Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৭ জানুয়ারি ২০২২ ই-পেপার

বিধাননগর

তৃণমূলের ঘরে থাবা কংগ্রেসের

ভোটের আগে রাজারহাট-গোপালপুরে মন্ত্রীর ঘরে হানা দিয়ে তাঁর খাস লোককে তুলে নিল কংগ্রেস। ঘটনায় অস্বস্তি বেড়েছে সেখানকার তৃণমূল শিবিরে।

নিজস্ব সংবাদদাতা
১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০১:০৬

ভোটের আগে রাজারহাট-গোপালপুরে মন্ত্রীর ঘরে হানা দিয়ে তাঁর খাস লোককে তুলে নিল কংগ্রেস। ঘটনায় অস্বস্তি বেড়েছে সেখানকার তৃণমূল শিবিরে।

স্থানীয় বিধায়ক তথা কৃষিমন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসুর আপ্ত সহায়ক দেবরাজ চক্রবর্তীকে বিধাননগর পুর-নিগমের ভোটে ৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী করল কংগ্রেস। ২০১১ থেকেই দেবরাজ পূর্ণেন্দুবাবুর আপ্ত সহায়ক। উত্তর ২৪ পরগনা জেলা কংগ্রেসের সভাপতি তাপস মজুমদার বলেন, ‘‘বুধবার দেবরাজ মনোনয়ন পত্র জমা দেবেন।’’

বিষয়টি তিনি জানেন না বলেই দাবি পূর্ণেন্দুবাবুর। তবে দলীয় সূত্রে খবর, দেবরাজ টিকিট চেয়েছিলেন পূর্ণেন্দুবাবুর কাছে। রাজি হননি কৃষিমন্ত্রী। দেবরাজ বলেন, ‘‘মনে হয়েছে তৃণমূলে আমার প্রয়োজন ফুরিয়েছে। তাই কংগ্রেসে যোগ দিলাম।’’ বিধাননগরেও প্রাক্তন চেয়ারপার্সন কৃষ্ণা চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে তাঁরই এক সময়ের নির্বাচনী এজেন্ট সুদীপ দে-কে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস।

Advertisement

মঙ্গলবার প্রকাশিত কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকায় অধিকাংশই নতুন মুখ। পুরনো রাজারহাট-গোপালপুর পুরসভার তিন কংগ্রেস কাউন্সিলর দেবাশিস চট্টোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ বাগুই এবং মৃণাল সর্দার আসন সংরক্ষণের কারণে প্রার্থী হতে পারেননি। তাই ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে মৃণালবাবুর স্ত্রী গীতাদেবী, ১৬ নম্বরে কাকলিদেবীর স্বামী সোমেশ্বর বাগুই এবং দেবাশিসবাবুর আসনে গোপাল নস্কর প্রার্থী হলেন।

অন্য দিকে, অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের ভারসাম্য বজায় রেখেই তাঁরা প্রার্থী বেছেছেন বলে দাবি বিজেপি নেতৃত্বের। শেফালি বিশ্বাস, মীনাক্ষি মালাকার বা প্রাক্তন বাম চিকিৎসক-নেতা দিলীপ ঘোষ, উমাশঙ্কর ঘোষ দস্তিদার, মনোজ দাসদের প্রার্থী করা হয়েছে। বিজেপি সূত্রে বক্তব্য, সদ্য দলে আসা কাউকে প্রার্থী করা হয়নি। গত লোকসভা ভোটের ফলের নিরিখে পুরনো বিধাননগর পুরসভায় বিজেপি এগিয়ে। এ দিকে, বিধাননগরের প্রাক্তন চেয়ারম্যান পারিষদ তৃণমূলের অনুপম দত্ত এ দিন নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন।

আরও পড়ুন

Advertisement