Advertisement
১৫ জুলাই ২০২৪
Kolkata Police

বালিগঞ্জে অপহরণ! তাড়া করে এক দুষ্কৃতীকে ধরে ফেললেন কনস্টেবল, তৎপরতায় উদ্ধার যুবকও

খাস কলকাতায় বিকেলে এক যুবককে অপহরণ করা হচ্ছিল। পুলিশের এক কনস্টেবল তা দেখে ফেলেন। দৌড়ে গিয়ে দুষ্কৃতীদের তাড়াও করেন তিনি। এক জনকে ধরে ফেলেন।

—প্রতীকী চিত্র।

আনন্দবাজার অনলাইন সংবাদদাতা
কলকাতা শেষ আপডেট: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ২৩:১২
Share: Save:

খাস কলকাতায় এক যুবককে অপহরণের অভিযোগ। কলকাতা পুলিশের কনস্টেবলের তৎপরতায় উদ্ধার পেলেন তিনি। অপহরণের সময় ওই কনস্টেবল দুষ্কৃতীদের দেখে ফেলেন। তাড়া করে এক জনকে ধরেও ফেলেছিলেন তিনি। তাঁর সূত্র ধরেই বাকিদের কাছে পৌঁছয় পুলিশ। উদ্ধার করা হয় অপহৃত যুবককে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বালিগঞ্জ ফাঁড়ি এলাকায় দায়িত্বে ছিলেন কনস্টেবল মানিকলাল মোহান্তি। বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ তিনি দেখেন, চার-পাঁচ মিলে জোর করে এক যুবককে গাড়িতে তুলছেন। সঙ্গে সঙ্গে ছুটে যান ওই কনস্টেবল। যুবককে বাঁচানোর চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু তাঁর সামনে থেকে গাড়ি বেরিয়ে যায় যুবককে নিয়ে।

তাড়া করে এক দুষ্কৃতীকে অবশ্য ধরতে পেরেছিলেন কনস্টেবল। তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে, যাঁকে অপহরণ করা হয়েছে, তাঁর নাম শুভদীপ রায়। তিনি হাওড়ার মহেশ পাল লেন এলাকার বাসিন্দা। বালিগঞ্জের কড়েয়া থানা এলাকার চমরু খানসামা লেনের একটি বাড়ি থেকে যুবককে উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও তিন অভিযুক্তকে সেখান থেকেই গ্রেফতার করা হয়। অপহরণের জন্য যে গাড়িটি দুষ্কৃতীরা ব্যবহার করেছিলেন, সেটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পুলিশ কনস্টেবলের তৎপরতাতেই উদ্ধার করা গিয়েছে ওই যুবককে। তিনি যদি অপহরণের ঘটনাটি দেখে না ফেলতেন, তাড়া করে যদি এক জন দুষ্কৃতীকে ধরে না ফেলতেন, তবে যুবককে এত সহজে উদ্ধার করা যেত না। দুষ্কৃতীরাও ধরা পড়তেন না। ওই কনস্টেবলের কীর্তিকে সাধুবাদ জানানো হয়েছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। কেন যুবককে অপহরণ করা হচ্ছিল, তাঁদের উদ্দেশ্য কী, সেই সম্বন্ধে বিশদে জানার চেষ্টা চলছে।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)

অন্য বিষয়গুলি:

Kolkata Police Kidnap Kidnapping Crime News
সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:
Advertisement

Share this article

CLOSE