Advertisement
০৩ মার্চ ২০২৪
Strict Punishment

ডাস্টার দিয়ে মেরে পড়ুয়ার নাক ফাটানোর অভিযোগ উত্তরপাড়ার প্রাথমিক স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে

ক্লাসে গোলমাল করায় এক ছাত্রকে ডাস্টার দিয়ে মারার অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে। পড়ুয়ার নাক ফেটে রক্ত বেরোয়। তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পড়ুয়ার মা থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন।

representational image

— প্রতীকী ছবি।

আনন্দবাজার অনলাইন সংবাদদাতা
উত্তরপাড়া শেষ আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৩ ১৭:১৬
Share: Save:

ডাস্টার দিয়ে মেরে ছাত্রের নাক ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে। থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে সরব অভিভাবকদের একটি অংশ। ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির উত্তরপাড়া অমরেন্দ্র বিদ্যাপীঠ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

বুধবার উত্তরপাড়া অমরেন্দ্র বিদ্যাপীঠ বিদ্যালয়ের প্রাথমিক বিভাগে চতুর্থ শ্রেণির ক্লাস চলাকালীন কয়েক জন ছাত্র বেঞ্চের উপর লাফালাফি করছিল। এক ছাত্র শিক্ষক আশিষ আদককে সে বিষয়ে বলতে গেলে শিক্ষক ওই ছাত্রকেই ডাস্টার দিয়ে মেরে নাক ফাটিয়ে দেন বলে অভিযোগ। ছাত্রের নাক দিয়ে রক্ত পড়তে দেখে, অন্য শিক্ষক, শিক্ষিকারা ছাত্রকে উদ্ধার করেন। উত্তরপাড়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় পড়ুয়াকে। খবর দেওয়া হয় বাড়িতে। ছাত্রের মা শেফালি রায় উত্তরপাড়া থানায় অভিযোগ করেছেন ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার স্কুলে অভিভাবকেরা জড়ো হন। সমবেত ভাবে শিক্ষকের শাস্তির দাবি ওঠে। অভিভাবকদের নিয়ে স্কুল পরিচালন সমিতি এবং প্রধান শিক্ষক বৈঠকে বসেন। স্কুল পরিচালন সমিতির সভাপতি স্থানীয় কাউন্সিলর উৎপলাদিত্য বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আগেও অভিযোগ উঠেছে। আমরা গতকাল (বুধবার) রাতে বিষয়টি জানতে পারি। আজ (বৃহস্পতিবার) অভিভাবকদের নিয়ে বৈঠক হয়েছে। তাঁদের দাবিদাওয়া এসআইয়ের কাছে পৌঁছে দেব।’’

স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুশান্ত ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘ছাত্রটিকে যে ভাবে মারধর করা হয়েছে তা ঠিক হয়নি। আমরা দেখতে পেয়েই হাসপাতালে নিয়ে যাই। শিক্ষকের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা বলতে পারব না। তবে এই ধরনের ঘটনা ঘটা উচিত নয়। আমাদের আরও একটু দায়িত্বশীল হতে হবে।’’

ঘটনার পর বৃহস্পতিবার স্কুলে আসেননি অভিযুক্ত শিক্ষক।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement

Share this article

CLOSE