E-Paper

রেষারেষির জেরে ধাক্কা দুই বাসে, আহত একাধিক নিউ টাউনে

পুলিশ সূত্রের খবর, এ দিন বিশ্ব বাংলা সরণি ধরে যাচ্ছিল দু’টি বেসরকারি রুটের বাস। যাত্রী তোলার জন্য বাস দু’টি তীব্র গতিতে ছুটছিল। কার্যত রেষারেষি চলছিল দু’টি বাসের মধ্যে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৬:৫২

—প্রতীকী চিত্র।

শনি ও রবিবারের পরে সোমবারও দুর্ঘটনা অব্যাহত নিউ টাউনে। এ দিন বেলায় নিউ টাউন মেলা প্রাঙ্গণের কাছে বিশ্ব বাংলা সরণিতে দু’টি বাসে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন একাধিক যাত্রী এবং এক মোটরবাইক চালক।

পুলিশ সূত্রের খবর, এ দিন বিশ্ব বাংলা সরণি ধরে যাচ্ছিল দু’টি বেসরকারি রুটের বাস। যাত্রী তোলার জন্য বাস দু’টি তীব্র গতিতে ছুটছিল। কার্যত রেষারেষি চলছিল দু’টি বাসের মধ্যে। এমনটাই অভিযোগ প্রত্যক্ষদর্শীদের। পুলিশ জানিয়েছে, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে তা খতিয়ে দেখার কাজ চলছে। সেই সূত্রে জানা যাচ্ছে, দু’টি বাসেরই গতিবেগ বেশি ছিল। নিউ টাউন মেলা প্রাঙ্গণের কাছে একটি বাসের সামনে একটি মোটরবাইক চলে আসায় চালক ব্রেক কষেন। সেই সময়ে পিছনে থাকা বাসটি নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পেরে সামনের বাসের পিছনে ধাক্কা মারে। সেই অভিঘাতে মোটরবাইকেও ধাক্কা লাগে। বাইকচালক আহত হন। এমন ভাবেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। তবে রেষারেষির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ দিকে, পিছন থেকে ধাক্কার জেরে দু’টি বাসের ভিতরে থাকা যাত্রীরা একে অন্যের উপরে গিয়ে পড়েন। কারও মাথায়, কারও হাতে-পায়ে, কোমরে, ঘাড়ে আঘাত লাগে। খবর পেয়ে দ্রুত বিধাননগরের ট্র্যাফিক পুলিশকর্মীরা ঘটনাস্থলে যান। আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পরে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে যান বিধাননগরের ডিসি (ট্র্যাফিক) মীত কুমার। স্থানীয় এবং আহত যাত্রীদের একাংশ জানান, দু’টি বাসই জোরে চলছিল। সামনের বাসটিকে কাটাতে গিয়ে আচমকা ধাক্কা লাগায় পিছনের বাসের ভিতরে যাত্রীরা হুড়মুড় করে একে অন্যের উপরে পড়ে যান।

যাত্রীদের একাংশের অভিযোগ, যাত্রী তোলার জন্য চালকদের অনেকে মাঝেমধ্যেই রেষারেষি করছেন। তার জেরেই এ দিনের ঘটনা। যদিও জানুয়ারি মাস থেকে পর পর দুর্ঘটনা ঘটছে নিউ টাউনে। এখনও পর্যন্ত চলতি বছরের প্রথম দেড় মাসেই ছ’জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে নিউ টাউনের রাস্তায়।

গত শনিবার ভোরে ও রবিবার বিকেলে নিউ টাউনের ইকো পার্ক এলাকা এবং বলাকায় দু’টি দুর্ঘটনায় ছ’জন আহত হন। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভোরে বা গভীর রাতে ট্র্যাফিক পুলিশের নজরদারি কমলে চালকদের একাংশের তীব্র গতিতে ও বেপরোয়া ভাবে গাড়ি চালানোর প্রবণতা থাকছেই। পুলিশের দাবি, নিয়মিত আইনি পদক্ষেপের পাশাপাশি সচেতনতার লাগাতার প্রচার করা হচ্ছে। কিন্তু তার পরেও একাংশের হুঁশ ফিরছে না।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Bus Accident New Town Road Accident Injury

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy