E-Paper

গ‍্যাসের অভাবে অরন্ধন প্রেসিডেন্সির ছাত্রী আবাসে

মার্চের গোড়ায় প্রেসিডেন্সির ছাত্রদের আবাস, কলেজ স্ট্রিটের হিন্দু হস্টেলেও একই সমস‍্যা দেখা গিয়েছিল। গ্যাসের আকালে পর পর কয়েক দিন রান্না হয়নি সেখানে। এর পরে বহু কাঠখড় পুড়িয়ে পরিস্থিতি সামলানো হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:২৪

—প্রতীকী চিত্র।

গোটা মার্চ মাস জুড়ে সাধারণত এক বেলা, রাতে রান্না হয়েছে ছাত্রী আবাসে। এর মধ‍্যে চার-পাঁচ দিন মেনু থেকে মাছ, ডিম, অন‍্য তরকারি বাদ রেখে শুধুই আলুসেদ্ধ-ভাত দিয়ে ক্ষুণ্ণিবৃত্তির বন্দোবস্ত করা হয়। এর পরে মার্চের ২০ তারিখ থেকে পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হয়েছিল। মার্চের শেষে, চলতি সপ্তাহের শুরু থেকে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের গার্লস হস্টেল ফিরেছে সম্পূর্ণ অরন্ধনে। গ‍্যাসের আকালে ওই হস্টেলে রান্নার পাট কার্যত চুকেই গিয়েছে।

মার্চের গোড়ায় প্রেসিডেন্সির ছাত্রদের আবাস, কলেজ স্ট্রিটের হিন্দু হস্টেলেও একই সমস‍্যা
দেখা গিয়েছিল। গ্যাসের আকালে পর পর কয়েক দিন রান্না হয়নি সেখানে। এর পরে বহু
কাঠখড় পুড়িয়ে পরিস্থিতি সামলানো হয়। কিন্তু সল্টলেকে প্রেসিডেন্সির ছাত্রী আবাসের পরিস্থিতি এখনও সঙ্গিন। সেখানে গোটা মাস জুড়েই রান্না নিয়ে অনিশ্চয়তা চলেছে। এখন মাস শেষ হলেও গ‍্যাসের অভাবে ভাতের হাঁড়ি পর্যন্ত চড়ছে না! বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর, মেয়েদের হস্টেলে সুপার এবং এক জন শিক্ষিকা গ‍্যাস সিলিন্ডারের বন্দোবস্তের অনেক চেষ্টা করেছেন। কিন্তু কিছুতেই সুরাহা হচ্ছে না। এই পরিস্থিতির মোকাবিলা কী ভাবে করা যাবে, সেই প্রশ্নের কোনও সদুত্তর মেলেনি প্রেসিডেন্সির ডিন অব স্টুডেন্টস অরুণ মাইতির কাছ থেকেও।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হিন্দু হস্টেলে ১৩০-১৩৫ জন আবাসিক ছাত্র থাকলে, সল্টলেকের ছাত্রী আবাসে পড়ুয়ার সংখ্যা ১৮০ জনের মতো। ফলে, তাঁদের রান্না করতে গ‍্যাস সিলিন্ডার লাগে মাসে ১৮-২১টি। ২০ মার্চের পরে কিছু দিন সব স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু ২৯ মার্চ, রবিবারের আগেই রাঁধুনিরা গ্যাসের জোগান নেই বলে হাত তুলে দেন। এর পর থেকে আর রান্না হয়নি সেখানে। হস্টেল সূত্রে জানা গিয়েছে, গুটিকয়েক ছাত্রী হিটার বা বৈদ‍্যুতিক ইন্ডাকশন জোগাড় করে নিজেরাই অল্প রান্নার ব্যবস্থা করেছেন। সল্টলেক এলাকায় এমনিতে খাবারের দামও অনেকের জন‍্য ব‍্যয়বহুল। ফলে, বেশির ভাগ ছাত্রীই কলেজ স্ট্রিট এলাকায় ক্লাস করে ফেরার সময়ে সঙ্গে করে খাবার নিয়ে ফিরছেন। মাসে ১২০০-১৩০০ টাকা রান্না-খাওয়ায় খরচ হয় আবাসিক ছাত্রীদের। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, আপাতত সে দিকেই সকলে তাকিয়ে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

LPG Crisis Presidency University Girls hostel

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy