Advertisement
২৩ জুলাই ২০২৪
Amherst Street Police

তিন বন্ধুকে মারধরে গ্রেফতার দুই অভিযুক্ত

গত রবিবার রাতে জ়ুবের খুরশিদ আহমেদ নামে এক যুবক এবং তাঁর দুই বন্ধুর উপরে লোহার রড, পিস্তল ও চপার নিয়ে হামলা চালায় এক দল দুষ্কৃতী।

Representative Image

—প্রতীকী ছবি।

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা শেষ আপডেট: ১১ মে ২০২৪ ০৭:৩৬
Share: Save:

তিন বন্ধুকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেফতার করল আমহার্স্ট স্ট্রিট থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে ওই দু’জনকে ধরা হয়। তাদের নাম আনিস রানা ও রকিব নাজির। ধৃতদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা এবং অস্ত্র দিয়ে গুরুতর আঘাতের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। শুক্রবার তাদের ১৭ মে পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে পাঠিয়েছেন ব্যাঙ্কশাল আদালতের বিচারক স্বরূপকুমার চক্রবর্তী।

অভিযোগ, গত রবিবার রাতে জ়ুবের খুরশিদ আহমেদ নামে এক যুবক এবং তাঁর দুই বন্ধুর উপরে লোহার রড, পিস্তল ও চপার নিয়ে হামলা চালায় এক দল দুষ্কৃতী। এই মামলার সরকারি আইনজীবী অরূপ চক্রবর্তী জানান, রবিবার রাত ১১টা ৪৫ মিনিট নাগাদ আমহার্স্ট স্ট্রিটের বাসিন্দা জ়ুবের এবং তাঁর দুই বন্ধু কেশবচন্দ্র সেন স্ট্রিটে গল্প করছিলেন। সেই সময়ে দুষ্কৃতীদের একটি দল প্রথমে তাঁদের গালিগালাজ করে। তার পরে তাঁদের কিল-চড়-ঘুষি মারতে থাকে। এতেই থেমে না থেকে তিন বন্ধুকে লোহার রড ও পিস্তলের বাট দিয়েও মারা হয়, যার জেরে তিন জনেরই মাথা ফেটে যায়। অভিযোগ, সেই সঙ্গে চপার দিয়ে তাঁদের মাথায়-গলায় কোপ মারা হয়। পুরনো কোনও শত্রুতার জেরেই জু়বেরদের উপরে এই হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। হামলা চালানোর সময়ে দুষ্কৃতীরা মত্ত অবস্থায় ছিল বলেও অভিযোগ।

মারধরের পরে জ়ুবের ও তাঁর দুই বন্ধুকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে পালায় দুষ্কৃতীরা। গুরুতর জখম তিন জনকে নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সেখান থেকে এক জনকে অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হয়। পুলিশের কাছে একাধিক ব্যক্তির নামে অভিযোগ দায়ের করেন জ়ুবের। আদালত সূত্রের খবর, হামলাকারীদের মধ্যে রয়েছে কুখ্যাত দুষ্কৃতী দানিশ। নারকেলডাঙার বাসিন্দা দানিশের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:
Advertisement

Share this article

CLOSE