E-Paper

‘নিজেও শাড়ি পরি’, মমতার তাঁত-কথা

গত দু’টি লোকসভা নির্বাচনে শান্তিপুর বিধানসভা এলাকায় তৃণমূল বিজেপির কাছে পিছিয়ে পড়ে। যদিও পরবর্তী উপনির্বাচনে আসন পুনরুদ্ধার করে তৃণমূল।

সম্রাট চন্দ

শেষ আপডেট: ০৮ এপ্রিল ২০২৬ ০০:৩১
জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার নাকাশিপাড়ায়।

জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার নাকাশিপাড়ায়। ছবি: সুদীপ ভট্টাচার্য

শান্তিপুরে বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে এসে শান্তিপুর নিয়ে তাঁর আবেগ উসকে দিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার শান্তিপুর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত জনসভায় জানান, এই সভা আগে অন্যত্র হওয়ার কথা থাকলেও পরে নিজেই সিদ্ধান্ত নিয়ে শান্তিপুরে করেন।

সভা মঞ্চ থেকে তিনি বিরোধীদের কড়া আক্রমণ করে বলেন, “যারা একসময়ে সিপিএম করত এবং অত্যাচার চালাত, তারাই আজ কংগ্রেস, বিজেপি বা অন্য দলে গিয়ে একই কাজ করছে।” শান্তিপুরের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্প ও শাড়ির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “আমি যে শাড়িটি পরে আছি সেটাও শান্তিপুরের। ফুলিয়া-শান্তিপুরের শাড়ির চাহিদা সর্বত্র রয়েছে।” তাঁত শিল্পের উন্নয়নে সরকারের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

এ দিন অতীতের একটি ঘটনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুব কংগ্রেস নেত্রী থাকাকালীন শান্তিপুরের এক নির্যাতিতা মূক-বধির তরুণীর জন্য বিচার চাইতে তিনি রাইটার্স বিল্ডিং-এ গিয়েছিলেন, সেখানে তাঁকে আক্রান্ত হতে হয়। সেই প্রসঙ্গ তুলে শান্তিপুরের তরুণীর জন্য বিচার চাইতে নিজের লড়াইয়ের কথা তুলে ধরেন এ দিন। সভায় তিনি কৃত্তিবাস ওঝার কথাও স্মরণ করেন এবং শান্তিপুরের গৌরব তুলে ধরেন। পাশাপাশি, নৃসিংহপুর থেকে পূর্ব বর্ধমানের কালনা পর্যন্ত প্রস্তাবিত সেতু নিয়েও কথা বলেন। তাঁর দাবি, “ওই প্রকল্পে ১১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে এবং কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।” কয়েক বছর আগে শান্তিপুরের রাস উৎসবে নিজের উপস্থিতির কথাও মনে করিয়ে দেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত দু’টি লোকসভা নির্বাচনে শান্তিপুর বিধানসভা এলাকায় তৃণমূল বিজেপির কাছে পিছিয়ে পড়ে। যদিও পরবর্তী উপনির্বাচনে আসন পুনরুদ্ধার করে তৃণমূল। কিন্তু পঞ্চায়েত নির্বাচনে আবারও ধাক্কা খেতে হয়। সেই প্রেক্ষাপটে শান্তিপুরে তৃণমূলের বাড়তি গুরুত্ব স্পষ্ট বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

মমতার দাবিকে কটাক্ষ করেছেন রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। তিনি বলেন, “রাস উৎসবের সময়ে পর্যটন কেন্দ্র গড়ার কথা বলা হয়েছিল, কিন্তু কাজ কোথায়? যে সেতুর কথা বলা হচ্ছে, সেখানে জমি অধিগ্রহণ ছাড়া আর কিছুই হয়নি। কাটমানির মাধ্যমে সব টাকা খেয়ে ফেলেছে তৃণমূলের নেতারা, সেতু হবে কী ভাবে?”

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Mamata Banerjee Santipur

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy