Advertisement
E-Paper

ফের ভোটাভুটি স্থগিত করল প্রশাসন

আইন-শৃঙ্খলার অবনতির হতে পারে। এই আশঙ্কায় বুধবার গোঘাট ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে আনা অনাস্থার ভোটাভুটি স্থগিত রাখল প্রশাসন। গোঘাট ২-এর বিডিও ইশতিয়াক আহমেদ খান বলেন, ‘‘আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে মহকুমাশাসকের নির্দেশে আপাতাত অনাস্থা ভোট স্থগিত রাখা হয়েছে।’’

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ অগস্ট ২০১৬ ০২:২৬

আইন-শৃঙ্খলার অবনতির হতে পারে। এই আশঙ্কায় বুধবার গোঘাট ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে আনা অনাস্থার ভোটাভুটি স্থগিত রাখল প্রশাসন। গোঘাট ২-এর বিডিও ইশতিয়াক আহমেদ খান বলেন, ‘‘আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে মহকুমাশাসকের নির্দেশে আপাতাত অনাস্থা ভোট স্থগিত রাখা হয়েছে।’’

গোঘাট ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা দলের ব্লক সভাপতি তপন মণ্ডলের বিরুদ্ধে দুর্নীতি-স্বজনপোষন ইত্যাদি অভিযোগ এনে প্রথমে ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে অনাস্থা প্রস্তাব আনেন দলের আর এক নেতা তথা পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ আতাউল হক-সহ ১৪ জন সদস্য, সে সময় দলের আপত্তি তো ছিলই তার উপর অনাস্থা এনে পাঠানো চিঠিতে আইনের ত্রুটি থাকায় মহকুমাশাসক তা বাতিল করেন। ওই সময় পঞ্চায়েত ত্রিস্তরে বোর্ড গঠনের আড়াই বছরের মধ্যে অনাস্থা আনা যাবে না বলে সরকার আইন করে। সেই আড়াই বছর কাটার পরেই চলতি বছরের ১১ জুলাই সেই একই সদস্যরা ফের অনাস্থা প্রস্তাব আনেন। কিন্তু পঞ্চায়েত আইনের ১৮(২) ধারা অনুযায়ী যাঁরা অনাস্থা আনতে চান তাঁরা কোন দলের সদস্য তার উল্ল্যেখ না থাকায় অনাস্থা প্রস্তাব বাতিল হয়ে যায়। এ দিকে দলের নির্দেশ সত্ত্বেও ফের ২২ জুলাই অনাস্থা প্রস্তাব আনেন আতাউল হকরা। এ দিন সেই অনস্থারই ভোটাভুটির জন্য দিন ধার্য করেছিল প্রশাসন।

তৃণমূল সূত্রে খবর, জেলা নেতৃত্ব গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মেটাতে সকলকে নিয়ে আলোচনায় বসার আশ্বাস দিয়েছিল। তাই এ দিনের ভোটাভোটিতে কেউ হাজির থাকবেন না জেলা নেতৃত্বের নির্দেশ ছিল। কিন্তু সকালেই অনাস্থার পক্ষে সই করা ১৪ জন সদস্য হাজির হয়ে যান ব্লক চত্বরে। ভোটাভুটির নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হয়েছিল সাড়ে ১২টা। কিন্তু ১২টা ২০ মিনিট নাগাদ মহকুমাশাসক প্রীতি গোয়েলের নোটিস দেখিয়ে বিডিও জানিয়ে দেন, আইন-শৃঙ্খলার প্রশ্নে ভোট স্থগিত করা হল। অনাস্থার পক্ষে আতাউল হকের অভিযোগ, ‘‘পর্যাপ্ত পুলিশ ছিল। এলাকায় কোনও উত্তেজনাও ছিল না। মিথ্যা আইন-শৃঙ্খলার অজুহাত দিয়ে ভোট বন্ধ করা হল।’’ সভাপতি তপন মণ্ডল এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। জেলা সভাপতি তপন দাশগুপ্ত বলেন, ‘‘রাজ্য নেতৃত্ব নিষেধ করা সত্ত্বেও ওঁরা কেন অনাস্থা ভোটে হাজির হয়েছিলন তা নিয়ে এবং দু পক্ষের গোলমাল নিয়ে মুকুল রায় শীঘ্রই আলোচনায় বসবেন।’’

Advertisement
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy