Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২০ অক্টোবর ২০২১ ই-পেপার

প্রতিবাদ করলেই ‘আরবান নকশাল’

নিজস্ব প্রতিবেদন
০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ০৩:২৫
ফাইল চিত্র।

ফাইল চিত্র।

সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুললেই ‘আরবান নকশাল’ বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তা সে কেন্দ্রই হোক, অথবা রাজ্য। বুধবার অ্যাকাডেমির সামনে এক প্রতিবাদ সভায় এমনই অভিযোগ করলেন রাজ্যের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের কর্মীরা। ভারাভারা রাও-সহ অন্য সমাজকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিও করলেন। নিজেদের চিহ্নিত করলেন ‘আরবান নকশাল’ বলে।

সূত্রের খবর, কিছু দিন আগেই ‘নকশাল’ সংগঠনগুলি সম্পর্কে রাজ্যকে সতর্ক করেছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। পশ্চিমবঙ্গের অন্তত ১০টি সংগঠনের নাম ছিল সেখানে। এ দিনের সভায় সেই প্রতিটি সংগঠনের কর্মীরাই উপস্থিত হয়েছিলেন। পেশায় শিক্ষক এবং ক্যান্সার গবেষক পার্থসারথি রায় ‘পারসিকিউটেড প্রিজনার্স সলিডারিটি কমিটি’র কর্মী। এ দিন তিনি জানান, তাঁকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দফতর থেকে ফোন করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘‘নানা ভাবে আমার কাজকর্ম বিষয়ে ওঁরা জানতে চাইছিলেন। বলছিলেন, এমনই নির্দেশ আছে ওঁদের উপর।’’ এ ছাড়াও এপিডিআর, বন্দিমুক্তি কমিটি, র‌্যাডিকালের মতো সংগঠনগুলিও এ দিনের অনুষ্ঠানে ছিল। ‘আরবান নকশাল’ বলে চিহ্নিত পূর্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়ের আহ্বানে তৈরি ‘সাম্প্রদায়িকতা ও ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণতান্ত্রিক মঞ্চ’এর উদ্যোগেই এ দিনের সভার আয়োজন হয়।

সভায় এসেছিলেন আরএসপি নেতা মনোজ ভট্টাচার্য। বলেন, ‘‘দেশ জুড়ে বিজেপি যা করছে, তাতে সমস্ত বামপন্থী সংগঠনকে একত্রে লড়াই করতে হবে। তার জন্য আরবান নকশাল বলা হলে, আপত্তি নেই।’’ কিন্তু বাম আমলেও তো পশ্চিমবঙ্গে ইউএপিএ ব্যবহার করা হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলি ‘কণ্ঠরোধে’র অভিযোগ তুলেছে। প্রশ্নের উত্তরে মনোজবাবু স্বীকার করে নেন, তাঁদের আমলেও অনেক ‘ভুল’ হয়েছে।

Advertisement

উল্লেখ্য, এ দিনের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন শিক্ষিকা ও মানবাধিকার কর্মী শাশ্বতী ঘোষ। তাঁর স্বামী মোহিত রায় রাজ্য বিজেপির সদস্য। ‘আরবান নকশাল’দের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও তুলেছেন মোহিত।

আরও পড়ুন

Advertisement