E-Paper

জমি নিয়ে বিবাদ, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মৃত যুবক

কবিরুলের পরিবারে তাঁর মা, দাদা, দুই দিদি রয়েছেন। ঘটনার পরের দিন, অর্থাৎ, ৭ মার্চ কবিরুলের পরিজনেরা একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে টেকনো সিটি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ওই রাতেই আচিরুদ্দিন ও নুরজামানকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ মার্চ ২০২৬ ০৭:২৬

—প্রতীকী চিত্র।

জমি নিয়ে পারিবারিক বিবাদের জেরে এক ব্যক্তিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত, মারধর ও আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছিল। ই এম বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিন দিন চিকিৎসাধীন থাকার পরে সোমবার মারা গেলেন তিনি। মৃতের নাম কবিরুল লস্কর (২৮)। ঘটনাটি ঘটেছে নিউ টাউনের টেকনো সিটি থানা এলাকার বালিগড়ি গ্রামে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের নাম আচিরুদ্দিন লস্কর ও নুরজামান লস্কর। তাদের বিরুদ্ধে খুনের ধারা যুক্ত করে তদন্ত শুরু হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, ঘটনাটি ঘটে গত শুক্রবার। সে দিন দুপুরে ঘরেই কাজে ব্যস্ত ছিলেন কবিরুল। আচমকাই কয়েক জন তাঁর ঘরে ঢুকে পড়ে। তাদের হাতে লোহার রড, ছুরি ও অন্যান্য ধারালো সামগ্রী ছিল। অভিযোগ, কবিরুলকে ঘরের বাইরে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারতে শুরু করে তারা। এর মধ্যে এক জন ধারালো কিছু দিয়ে কবিরুলের মাথায় আঘাত করে। রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। দ্রুত কবিরুলকে ই এম বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

কবিরুলের পরিবারে তাঁর মা, দাদা, দুই দিদি রয়েছেন। ঘটনার পরের দিন, অর্থাৎ, ৭ মার্চ কবিরুলের পরিজনেরা একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে টেকনো সিটি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ওই রাতেই আচিরুদ্দিন ও নুরজামানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে প্রথমে খুনের চেষ্টা, জোর করে ঘরে ঢোকা, গভীর ভাবে আঘাত, ষড়যন্ত্র-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এ বার কবিরুলের মৃত্যুর পরে খুনের ধারা যোগ করা হয়েছে।

প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে প্রবল রক্তক্ষরণেই মৃত্যু হয় কবিরুলের। তবে, এই ব্যাপারে নিশ্চিত হতে দেহটি ময়না তদন্তে পাঠানো হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজ চলছে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Murder Case police investigation Property Dispute

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy