আসন্ন ৪৯তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা আলোয় ভরিয়ে তুলতে কোমর বেঁধে নামছে কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (কেএমডিএ)। সল্টলেকের মেলা প্রাঙ্গণে অস্থায়ী আলোকসজ্জা এবং জেনারেটর সেট বসানোর কাজের জন্য ইতিমধ্যেই বিস্তারিত ই-কোটেশন জারি করা হয়েছে। চলতি বছর মেলা চলাকালীন যাতে আলোর ঘাটতি না হয়, তার জন্য এক গুচ্ছ পরিকল্পনা নিয়েছে কেএমডিএ-র ইলেকট্রিক্যাল ডিভিশন (২)।
বইমেলা মানেই বাঙালির প্রাণের উৎসব। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শুধু অস্থায়ী আলোকসজ্জাই নয়, মেলা চলাকালীন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পরিষেবা নিশ্চিত করতে দক্ষ কর্মী ও পর্যাপ্ত জেনারেটর রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থাও রাখতে হবে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে। কাজের জন্য প্রাথমিক বায়না বা আর্নেস্ট মানি হিসাবে ৫৫,৫০০ টাকা ধার্য করা হয়েছে। ইচ্ছুক সংস্থাগুলিকে আজ, মঙ্গলবারের মধ্যে অনলাইনে আবেদন জমা দিতে হবে। ৮ জানুয়ারি কারিগরি তথ্য খতিয়ে দেখার পরে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।
বইমেলা প্রাঙ্গণে কাজ শেষ করার জন্য মাত্র ১৪ দিন সময় বরাদ্দ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার সংস্থার অবশ্যই বৈধ ইলেকট্রিক্যাল কন্ট্রাক্টর লাইসেন্স এবং সুপারভাইজ়রি সার্টিফিকেট থাকতে হবে। পাশাপাশি, পাঁচ বছরের মধ্যে সমগোত্রীয় অন্তত ১১ লক্ষ ৯ হাজার টাকার কাজের অভিজ্ঞতা থাকাও তাদের আবশ্যিক। কেএমডিএ সূত্রের খবর, মেলার প্রতি কোণে পর্যাপ্ত আলোর পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ব্যাক-আপ বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উপরে জোর দেওয়া হচ্ছে। ভিড়ের নিরাপত্তা ও যথাযথ আলোকসজ্জার মাধ্যমে মেলার পরিবেশ মনোরম করে তোলাই লক্ষ্য। কারিগরি ও আর্থিক— দু’পর্যায়ের যাচাই শেষে যোগ্য সংস্থাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হবে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)