E-Paper

বাংলাদেশি তরুণীকে কাজের নামে মুম্বইয়ে পাচারের চেষ্টা, ধৃত এক

সিআইডি জানিয়েছে, মঙ্গলবার চিন্ময় তরুণীকে হাওড়া স্টেশনের পুরনো কমপ্লেক্সের বিপরীতে একটি জায়গায় নিয়ে আসে। অন্য এক জনের হাতে তরুণীকে তুলে দেওয়ার আগেই ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে সিআইডি-র মানব পাচার-বিরোধী ইউনিট।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:৩৫

—প্রতীকী চিত্র।

মুম্বইয়ে কাজ দেওয়ার নাম করে এ দেশে নিয়ে আসা হয়েছিলহাওড়া স্টেশন থেকে উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশি তরুণীকে। সিআইডি সূত্রের খবর, যশোরের কচুয়ার বাসিন্দা ওই তরুণীর সঙ্গে সেখানেই আলাপ হয়েছিল এক ‘আপু’র। সে তাঁকে জানিয়েছিল, ভারতে এলেমুম্বইয়ে কাজ পাওয়া যাবে। কাজের ব্যবস্থাও করে দেবে ওই আপুই। এর জন্য ওই মহিলা পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল এক যুবকের সঙ্গে। ওইযুবক আদতে দালাল। তার কাজ ছিল ওই তরুণীকে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পার করিয়ে দেওয়া। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, মঙ্গলবার সকালে নদিয়ার বগুলা সীমান্ত দিয়ে ওই দালালতরুণীকে ভারতে প্রবেশ করায়। তার পরে তাঁকে তুলে দেওয়া হয় ভারতের এক দালালের হাতে। সে সীমান্তথেকে বগুলা স্টেশন পর্যন্ত নিয়ে আসে ওই তরুণীকে। তার পরে সে তাঁকে তুলে দেয় সিআইডি-র হাতে গ্রেফতার হওয়া চিন্ময় দাস নামে বছর ছাপ্পান্নের এক ব্যক্তির হাতে। বনগাঁর খয়েরমারির বাসিন্দা ওই ব্যক্তির কাজ ছিল হাওড়া স্টেশনে তরুণীকে নিয়ে এসে অন্য এক জনের হাতে তুলে দেওয়া।

সিআইডি জানিয়েছে, মঙ্গলবার চিন্ময় তরুণীকে হাওড়া স্টেশনের পুরনো কমপ্লেক্সের বিপরীতে একটি জায়গায় নিয়ে আসে। অন্য এক জনের হাতে তরুণীকে তুলে দেওয়ার আগেই ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে সিআইডি-র মানব পাচার-বিরোধী ইউনিট। উদ্ধার করা হয় বছর কুড়ির ওইবাংলাদেশি তরুণীকে। হাওড়া স্টেশন থেকে তাঁকে মুম্বইয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল আর এক জনের। চিন্ময়কে সিআইডি গ্রেফতার করে ফেলায় ওই অভিযুক্ত সেখান থেকেপালিয়ে যায়।ফোনের সূত্র ধরে ওই যুবকের খোঁজ শুরু করেছেন তদন্তকারীরা।

ধৃতের বিরুদ্ধে গোলাবাড়ি থানায় অপহরণ এবং পাচারেরঅভিযোগে মামলা দায়ের করাহয়েছে। তাকে বুধবার আদালতে তোলা হলে বিচারক সাত দিনের জন্য সিআইডি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। এক তদন্তকারী জানান, ওই তরুণীকে মুম্বইয়ে দেহব্যবসার জন্য বিক্রি করে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই বাংলাদেশ থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল। ওই ঘটনারপিছনে রয়েছে আন্তর্জাতিক নারী পাচার চক্র। যার সদস্যেরা দুই দেশেই ছড়িয়ে রয়েছে। আপু নামে যেমহিলার নাম ওই তরুণী করেছেন, প্রাথমিক ভাবে তাকেই ওইচক্রের বাংলাদেশের মাথা বলে মনে করা হচ্ছে। ধৃত চিন্ময়কে জেরা করে এবং বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করে ওই চক্রের বাকিদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

CID police investigation

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy