক স্তরে ঝুঁকিপূর্ণ (হাই রিস্ক) মায়েদের চিহ্নিতকরণ। এবং তাদের সঠিক চিকিৎসা করা।

Advertisement

প্রাথমিক স্তরের হাসপাতালে যা পরিকাঠামো রয়েছে সেই পরিকাঠামোর সম্পূর্ণরূপে ব্যবহার করে হাসপাতালে সন্তান প্রসবের সংখ্যা বাড়ানো।

মেডিক্যাল কলেজ বা বেশি পরিকাঠামো যুক্ত হাসপাতালগুলি যাতে প্রতিটি রোগীর সমস্যা সঠিক ভাবে চিহ্নিত করে যথাযথ চিকিৎসা করে তার জন্য স্বাস্থ্য ভবন সেই সব হাসপাতালের ক্ষেত্রে উপযুক্ত পদক্ষেপ করবে।

পুরো কাজ সুষ্ঠ ভাবে করার জন্য স্বাস্থ্য ভবনে থাকবে ‘মেন্টর দল’ একই রকম ভাবে প্রতিটি জেলাতেও একটি করে মেন্টর দল থাকবে। প্রতিটি মেডিক্যাল কলেজের আওতায় থাকবে জেলার বিভিন্ন স্তরের হাসপাতাল।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement
Advertisement

Share this article

CLOSE
Popup Close
Something isn't right! Please refresh.