Advertisement
E-Paper

সুপ্রিম কোর্টে ফের খারিজ বিচারপতি বর্মার আবেদন! তদন্ত করবে সংসদীয় কমিটিই, তার পর কি ইমপিচমেন্ট?

বিচারপতি বর্মার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্তের জন্য তিন সদস্যের কমিটি গড়ে দিয়েছিলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। তার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:৩৩
এলাহাবাদ হাই কোর্টের বিচারপতি যশবন্ত বর্মা।

এলাহাবাদ হাই কোর্টের বিচারপতি যশবন্ত বর্মা। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

এলাহাবাদ হাই কোর্টের বিচারপতি যশবন্ত বর্মার আবেদন ফের খারিজ হয়ে গেল সুপ্রিম কোর্টে। নগদকাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত করবে সংসদীয় কমিটিই, জানিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। গত অগস্টে তদন্তের জন্য তিন সদস্যের সংসদীয় প্যানেল গড়ে দিয়েছিলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। সেই প্যানেলের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিচারপতি বর্মা। শুক্রবার তাঁর আবেদন খারিজ করা হল।

স্পিকারের গড়া সংসদীয় কমিটিতে রয়েছেন দুই বরিষ্ঠ বিচারপতি এবং এক আইনজীবী। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অরবিন্দ কুমার, মাদ্রাজ হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি মণীন্দ্র মোহন এবং বর্ষীয়ান আইনজীবী বিভি আচার্যের ওই কমিটি বিচারপতি বর্মার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখবে। সাক্ষীদের সঙ্গেও কথা বলতে পারবে কমিটি। তার পর তার রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে স্পিকারের কাছে। বিচারপতি বর্মার অপসারণ বা ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে কমিটির রিপোর্টের ভূমিকা হবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

স্পিকারের গড়া সংসদীয় কমিটি আইনত বৈধ কি না, সুপ্রিম কোর্টে সেই প্রশ্ন তুলেছিলেন বিচারপতি বর্মা। দাবি করেছিলেন, তাঁর অপসারণের প্রস্তাব আগেই খারিজ করে দিয়েছেন সংসদের উচ্চক্ষ রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান। শীর্ষ আদালকতের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি এসসি শর্মার বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। গত ৮ জানুয়ারি শুনানি শেষ হলে বেঞ্চ রায়দান স্থগিত রেখেছিল। শুক্রবার বিচারপতির আর্জি খারিজ করা হল।

২০২৫ সালের মার্চ মাসে দিল্লি হাই কোর্টের বিচারপতি থাকাকালীন বিচারপতি বর্মার বাংলো থেকে প্রচুর পরিমাণে নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ, তা হিসাববহির্ভূত ছিল। বিচারপতি বর্মার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়। বিচারপতি অবশ্য দাবি করেছেন, ঘটনার সময় তিনি বাংলোয় ছিলেন না। কোনও টাকা সেখান থেকে উদ্ধার হয়নি।

সংসদীয় কমিটির তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে স্পিকার তা সংসদে উত্থাপন করবেন। তদন্তে বিচারপতি বর্মা দোষী সাব্যস্ত হলে রিপোর্ট প্রথমে লোকসভায় গৃহীত হবে। পরে একই প্রক্রিয়ার পুনরাবৃত্তি হবে সংসদের উচ্চকক্ষেও। যেহেতু বিচারপতি বর্মার ইমপিচমেন্টের বিষয়ে শাসক এবং বিরোধী জোটের অবস্থান একই, তাই গোটা প্রক্রিয়াটি মসৃণ হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

Justice Yashwant Varma Allahabad High Court Delhi High Court Supreme Court
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy