E-Paper

হিংসামুক্ত ভোট লক্ষ্য, অতীত ঘাঁটছে লালবাজার

চলতি বছরের বিধানসভা ভোটের দিন ঘোষণার পর পরই পুলিশ ও প্রশাসনিক স্তরে একাধিক রদবদল করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ এপ্রিল ২০২৬ ১০:৫৮
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

বিভিন্ন নির্বাচনে শহরে গন্ডগোলের ইতিহাস এবং পরিসংখ্যান দেখে চলতি বছরের বিধানসভা ভোটে হিংসা আটকানোর পরিকল্পনা করছে লালবাজার। আগের পুর ভোটই হোক বা লোকসভা বা বিধানসভা নির্বাচন, বিগত কয়েক বছরের ভোটে কোন এলাকায় কী ধরনের হিংসার অভিযোগ উঠেছিল, সেই তথ্য খতিয়ে দেখার পাশাপাশি, হিংসার পিছনে কারও মদত ছিল কিনা— সব দিক দেখেই সাজানো হচ্ছে পরিকল্পনা। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে প্রতিটি থানা ও ডিভিশনে কয়েক দফা নির্দেশও পাঠানো হয়েছে।

চলতি বছরের বিধানসভা ভোটের দিন ঘোষণার পর পরই পুলিশ ও প্রশাসনিক স্তরে একাধিক রদবদল করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য, কলকাতার নগরপাল হিসাবে সুপ্রতিম সরকারকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় অজয়কুমার নন্দকে দায়িত্ব দেওয়া। পাশাপাশি, ডিভিশন স্তরেও একাধিক বদল করা হয়েছে। সরিয়ে দেওয়া হয়েছে কলকাতা পুলিশ এলাকার ৩০টিরও বেশি থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের। নগরপাল হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পরেই অজয় জানিয়েছিলেন, তাঁর প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হিংসামুক্ত নির্বাচন। এ জন্য তিনি নিজে একাধিক থানায় গিয়ে নিচুতলার কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছেন, দিয়েছেন প্রয়োজনীয় নির্দেশ। নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রের বাইরে জমায়েত আটকানো থেকে শুরু করে রিগিং, বুথ জ্যাম ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনে কলকাতায় হিংসার অভিযোগ নতুন নয়। গত কয়েক বছরে একাধিক পুর ভোটই হোক বা বিধানসভা নির্বাচন, বার বার উঠেছে হিংসার অভিযোগ। সাধারণ কলেজ নির্বাচনকে কেন্দ্র করেও রক্ত ঝরেছে শহরে। আসন্ন বিধানসভা ভোটে সেই ‘প্রবণতা’ পাল্টাতে চাইছেন পুলিশকর্তারা। এর জন্য এলাকা ধরে ধরে হিংসার অতীত খতিয়ান দেখা হচ্ছে।

বন্দর এলাকার পাশাপাশি উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার একাধিক এলাকার জন্য সাজানো হচ্ছে বিশেষ পরিকল্পনা। কোথায়, কী ধরনের হিংসা হয়েছিল, কারা কারা তাতে জড়িত ছিলেন, বহিরাগতেরা গোলমালে যুক্ত ছিল কিনা, অভিযুক্তদের সঙ্গে এখনও রাজনৈতিক দলের যোগাযোগ আছে কিনা— দেখা হচ্ছে এমন নানা দিক। এক পুলিশকর্তার কথায়, ‘‘নির্বাচন হিংসামুক্ত করাই প্রধান লক্ষ্য। তার জন্য সব স্তরে একাধিক বৈঠক হয়েছে। আরও বৈঠক করা হবে।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Lal Bazar

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy