Advertisement
E-Paper

দেড়শো লোক আর সাংবাদিক দু’শো, দলটা তো ফলতার মতো হয়ে গিয়েছে! মমতার ধর্না দেখে তীব্র কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ জুন ২০২৬ ১৮:৫৯
Suvendu Adhikari on Mamata Banerjee

তারকেশ্বরে দলীয় বিধায়কদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। —নিজস্ব চিত্র।

বিধানসভা নির্বাচনে পর্যুদস্ত হওয়ার ২৮ দিন পর প্রথম বার রাজপথে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের ছন্নছাড়া দশার মধ্যে সংবিধান হাতে নিয়ে বিজেপিকে হারানোর পণ করেছেন তিনি ধর্নামঞ্চ থেকে। ধর্মতলার ওই কর্মসূচি দেখে তারকেশ্বর থেকে খোঁচা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দল হিসাবে তৃণমূলের অবস্থার সঙ্গে তুলনা টানলেন সদ্যসমাপ্ত ফলতা পুনর্নির্বাচনে তৃণমূলের ফলাফলের সঙ্গে।

ওয়াই চ্যানেলে ধর্নামঞ্চ থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেছেন মমতা। নিজের দল নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘‘আমি কারও সুদিনে না-হোক, দুর্দিনে আছি।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘বিজেপি বাদে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক আছে। তবে বিজেপির যাঁরা বলেছেন, তাঁদের পাশেও ছিলাম... জিয়েঙ্গে তো বিজেপি কো হটাকে যায়েঙ্গে (যদি বেঁচে থাকি বিজেপি-কে সরিয়েই যাব)।’’ অন্য দিকে, মঙ্গলবার হুগলি সফরে গিয়েছিলেন শুভেন্দু। তারকেশ্বর থেকে মমতার কর্মসূচি নিয়ে তাঁর খোঁচা, ‘‘একজন ছবি পাঠিয়েছিল... এত দুরবস্থা আমি জানতাম না! একঝুড়ি লোক... দেড়শোটা লোকও আসেনি। সাংবাদিকরাই ছিলেন দু’শো জন মতো। সাংবাদিকেরা না থাকলে তো আরও করুণ অবস্থা হত।’’

পাশাপাশি, তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের সিংহভাগের ওই কর্মসূচিতে অনুপস্থিতি নিয়েও তৃণমূলকে বিঁধেছেন শুভেন্দু। কটাক্ষের হাসি হেসে বলেন, ‘‘রাজ্যসভা, লোকসভা মিলিয়ে এতগুলো এমপি (সাংসদ)। শুনলাম, তিন জন এমপি আর ছ’জন এমএলএ (বিধায়ক) গিয়েছেন। ওই দলটার অবস্থা ফলতার মতো হয়ে গিয়েছে।’’

তারকেশ্বর মন্দিরে পুজো দিয়ে দলীয় বিধায়ক থেকে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকে বেরিয়ে জানান, তারকেশ্বর উন্নয়ন পরিষদ ভেঙে প্রশাসক নিযুক্ত করা হচ্ছে। তারকেশ্বর ট্রাস্টি বোর্ডের আর্থিক সহায়তা বন্ধ করা হয়েছে। মঙ্গলবারই মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং প্রধান সচিবকে নির্দেশ দেবেন এ নিয়ে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘এডিএম অনুজ প্রতাপ সিংহকে আমরা প্রশাসক করছি। সামনে শ্রাবণী মেলা। এই মেলাকে কেন্দ্র করে এ বার সরকার থেকে বাবা তারকনাথের পবিত্রভূমি তারকেশ্বরে শ্রাবণ মাসে যত পুণ্যার্থী আসবেন, তাঁদের জন্য বড় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’’ শুভেন্দু জানিয়ে দেন, মন্দিরের আশপাশে আর নীল-সাদা রং থাকবে না। তাঁর কথায়, ‘‘পবিত্র দুধপুকুর পাড়ে কী সব রং করে রেখেছে! রঙ পরিবর্তন আগে করা দরকার। আধ্যাত্মিকতা এবং আমাদের সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই রং প্রয়োজন। সেটা আগে করতে হবে।’’

পূর্বতন সরকার তারকেশ্বর উন্নয়ন পরিষদ বা টিডিএ গঠন করেছিল ২০১৭ সালের ১ জুন। চেয়ারম্যান করা হয়েছিল ফিরহাদ হাকিমকে, যা নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী জানান, গত দশ বছরে টিডিএ তারকেশ্বরে কিছু কাজ করলেও পরিকল্পনা অনুযায়ী অনেক কাজই শেষ করতে পারেনি। তারকেশ্বরে তাঁর বেশ কিছু কাজের পরিকল্পনা আছে বলে জানিয়ে গেলেন শুভেন্দু।

Suvebdu Adhikari Mamata Banerjee TMC
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy