প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশে বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলছে। সেই কারণে বুধ এবং বৃহস্পতিবার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুই দেশের সরকার। কোনও রকম সংঘাত এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে। আর তার প্রভাব পড়েছে বাণিজ্যে। রোজ সীমান্ত দিয়ে শতাধিক ট্রাক বাংলাদেশে যাতায়াত করে। সীমান্ত বন্ধ থাকায় যাচ্ছে না ট্রাক। ফলে কিছুটা হলেও মার খেয়েছে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য।
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গদিচ্যুত হওয়ার পরে বাংলাদেশের পরিস্থিতি অশান্ত হয়। কিছু দিনের জন্য বন্ধ হয় বাণিজ্য। মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের হস্তক্ষেপে আবার দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা শুরু হয়। কিন্তু আগের মতো বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আমদানি-রফতানি হয়নি বলে ব্যবসায়ীদের একাংশের অভিযোগ। তাঁদের মতে, বাংলাদেশে স্থায়ী সরকার গঠন হলে সীমান্ত দিয়ে আমদানি-রফতানি আগের মতো হবে।
আরও পড়ুন:
সূত্রের খবর, বাংলাদেশে নির্বাচনের কারণে বুধবার থেকে ভারতের সঙ্গে সীমান্তে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত বিএসএফ জওয়ান। সীমান্তে বাড়ানো হয়েছে নজরদারিও। অন্য দিকে, দু’দিন সীমান্ত বন্ধ থাকায় প্রভাব পড়েছে বাণিজ্যে। প্রতিদিন সীমান্ত দিয়ে প্রায় শতাধিক ট্রাক বাংলাদেশে যায়। তবে বুধ এবং বৃহস্পতিবার ছিল সব ফাঁকা। এলাকায় বন্ধ ছিল সব দোকানপাটও।
এই বিষয়ে ফুলবাড়ি সীমান্তের রফতানিকারী শুভঙ্কর নস্কর বলেন, ‘‘আমরা চাই বাংলাদেশে স্থায়ী সরকার আসুক। স্থায়ী সরকার এলে ব্যবসা যাতে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরে সেই আশা করব।’’