Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

নিজেদের ব্যারাকে তাস খেলতে খেলতে বচসায় জড়িয়ে পড়েছিলেন রেলরক্ষীরা। সেই বচসা থেকেই বেধে যায় গুলির লড়াই। পরস্পরের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন তিন জওয়ান। বুধবার রাতের এই ঘটনায় হাওড়ার আরপিএফ ব্যারাকে উত্তেজনা ছড়ায়।

শেষ আপডেট: ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ ০০:৩৮

গুলির লড়াই ব্যারাকে, মৃত্যু ৩ রেলরক্ষীর
নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

নিজেদের ব্যারাকে তাস খেলতে খেলতে বচসায় জড়িয়ে পড়েছিলেন রেলরক্ষীরা। সেই বচসা থেকেই বেধে যায় গুলির লড়াই। পরস্পরের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন তিন জওয়ান। বুধবার রাতের এই ঘটনায় হাওড়ার আরপিএফ ব্যারাকে উত্তেজনা ছড়ায়। ঠিক কী নিয়ে বচসা বেধেছিল, জানা যায়নি। তবে একটি সূত্র জানাচ্ছে, ডিউটি বা কাজ ভাগাভাগি নিয়েই ঝগড়া বাধে জওয়ানদের মধ্যে। পুলিশি সূত্রের খবর, হাওড়া স্টেশন সংলগ্ন মুখরাম কানোরিয়া রোডে আরপিএফ ব্যারাকে রাত ১০টা নাগাদ চার-পাঁচ জন জওয়ান তাস খেলছিলেন। হঠাত্‌ তাঁরা বচসায় জড়িয়ে পড়েন। শুরু হয় হাতাহাতি। তার পরে তিন জওয়ান পরস্পরকে তাক করে নিজেদের আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি চালাতে থাকেন। লোকজন ছুটে গিয়ে দেখেন, তাস খেলার জায়গাটা রক্তে ভেসে যাচ্ছে। মাটিতে, খাটে পড়ে আছেন উর্দিধারী তিন রেলরক্ষী। স্থানীয় বাসিন্দারাই খবর দেন গোলাবাড়ি থানায়। পুলিশ তিন রক্ষীকে হাওড়া জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। পুলিশ জানায়, নিহতেরা হলেন ডি সিংহ, ডি চৌধুরী ও জহর রাজভড়। প্রত্যেকেরই বয়স পঞ্চাশের কাছারাছি। ঘটনার পরে ওই ব্যারাকের সামনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হাওড়া সিটি পুলিশ এবং আরপিএফের কর্তারা ঘটনাস্থলে যান।

অন্বেষা, দোষীদের ফাঁসি চেয়ে বিক্ষোভ
নিজস্ব সংবাদদাতা • চুঁচুড়া

অন্বেষার হত্যাকারীদের ফের ফাঁসির দাবিতে সোচ্চার হলেন গ্রামের মানুষ। অন্বেষার খুনের ঘটনায় ধৃতদের চুঁচুড়া আদালতে হাজির করানো হবে জেনে বুধবার সকাল থেকেই আদালত চত্বরে বিক্ষোভে সামিল হয়েছিলেন কয়েকশো পুরুষ, মহিলা। ছিল দাবির স্বপক্ষে অন্বেষার ছবি দেওয়া ব্যানার। হাজির ছিল শিশুরাও। এদিন বিক্ষোভ হতে পারে আঁচ করেই আদালত চত্বর পুলিশি বেষ্টনিতে মুড়ে ফেলা হয়েছিল। আদালত ভবনের চারিদিকেই বিশেষ নজরদারিতে ছিল সাদা পোশাকে পুলিশ। কোনওরকম অশান্তি এড়াতে এদিন আসামি এবং আইনজীবী ছাড়া কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। নির্দিষ্ট সময়ের আগেই ধৃতদের আদালতে নিয়ে আসা হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও আদালত চত্বরে ভিড় করতে শুরু করেন গ্রামের মানুষ।

তালা ভেঙে চুরি বালির স্কুলে
নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা

ফের বালির একটি স্কুলে তালা ভেঙে চুরি হল। বালি জুড়ে একের পর এক চুরি হলেও একটিরও কিনারা হয়নি। পর পর এই চুরিতে আশঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারা। পুলিশ জানায়, বুধবার সকালে নর্থ ঘোষপাড়া এলাকার উন্নয়নী সেবা সমিতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা এসে দেখেন, স্কুলের দরজার তালা, দু’টি আলমারি ও টিনের বাক্স ভাঙা। পিতলের বাসনপত্র-সহ মিড ডে মিলের থালা, বাটি নিয়ে যায় চোরেরা। পুলিশ জানায়, স্কুলের পাশে একটি বাড়ির সামনে রাখা সাইকেলও নিয়ে পালায় চোরেরা। হাওড়া সিটি পুলিশের এক কর্তা বলেন, “প্রতিটি চুরির ক্ষেত্রেই একই রকমের সূত্র মিলছে। তদন্ত অনেকটাই এগিয়েছে।”

তৃণমূল অফিসে গুলি-বোমা

হাওড়ার শিবপুরে তৃণমূলের একটি অফিস লক্ষ করে গুলি ও বোমা ছোড়ার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শিবপুর ট্রাম ডিপোর কাছে ওই অফিসেই বসেন ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর শামিমা বানু। পুলিশ জানায়, বুধবার রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ চার দুষ্কৃতী মোটরবাইকে চড়ে এসে ওই অফিসে বোমা ছোড়ে। গুলি চালায়। গুলি লাগে অফিসের জানলার কাচে। তখন ভিতরে কয়েক জন ছিলেন। বোমা ও গুলি ছুড়েই দুষ্কৃতীরা পালানোর চেষ্টা করে। তৃণমূলকর্মীরা তাড়া করে এক জনকে ধরে ফেলেন। ধৃতকে বেধড়ক পেটানো হয়। শামিম বলেন, “দুষ্কৃতীরা আমাকে মারতেই এসেছিল। মিনিট দশেক আগে বেরিয়ে এসেছিলাম।”

কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠে যিশুর জন্মদিন পালন। ছবি: মোহন দাস।

southbengal
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy