বিমানের দু’টি আসনের তলা থেকে মিলল মোট ৪১ লক্ষ টাকার সোনা। সোমবার সকালে ব্যাঙ্কক থেকে বিমানটি কলকাতায় নামলে দেখা যায়, দু’টি আসনের তলায় রয়েছে ৫০০ গ্রাম ও ১ কেজির দু’টি সোনার বার।
যে আসনের নীচে ৫০০ গ্রামের বারটি ছিল, সেই আসনে ছিলেন খিদিরপুরের বাসিন্দা সিরাজ হুসেন। তল্লাশির সময়ে সিরাজ বিমান থেকে নেমে শুল্ক দফতরে চলে যান। অফিসারেরা তাঁকে আটকালে তিনি সোনা পাচারের কথা স্বীকার করেন। জানা যায়, ওই বিমানটির কলকাতা থেকে যাত্রী নিয়ে মুম্বই যাওয়ার কথা ছিল। মুম্বই যাওয়ার জন্য ওই আসনটিই বুক করেছিলেন সিরাজের এক আত্মীয়।
শুল্ক অফিসারের কথায়, ‘‘ব্যাঙ্কক থেকে সোনা নিয়ে কলকাতায় নামলে ধরা পড়ার আশঙ্কা থাকে। কিন্তু সেই সোনা নিয়ে দ্বিতীয় পাচারকারী মুম্বই নামলে সে বেরিয়ে যেতে পারে কারণ অভ্যন্তরীণ উড়ানে তল্লাশি হয় না।’’ এ দিন কলকাতায় তদন্ত চলাকালীন বিমানটি মুম্বই রওনা হয়ে যায়। কলকাতা থেকে মুম্বইয়ে যোগাযোগ করা হলে সেখানে সিরাজের ওই আত্মীয়কে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলে। তাঁকে কলকাতায় ডাকা হবে। সিরাজের সঙ্গে থাকা সোনার মূল্য ২০ লক্ষ টাকার কম হওয়ায় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এ দিন ওই বিমানেরই অন্য একটি আসনের তলায় ছিল এক কেজি সোনা। কিন্তু, সেই আসনের যাত্রী এই পাচারের সঙ্গে জড়িত নয় বলেই মনে করছেন শুল্ক অফিসারেরা। সূত্রের খবর, ধরা পড়ে যাওয়া আটকাতে এখন অন্য যাত্রীর আসনের তলায় সোনা লুকিয়ে বিমান থেকে নেমে যাচ্ছেন পাচারকারীরা। সেই আসনের নম্বর পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে দ্বিতীয় পাচারকারীর কাছে।