E-Paper

শিল্পের হাত ধরার বার্তা বিজ্ঞানীদের

১৯৮৬ সালে সত্যেন্দ্রনাথের জীবন ও কাজকে সামনে রেখে সল্টলেকে কেন্দ্রীয় সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের অধীনে পথচলা শুরু ওই বিজ্ঞান কেন্দ্রের। শনিবার ভার্চুয়াল মাধ্যমে সেটির প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানের সূচনা করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬ ০৯:৩২

— প্রতীকী চিত্র।

বিজ্ঞানের সুফল ঘরে ঘরে পৌঁছতে চাই শিল্পমহলের সঙ্গত— সেই বার্তাই জোরালো ভাবে উঠে এল সত্যেন্দ্রনাথ বসু জাতীয় মৌলিক বিজ্ঞান কেন্দ্রের ৪০তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদ্‌যাপনের অনুষ্ঠানে। পাশাপাশি, প্রায়োগিক বিজ্ঞানের বাড়বাড়ন্তেও মৌলিক বিজ্ঞানের ভিত আরও পোক্ত করার পক্ষে সওয়াল করলেন বিজ্ঞানীরা।

১৯৮৬ সালে সত্যেন্দ্রনাথের জীবন ও কাজকে সামনে রেখে সল্টলেকে কেন্দ্রীয় সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের অধীনে পথচলা শুরু ওই বিজ্ঞান কেন্দ্রের। শনিবার ভার্চুয়াল মাধ্যমে সেটির প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানের সূচনা করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, “চার দশক ধরে মৌলিক বিজ্ঞানের গবেষণায় শুধু দেশ নয়, গোটা বিশ্বে কৃতিত্বের সাক্ষর রেখেছে এই প্রতিষ্ঠান।” আরও জানান, ‘অনুসন্ধান ন্যাশনাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন’ প্রকল্পের মাধ্যমে কেন্দ্র সরকার তরুণ গবেষকদের উন্নতিতে এগিয়ে এসেছে।

এ দিন কেন্দ্রের আর্কাইভেরও উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। তবে বিজ্ঞানকে পরীক্ষাগারের চার দেওয়ালে আটকে রাখলে চলবে না। গবেষণার সুফল সাধারণের কাছে পৌঁছে দিতে এগিয়ে আসতে হবে শিল্পমহলকেও, বার্তা দেন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি, বিজ্ঞান কেন্দ্রের পরিচালন সমিতির সভাপতি জি ডি যাদব। সেই সূত্রে আইআইটি খড়্গপুরের অধিকর্তা সুমন চক্রবর্তী প্রত্যন্ত অঞ্চলে সহজ ‘কিটের’ মাধ্যমে রোগনির্ণয়ের গুরুত্ব আলোচনা করেন। তাঁর বার্তা, অনুসন্ধানমূলক ও ফলিত বিজ্ঞানের পথ আলাদা নয়। প্রয়োগের নামে মৌলিক বিজ্ঞানের গবেষণার পথ লঘু করা উচিত নয়।

কেন্দ্রের অধিকর্তা তনুশ্রী সাহা দাশগুপ্ত জানান, চার দশকে মৌলিক বিজ্ঞানের গবেষণার গণ্ডি ছাড়িয়ে আধুনিক প্রযুক্তি ক্ষেত্রে জটিল উদ্ভাবনীমূলক নানা প্রকল্পে জুড়ে রয়েছেন কেন্দ্রের গবেষকেরা। ‘ন্যাশনাল সুপারকম্পিউটিং মিশন’-এর অধীনে কেন্দ্রে বসেছে ‘পরম রুদ্র’ সুপারকম্পিউটারও। তিনি বলেন, “বিজ্ঞান ও শিল্পের মেলবন্ধনের গুরুত্ব বুঝেই প্রতিষ্ঠানের তরফে তরুণ গবেষকদের স্টার্ট-আপ স্থাপনে উৎসাহিত করা হয়। সেই মতো কোর্সও রয়েছে।”

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Science Scientists Research

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy