Advertisement
E-Paper

অননুমোদিত নির্মাণ! আরজি করের সেই সন্দীপ ঘোষের বাড়ির ছাদের একটি অংশ ভাঙতে বলল পুরসভা

আরজি কর হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতির মামলায় জেল খাটছেন সন্দীপ। তাঁকে সিবিআই গ্রেফতার করেছিল। পুরসভার বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সন্দীপদের বেলেঘাটার বাড়ির তিনটি অংশ অননুমোদিত।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ মে ২০২৬ ২২:৫২
আরজি কর হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতি মামলায় ধৃত সন্দীপ ঘোষ।

আরজি কর হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতি মামলায় ধৃত সন্দীপ ঘোষ। —ফাইল চিত্র।

আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বাড়ির ছাদের একটি অংশ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিল কলকাতা পুরসভা। অভিযোগ, ওই অংশ অননুমোদিত। বাড়ি তৈরির মূল নকশায় ওই অংশের উল্লেখ ছিল না। কলকাতা পুরসভার তরফে সন্দীপদের বাড়িতে গিয়ে নির্মাণ যাচাই করা হয়েছিল। বছর দুয়েক আগেই বাড়িতে নোটিস দিয়েছিল পুরসভা। এ বার নির্দিষ্ট একটি অংশ ভেঙে ফেলতে বলা হল। আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলার কাজ সম্পূর্ণ করতে হবে।

আরজি কর হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতির মামলায় জেল খাটছেন সন্দীপ। তাঁকে সিবিআই গ্রেফতার করেছিল। পুরসভার বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বেলেঘাটার বদন রায় লেনে সন্দীপদের বাড়ির তিনটি অংশ অননুমোদিত। তার মধ্যে একটি ভেঙে ফেলতে হবে। সন্দীপ এবং সঙ্গীতা ঘোষের বিরুদ্ধে ৮৩, বদন রায় লেনে ২০০৯ সালের বিল্ডিং রুলের ১৩৩ এবং ১৩৪ নম্বর ধারা লঙ্ঘন করার অভিযোগ উঠেছে। জনৈক অংশুমান সরকারের অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধান এবং পদক্ষেপ করেছে পুরসভা।

২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবরই কলকাতা পুরসভার তরফে সন্দীপদের বাড়িতে একটি নোটিস পাঠানো হয়েছিল। পুরসভার আধিকারিকেরা তাঁর বাড়িতে গিয়েওছিলেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সন্দীপদের বাড়ির ছাদে ৫.৪২৫ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে তৈরি একটি আচ্ছাদন বেআইনি হিসাবে চিহ্নিত। অংশটির উচ্চতা ২.০৫ মিটার। এটি অননুমোদিত নির্মাণ।

এ ছাড়াও, ছাদে নির্দিষ্ট একটি যন্ত্রের ঘরে যাওয়ার জন্য লোহার সর্পিলাকার সিঁড়ি বসানো হয়েছে। তিন তলার স্তরে দরজার সামনে একটি ইটের নতুন দেওয়াল তৈরি করা হয়েছে। এই অংশগুলিও অননুমোদিত। মূল নকশায় ওই বাড়তি অংশের কথা ছিল না। পুরসভায় এই সংক্রান্ত শুনানিতে বাড়ির মালিকপক্ষ এবং অভিযোগকারী— উভয়েই উপস্থিত ছিল। দু’মাসের মধ্যে আলোচিত অংশ সরিয়ে দিতে রাজি হয় মালিকপক্ষ। এর পর পুরসভা নির্দেশে জানায়, ৪৫ দিনের মধ্যে ওই অংশ ভেঙে ফেলতে হবে। এই নির্দেশে কারও আপত্তি থাকলে পুরসভায় নতুন করে তিনি অভিযোগ জানাতে পারবেন।

আরজি করে কর্তব্যরত চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার সময় ওই হাসপাতালের অধ্যক্ষ ছিলেন সন্দীপ। গোটা ঘটনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। বিতর্কের মধ্যে সন্দীপ পদত্যাগ করেন। পরে ধর্ষণ-খুন এবং হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতির পৃথক মামলায় তাঁর নাম জড়ায়। দু’টি ক্ষেত্রেই তাঁকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। পরে ধর্ষণ-খুনের মামলা থেকে তিনি জামিন পান। কিন্তু আর্থিক দুর্নীতির মামলায় এখনও জেলে রয়েছেন।

Sandip Ghosh rg kar hospital RG Kar Rape and Murder Case RG Kar Financial Irregularity Kolkata Municpal Corporation
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy