এক তরুণীকে আটকে রেখে তাঁর সঙ্গে জোর করে সহবাসের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। সেই মামলার শুনানিতে অভিযুক্তের দুই আইনজীবী এবং সরকারি আইনজীবীর উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে আদালতকক্ষে উত্তেজনা ছড়াল।
সম্প্রতি পরিচিত এক তরুণীকে আটকে রেখে মারধর এবং জোর করে সহবাসের অভিযোগে শমীক অধিকারী নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার অভিযুক্তকে পুলিশি হেফাজত থেকে আলিপুরের অতিরিক্ত মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে পেশ করা হয়। অভিযুক্তের আইনজীবী প্রশান্ত মজুমদার এবং অনির্বাণ গুহঠাকুরতা বলেন, ‘‘আইন অনুযায়ী, অভিযুক্তের মোবাইল ফোন তাঁর সামনে খোলার কথা। কিন্তু সেই মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। ওই ফোনে কী ধরনের তথ্য রয়েছে, তা সিজ়ার লিস্ট ও সরকারি আইনজীবীর মোবাইলে রয়েছে। যা বেআইনি। আদালতের অনুমতি নিয়ে ওই মোবাইল ফরেন্সিক পরীক্ষায় পাঠানোর পরে সেই তথ্য আদালতে পেশ করতে হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা করা হয়নি।’’
সরকারি আইনজীবী সৌরীন ঘোষাল বলেন, ‘‘সব রকম আইনি শর্ত মেনেই তদন্ত প্রক্রিয়া এগোচ্ছে।’’ এর পরেই দু’পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। এ দিন নির্যাতিতার আইনজীবীদের তরফে অভিযুক্তকে ফের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর আবেদন করা হয়। নির্যাতিতার আইনজীবীরা বলেন, ‘‘অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। অভিযুক্ত জোর করে এক অসহায় তরুণীকে আটকে রেখে তাঁকে যৌন নিগ্রহ করেছে। তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তকে পুলিশি হেফাজতে রাখার প্রয়োজন রয়েছে।’’ বিচারক অভিযুক্তকে ২ মার্চ পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)