Advertisement
E-Paper

টুকরো খবর

গ্রামে রাস্তার দাবিতে এক প্রৌঢ় বিডিও অফিসে এসে অনশনের তোড়জোড় শুরু করেন। ওই ঘটনা নিয়ে শুক্রবার সরগরম হয়ে ওঠে আরামবাগ বিডিও অফিস চত্বর। দফতরের আধিকারিকদের আশ্বাসেও সুশীলকুমার জানা নামে ওই ব্যক্তি ক্ষান্ত হননি। পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশ আসে। শেষে সুশীলবাবুর ভাইপো, গ্রামের তৃণমূল নেতা বিদ্যুৎ জানা কিছু লোকের সাহায্যে তাঁকে সরিয়ে নিয়ে যান।

শেষ আপডেট: ২১ জুন ২০১৪ ০২:১০

রাস্তা সারানোর দাবিতে অনশনের হুমকি প্রৌঢ়ের

নিজস্ব সংবাদদাতা • আরামবাগ

গ্রামে রাস্তার দাবিতে এক প্রৌঢ় বিডিও অফিসে এসে অনশনের তোড়জোড় শুরু করেন। ওই ঘটনা নিয়ে শুক্রবার সরগরম হয়ে ওঠে আরামবাগ বিডিও অফিস চত্বর। দফতরের আধিকারিকদের আশ্বাসেও সুশীলকুমার জানা নামে ওই ব্যক্তি ক্ষান্ত হননি। পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশ আসে। শেষে সুশীলবাবুর ভাইপো, গ্রামের তৃণমূল নেতা বিদ্যুৎ জানা কিছু লোকের সাহায্যে তাঁকে সরিয়ে নিয়ে যান। বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ বিডিও-র ঘরের সামনে এসে বসে পড়েন সালেপুর ১ পঞ্চায়েতের ‘সালেপুর নদী ভিতর’ গ্রামের বাসিন্দা সুশীলবাবু। হইচই শুরু করে দেন। তাঁকে দেখতে ভিড় জমে যায়। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দফতরের কর্মীরাও চলে আসেন। দফতরের কাজকর্ম ব্যহত হয়। বিডিও অবশ্য দফতরে ছিলেন না। সুশীলবাবুর অভিযোগ, “আমাদের গ্রাম নদী বাঁধের ভিতর। মাত্র ৩০০ মিটার রাস্তার অভাবে গ্রামের উন্নয়ন হচ্ছে না। কৃষি পণ্য নিয়ে মানুষ বাইরে যেতে পারেন না। গত কয়েক বছর ধরেই পঞ্চায়েত এবং ব্লকে রাস্তার আবেদন-নিবেদন করেও কিছু হয়নি।” এ দিন সুশীলবাবুকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরে ব্লক প্রশাসনের তরফে স্থানীয় পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষকে ওই গ্রামের রাস্তার বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। আরামবাগ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তৃনমূলের শিশির সরকার বলেন, “ইতিমধ্যেই ওখানে রাস্তা নির্মানের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।” সালেপুর ১ পঞ্চায়েতের প্রধান গুনধর খাড়া বলেন, “ওখানে নদী বাঁধের ভাঙ্গন রুখতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রাস্তার দাবিও মিটবে। বাৎসরিক পরিকল্পনায় সেই কাজ অন্তর্ভুক্ত করা আছে।” তবে, এ বারেও কাজ না হলে প্রয়োজনে জেলাশাসকের দফতরে অনশন করবেন বলে জানিয়ে রেখেছেন সুশীলকুমারবাবু।

Advertisement

ট্রেনের ধাক্কায় দু’জনের মৃত্যু

নিজস্ব সংবাদদাতা • উলুবেড়িয়া

রেললাইন ধরে স্টেশনে পৌঁছতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হল দু’জনের। আহত হন এক মহিলা। শুক্রবার সকালে দুর্ঘটনাটি ঘটে হাওড়ার জগৎবল্লভপুরের রামপুর রেলব্রিজের কাছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতেরা হলেন প্রদীপ আলিয়া ওরফে ঠাকুর (৫০) এবং প্রতিমা সামন্ত (৪০)। আহতের নাম সীমা দাস। সকলেই হাওড়ার দাশনগর-শানপুরের বাসিন্দা। তাঁরা রাঁধুনির কাজ করতেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই তিন জন-সহ ছ’জনের একটি দল বৃহস্পতিবার রামপুরে একটি বিয়েবাড়িতে রান্নার জন্য যান। শুক্রবার ফেরার সময়ে তাঁদের মধ্যে তিন জন বাসে চেপে হাওড়ায় যান। প্রদীপবাবুরা ট্রেনে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। সেই কারণে রামপুর থেকে রেললাইন ধরে হেঁটে মুন্সিরহাট স্টেশনের দিকে যাচ্ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রামপুরে দামোদর নদীর রেলব্রিজ পেরোনোর সময় আপ হাওড়া-আমতা লোকাল তিন জনকে পিছন দিক থেকে ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলেই মারা যান প্রতিমাদেবী। সীমাদেবী এক পাশে ছিটকে পড়েন। ধাক্কার জেরে প্রদীপবাবু নীচে জলে পড়ে যান। দু’জনকে ট্রেনের গার্ডরাই ট্রেন থামিয়ে উদ্ধার করেন। তাঁদের আমতা স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। আমতা থানার পুলিশ তাঁদের আমতা গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসকেরা প্রদীপবাবুকে মৃত ঘোষণা করেন।

রান্নাঘর থেকে গয়না চুরি

নিজস্ব সংবাদদাতা • আরামবাগ

কয়েক ভরি সোনার গয়না চুরি হয়ে গেল আরামবাগের প্রফেসর পাড়ার এক দমকলকর্মীর বাড়ি থেকে। বৃহস্পতিবার দুপুরে শ্যামাপদ মালিক নামে ওই দমকলকর্মী বাড়িতে তালা দিয়ে কাজে বেরিয়ে যান। রাত ৮টা নাগাদ ফিরে দেখেন, ঘরের প্রধান দরজা এবং রান্নাঘরের দরজার তালা ভাঙা। উধাও গয়না। পুলিশের কাছে দায়ের করা অভিযোগে তিনি জানিয়েছেন, প্রায় ২৫ ভরি গয়না রান্নাঘরের বিভিন্ন মশলার কৌটো এবং একটি ভাঙা ট্যাঙ্কে রেখেছিলেন। কিছুই মেলেনি। পুলিশ জানায়, তদন্ত শুরু হয়েছে।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy