Advertisement
E-Paper

সহকর্মীর বিয়েতে স্ত্রী আমন্ত্রিতই নন, তবু যাওয়ার বায়না! অশান্তির পর মৃত্যু মহিলার, কলকাতায় ধৃত বিহারের যুবক

দম্পতি বিহারের বাসিন্দা হলেও কর্মসূত্রে কলকাতায় থাকতেন। অভিযোগ, গত ডিসেম্বরে দাম্পত্য কলহের পর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন মহিলা। ১৭ তারিখ তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। ৩০ ডিসেম্বর সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:১৮

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

কলকাতায় মহিলার অস্বাভাবিক মৃত্যুর পর তাঁর স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দম্পতি বিহারের বাসিন্দা হলেও কর্মসূত্রে কলকাতায় থাকতেন। অভিযোগ, গত ডিসেম্বরে দাম্পত্য কলহের পর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন মহিলা। ১৭ তারিখ তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। ৩০ ডিসেম্বর সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। প্রাথমিক ভাবে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত করছিল পুলিশ। কিন্তু ময়নাতদন্তের পরে খুনের প্রমাণ মেলে। বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত যুবককে।

মৃত মহিলার নাম প্রীতম কুমারী (২২)। স্বামী গণেশ দাসের এক সহকর্মীর বিয়ে নিয়ে তাঁর সংসারে অশান্তি হয়েছিল। গণেশের দাবি, সহকর্মীর বিয়ে এবং বৌভাতের অনুষ্ঠানে কেবল তিনিই আমন্ত্রিত ছিলেন। স্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। কিন্তু প্রীতম ওই অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য বায়না করছিলেন। নাছোড়বান্দা স্ত্রীকে বিয়েতে নিয়ে গেলেও বৌভাতে নিয়ে যেতে আর রাজি হননি গণেশ। তার পরেই অশান্তি চরমে ওঠে। দাবি, অশান্তির মধ্যেই কার্বলিক অ্যাসিড খেয়ে ফেলেছিলেন মহিলা। গণেশ আরও জানিয়েছেন, তাঁর স্ত্রী তাঁর কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন চেয়েছিলেন। তার জন্য কিছু দিন স্ত্রীকে অপেক্ষা করতে বলেছিলেন তিনি। দাবি, তাতেও মহিলা ক্ষুব্ধ হন।

প্রীতম এবং গণেশ বিহারের নালন্দা জেলার বাসিন্দা। থাকছিলেন কলকাতার নারকেলডাঙা থানা এলাকার মানিকতলা মেন রোডে। মহিলাকে এনআরএস হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল গত ১৭ ডিসেম্বর। পরে তাঁর বাবাও কলকাতায় আসেন। ৩০ তারিখ তাঁর মৃত্যুর পর নারকেলডাঙা থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছিল। এনআরএস-এর মর্গেই হয়েছে ময়নাতদন্ত। প্রাথমিক ভাবে পরিবারের কারও তরফে কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।

ময়নাতদন্তের রিপোর্টে দেখা যায়, বিষক্রিয়ার কারণে শরীরের অঙ্গে ক্ষয়ের ফলে মহিলার মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যুর পদ্ধতি হত্যামূলক। তার ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার নারকেলডাঙা থানায় খুনের মামলা রুজু করা হয়। মহিলার স্বামীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তদন্ত শুরু হয়েছে। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কী নিয়ে বচসা হয়েছিল, কী ভাবে কার্বলিক অ্যাসিডের সংস্পর্শে এলেন ওই মহিলা, খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও।

unnatural death Kolkata Police Murder Case Bihar
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy