E-Paper

কলকাতার কড়চা: খোদাইচিত্রে মহাকাব্য

এক দলের কাজে ছিল ইউরোপীয় শৈলী-প্রভাবিত সূক্ষ্ম নিপুণতা; অন্য দল নির্ভর করতেন বাংলার ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্পের পরম্পরার উপর।

শেষ আপডেট: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৪৯

১৮৫৫ সালে রাজেন্দ্রলাল মিত্র তাঁর একটি বইয়ে ব্রাহ্মণ কথকঠাকুরের ছবি ব্যবহার করার জন্য সেই ছবির প্লেট তৈরি করতে লন্ডনে পাঠালেন। সময়মতো তা হাতে এসেও গেল। কিন্তু প্যাকেট খুলে দেখা গেল, সেখানে ‘হেড স্কার্ফ’ মাথায় এক মহিলা কয়েকজনকে বই পড়ে শোনাচ্ছেন! কথকঠাকুরের ধর্ম ও লিঙ্গ— দুই-ই বদলে গেছে! আসলে ১৮১৬ সালে ছাপা অন্নদামঙ্গল দিয়ে বাংলা বইয়ে ছবি বা ‘ইলাস্ট্রেশন’-এর ব্যবহার শুরু হলেও, সেই যুগে ‘এনগ্রেভিং’ বা খোদাইচিত্র তৈরি করার মতো এদেশীয় শিল্পীর সংখ্যা ছিল নগণ্য। রামায়ণ, মহাভারত ও অন্যান্য বইয়ের জন্য ক্রমবর্ধমান ছবির চাহিদা মেটাতে প্রকাশকরা ছবির প্লেট লন্ডন থেকে করিয়ে আনতেন। সাংস্কৃতিক পার্থক্যের ফলে রাজেন্দ্রলাল মিত্রের মতো বিভ্রাটে পড়তেন অনেকেই। এদেশীয় খোদাইশিল্পীর সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই সমস্যার সমাধান হয়।

এমনই নানা ঘটনার চুম্বকে, বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত রামায়ণের নানা সংস্করণে ছাপা ছবির আলোকে বাংলায় ছাপাই ছবির বিবর্তনের ইতিহাস ধরার চেষ্টা করেছে জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্যের লেখা এনগ্রেভড এপিক: আর্লি বেঙ্গল প্রিন্টস অব রামায়ণ (প্রকাশক: বুক অলিন্দ) বইটি। সেকালের ছাপাই ছবির মাধ্যমে রামায়ণের আদিকাণ্ড থেকে উত্তরকাণ্ড পর্যন্ত মূল কাহিনির সঙ্গে পরিচয় হয় পাঠকের। বইটি থেকে জানা যায়, এদেশীয় খোদাইশিল্পীরা দু’টি ধারায় কাজ করতেন। এক দলের কাজে ছিল ইউরোপীয় শৈলী-প্রভাবিত সূক্ষ্ম নিপুণতা; অন্য দল নির্ভর করতেন বাংলার ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্পের পরম্পরার উপর। বইটিতে দুই রীতিতে ছাপা ছবির পাশাপাশি উপস্থাপনের মাধ্যমে শৈলী দু’টির পার্থক্য বুঝতে পারা যায়। অন্য দিকে, রামায়ণের এই চিত্রায়নে জীবন্ত হয়ে ওঠে উনিশ শতকের বাংলা তথা কলকাতা। চোখের সামনে দেখা কলকাতার গথিক বা নিয়ো-ক্লাসিক্যাল স্থাপত্য এবং ইউরোপীয় আসবাব ও গৃহসজ্জার সামগ্রীর আদলেই শিল্পীরা সাজিয়ে তুলতেন অযোধ্যার রাজপ্রাসাদ বা লঙ্কাপুরী। সে সময়ের জনপ্রিয় জাফরির কাজ থেকে শুরু করে সাদা-কালো চৌখুপি মেঝের নকশা ফিরে ফিরে আসে বিভিন্ন ছবিতে। এমনকি সে সময় ইউরোপীয়দের প্রিয় পরচুলা রাক্ষসদের মাথায় বসানোর মধ্য দিয়েও এই প্রভাবের গভীরতা বোঝা যায়।

