E-Paper

বিনিয়োগে দ্রুত বেশি লাভের ফাঁদ, ১৯ লক্ষ টাকা প্রতারণার শিকার হুগলির বাসিন্দা

পুলিশ সূত্রের খবর, হুগলির এক বাসিন্দা সমাজমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেখে যোগাযোগ করেন। পরেএকটি অজানা নম্বর থেকে এক ব্যক্তি জানান, ৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করলে ৪৫ দিনের মধ্যে লাভসমেত বিনিয়োগ করা টাকা ফেরত দেওয়া হবে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:৫২

—প্রতীকী চিত্র।

ডিজিটাল গ্রেফতারির ভয় দেখিয়ে যেমন টাকা হাতানোর অপরাধ বাড়ছে, তেমনই বাড়ছে বিনিয়োগে উচ্চ রিটার্নের ফাঁদ পেতে প্রতারণার ঘটনা। সম্প্রতি বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় এমন প্রতারণার অভিযোগ জমা পড়েছে।

পুলিশ সূত্রের খবর, হুগলির এক বাসিন্দা সমাজমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেখে যোগাযোগ করেন। পরেএকটি অজানা নম্বর থেকে এক ব্যক্তি জানান, ৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করলে ৪৫ দিনের মধ্যে লাভসমেত বিনিয়োগ করা টাকা ফেরত দেওয়া হবে। এই কথা শুনে তিনি৫০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়েগেলেও টাকা ফেরত পাননি। কিন্তুযাঁর মাধ্যমে তিনি বিনিয়োগ করেছিলেন, কোনও ভাবেই সাড়া দিচ্ছিলেন না সেই ব্যক্তি। এর পরে সমাজমাধ্যমে যোগাযোগ সম্ভব হয়। কিন্তু ওই ব্যক্তি জানান, ৫০ হাজার টাকায় কোনও লাভ করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগ, এর পরেও বিনিয়োগকারীকে রকমারিমিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেন অভিযুক্ত। তা বিশ্বাস করে আরও টাকা বিনিয়োগ করেন অভিযোগকারী। তখন ১লক্ষ টাকা তিনি ফেরতও পান। কিন্তু এর পরে তাঁকে বলা হয়,বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হচ্ছে না। প্রতিশ্রুতির ফাঁদে পড়ে ফের ১১ লক্ষ সাড়ে ৩১ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেন অভিযোগকারী। তার পরে যোগাযোগ বন্ধ করেদেয় অভিযুক্ত। এর পরে একাধিকবার ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইমরিপোর্টিং পোর্টালে অভিযোগ জানিয়েছেন সেই বিনিয়োগকারী। সম্প্রতি তিনি বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ লিপিবদ্ধ করেন।

পুলিশ সূত্রের খবর, অভিযোগকারী জানিয়েছেন, তিনি ১৯ লক্ষের বেশি টাকা বিনিয়োগকরার পরে তাঁকে ১ কোটি ৮০ লক্ষের বেশি টাকার লাভ হয়েছেবলা হয়েছিল। কিন্তু সেই টাকা পাওয়ার জন্য আরও বেশিটাকা বিনিয়োগ করার চাপ দেওয়াহয়। তার পরেই পুলিশের দ্বারস্থ হন তিনি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

কিছু দিন আগে বিধাননগর কমিশনারেট এলাকার একবাসিন্দা কার্যত একই রকম বিনিয়োগে বেশি লাভের ফাঁদে পড়ে বড়অঙ্কের প্রতারণার মুখে পড়েন।তিনিও বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্ত করছে পুলিশ।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Fraud police investigation

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy