Advertisement
২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
Serampur Court

যুবককে গুলি করে খুনের চেষ্টা! প্রতিবেশীকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিল শ্রীরামপুর আদালত

বছর খানেক আগে একটি অশান্তির ঘটনায় প্রতিবেশী মিথিলেশ যাদবকে বিহারের মুঙ্গের থেকে আগ্নেয়াস্ত্র এনে গুলি করার অভিযোগ ওঠে আকাশ যাদবের বিরুদ্ধে। এর পর বিহারেই গা ঢাকা দিতে চেয়েছিলেন যুবক।

খুনের চেষ্টার অভিযোগে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিল আদালত।

খুনের চেষ্টার অভিযোগে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিল আদালত। —প্রতীকী চিত্র।

নিজস্ব সংবাদদাতা
চন্দননগর শেষ আপডেট: ১৯ নভেম্বর ২০২২ ২১:০২
Share: Save:

প্রতিবেশীকে খুনের চেষ্টার অভিযোগে এক যুবককে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিল শ্রীরামপুরের আদালত। শুক্রবারই অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল আদালত। শনিবার তাঁকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিলেন বিচারক। পাশাপাশি অনাদায়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে আদালত।

বছরখানেক আগে একটি অশান্তির ঘটনায় প্রতিবেশী মিথিলেশ যাদবকে বিহারের মুঙ্গের থেকে আগ্নেয়াস্ত্র এনে গুলি করার করার অভিযোগ ওঠে আকাশ যাদবের বিরুদ্ধে। এর পর বিহারেই গা ঢাকা দিতে চেয়েছিলেন যুবক। তবে অভিযোগ পেয়েই তড়িঘড়ি ওই যুবকের খোঁজ শুরু করে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। অন্য দিকে, গুলিতে আহত হয়ে বেশ কিছু দিন হাসপাতালে থেকে সুস্থ হন মিথিলেশ। কিন্তু গুলিতে তাঁর যকৃৎ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ধৃত আকাশের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৭ (খুনের চেষ্টা), ৩২৬ ধারায় (ইচ্ছাকৃত ভাবে গুরুতর আঘাত করা) মামলা দায়ের করে পুলিশ। ওই মামলা দায়েরের এক বছরের মধ্যে আদালতে চার্জশিট পেশ করেছে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট।

যদিও নিম্ন আদালতে মামলার রায়কে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করেছিলেন অভিযুক্ত। তবে তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় হাই কোর্ট। অবশেষে ১০ জন প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে শুক্রবার ওই মামলায় আকাশকে দোষী সাব্যস্ত করে শাস্তি দিল আদালত। সরকার পক্ষের আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘অভিযুক্তের বয়স কম। এই কারণ দর্শিয়ে সাজা কমানোর আবেদন হয়েছিল। কিন্তু আইনের চোখে অপরাধীর বয়স নয়, তার অপরাধই যে বড়, এই বার্তা দিতেই সাজা ঘোষণা করেছে আদালত।’’ ছেলেকে খুনের চেষ্টায় অভিযুক্তের সাজা হওয়ায় খুশি মিথিলেশের পরিবার।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement

Share this article

CLOSE