E-Paper

জিডিএমও নিয়োগে মেধা তালিকা নিয়ে ফের বিতর্ক

জিডিএমও পদে নিয়োগের জন্য ৭ অগস্ট বিজ্ঞপ্তি জারি করে হেল্‌থ রিক্রুটমেন্ট বোর্ড। ২১ ডিসেম্বর অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়া হয়। দিনকয়েক পরে সেই পরীক্ষায় সফলদের তালিকা প্রকাশ করে ইন্টারভিউতে ডাকা হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:২৯

—প্রতীকী চিত্র।

জেনারেল ডিউটি মেডিক্যাল অফিসার (জিডিএমও) পদে নিয়োগের জন্য রাজ্য হেল্‌থ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের প্রকাশিত মেধা তালিকা নিয়ে ফের বিতর্ক। দিনকয়েক আগে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ইন্টারভিউয়ের জন্য প্রকাশিত তালিকায় থাকা ১৭ জনের নাম নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী কল্যাণ সমিতি। ওই নামগুলি আদৌ তফসিলি জনজাতি বা আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে পড়ে কিনা, তা নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে।

জিডিএমও পদে নিয়োগের জন্য ৭ অগস্ট বিজ্ঞপ্তি জারি করে হেল্‌থ রিক্রুটমেন্ট বোর্ড। ২১ ডিসেম্বর অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়া হয়। দিনকয়েক পরে সেই পরীক্ষায় সফলদের তালিকা প্রকাশ করে ইন্টারভিউতে ডাকা হয়। সেই তালিকায় আশিস পাণ্ডে বলে এক জনের নাম নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক। চিকিৎসক মহলে প্রশ্ন ওঠে, ওই ব্যক্তি এবং আর জি করের ঘটনায় দুর্নীতিতে জেলবন্দি আশিস পাণ্ডে কি একই? পরে অবশ্য হেল্‌থ রিক্রুটমেন্ট বোর্ড জানায়, তালিকায় নাম থাকা আশিস পাণ্ডে উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা।

কিন্তু ওই তালিকায় তফসিলি জনজাতি বা আদিবাসী সম্প্রদায়ের ক্যাটাগরিতে নাম থাকা ১৭ জনের পদবি নিয়ে সংশয়ে পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী কল্যাণ সমিতি। সমিতির রাজ্য সম্পাদক পার্শাল কিস্কু বলেন, ‘‘ওই পদবিগুলি আদিবাসী বা তফসিলি জনজাতির সঙ্গে মানানসই নয়। বিষয়টি নিয়ে তদন্তের প্রয়োজন।’’ তদন্তের দাবি জানিয়ে ইতিধ্যেই হেল্‌থ রিক্রুটমেন্ট বোর্ড, স্বাস্থ্য দফতর, অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতর, আদিবাসী উন্নয়ন দফতরকে চিঠি দিয়েছে ওই সমিতি। পার্শাল জানান, অভিযোগ পেয়ে আদিবাসী উন্নয়ন দফতর বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছে অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতরকে। তবে তাঁর দাবি, ‘‘আগেও বিভিন্ন পরীক্ষা বা নিয়োগে এমন সংশয় প্রকাশ করে তদন্তের আবেদন করেছি। কিন্তু প্রতি বার শুধু চিঠি চালাচালিই হয়েছে। কাজ হয়নি।’’ রাজ্য হেল্‌থ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের সচিব প্রভাস উকিল বলেন, ‘‘ওই ১৭ জন যে জেলার বাসিন্দা, সেখানকার প্রশাসনের থেকে জাতিগত শংসাপত্র পেয়েছেন এবং তা জমা করে পরীক্ষা দিয়েছেন। তবে অভিযোগ পেয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

doctor Health Department

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy