কাজের জগতে কৃত্রিম মেধার (এআই) প্রভাব নিয়ে আলোচনা চলছে সর্বত্র। বিভিন্ন সমীক্ষা জানাচ্ছে, এই নতুন প্রযুক্তি কাড়ছে বহু কাজ। তেমনই চাকরিতে টিকে থাকতে এআই শিক্ষা হয়ে উঠছে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই পরিস্থিতিতে প্রযুক্তিকে সঙ্গে করে এগোতে বিদ্যালয় স্তর থেকেই তৈরি হওয়ার বার্তা দিলেন কেন্দ্রের মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা ভি অনন্ত নাগেশ্বরন।
সোমবার থেকে নয়াদিল্লিতে শুরু হয়েছে এআই সম্মেলন। সেখানে উপদেষ্টার বক্তব্য, এই প্রযুক্তি হঠাৎ আসেনি। সরকারি ও বেসরকারি যৌথ উদ্যোগ ও সহযোগিতাই তাকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে। আগামী বেশ কিছু বছর এআই থাকবে। ফলে সকলকে এই প্রযুক্তি শিখতে হবে। সে জন্য বিদ্যালয় স্তর থেকেই পড়ুয়াদের আগ্রহী করে তোলা জরুরি। আর মাইক্রোসফট ইন্ডিয়ার সিইও পুনিত চন্দকের বক্তব্য, আগামী তিন বছরে কৃত্রিম মেধার প্রসার কয়েকশো গুণ বাড়বে। খুলবে নতুন দিগন্ত। তাই কাজ কমবে না, বরং অনেক নতুন ক্ষেত্রে চাকরির সুযোগ তৈরি হবে।
শুধু কর্মসংস্থানই নয়, এআই ব্যবহার করে বিভিন্ন বেআইনি কাজও চিন্তা বাড়াচ্ছে কেন্দ্র-সহ নিয়ন্ত্রকদের। সেই ঘটনা রুখতে ভারত ৩০টির বেশি দেশের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে বলে এ দিন জানান তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেন, ‘‘নতুন প্রযুক্তি সবসময়েই স্বাগত। কিন্তু সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা যাতে কোনও ভাবেই প্রশ্নের মুখে না পড়ে, তা অবশ্যই দেখতে হবে।’’
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)