ছবিতে চরিত্রদের পোশাকেও ছিল সমসাময়িক বাস্তবের প্রতিচ্ছবি। বালথাজ়ার সলভিন্স-এর ছবিতে ধরে রাখা আঠারো শতকের কলকাতার স্থানীয় মানুষদের পোশাক-পরিচ্ছদের সঙ্গে এই সব খোদাই-ছবির সাধারণ চরিত্রের পোশাকে মিল পাওয়া যায়। অন্য দিকে, রাজকীয় ঐতিহ্যের আভিজাত্য এবং রাজসভার মার্জিত রূপ ফুটিয়ে তোলার জন্য মানুষের বসার ভঙ্গি, অঙ্গভঙ্গি এবং অভিব্যক্তির ক্ষেত্রে শিল্পীরা প্রেরণা পেতেন অভিজাত মহলে সমাদৃত মিনিয়েচার শিল্পকলার আঙ্গিক থেকে। ঔপনিবেশিক প্রভাবের পাশাপাশি বই হিসাবে প্রকাশিত রামায়ণের অলঙ্করণে বাংলার মন্দিরগাত্রের টেরাকোটা ফলক ও কালীঘাটের পটের প্রভাব নিয়ে আছে আলাদা আলোচনা। ছবিতে রাম-রাবণ যুদ্ধ, বই থেকে নেওয়া।

শ্রদ্ধাঞ্জলি

পঁচিশ বছর ধরে লালন করা স্বপ্ন, মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে একটা পত্রিকা-সংখ্যার। এর মধ্যে তাঁর করা অনুবাদ-সূত্রে বিশ্ব সাহিত্যের দিকদিগন্তের উন্মোচন হয়েছে, অনুবাদকের সঙ্গে ব্যক্তিগত যোগাযোগ ও ঘনিষ্ঠতাও, শুধু পত্রিকাটি— হয়নি। সে কথা তুললেই তিনি বলতেন, “আমি কী এমন যে আমাকে নিয়ে সংখ্যা করবে!” মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় যে কী, জানে আধুনিক কালের বাংলা সাহিত্য-ইতিহাস: কবি, গল্পকার, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ক্রিকেট-লিখিয়ে, শিশুসাহিত্যিক, সম্পাদক, অনুবাদক: বহুমুখী সারস্বত সত্তা তাঁর। চলে গেছেন ২০২০-তে, আর অতি সম্প্রতি বেরোল সেই পত্রিকাটি, স্বরান্তর-এর (সম্পা: শৈবাল কুমার নন্দ) মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় সংখ্যা। তাঁর কৃতি ও কীর্তি নিয়ে প্রবন্ধ, গদ্যরচনা ও স্মৃতিকথা; তাঁর নিজের লেখা কিছু প্রবন্ধের পুনর্মুদ্রণ, কিছু চিঠিপত্র, দেবেশ রায়ের সঙ্গে কথালাপের লেখ্যরূপ; জীবনপঞ্জি গ্রন্থপঞ্জি, আলোকচিত্র। ছবি, প্রচ্ছদ থেকে।

শিকড়ে

বাঙালিনি মা, তামিলভাষী বাবার মেয়ে প্রিয়ম্বদা জয়কুমার বালিগঞ্জ-কন্যা। ভারতে সবুজ বিপ্লবের জনক এম এস স্বামীনাথনের জীবনী দ্য ম্যান হু ফেড ইন্ডিয়া বই-সূত্রে সম্প্রতি এসেছিলেন শহরে। কেমব্রিজ হার্ভার্ড সিঙ্গাপুর হয়ে ফের শিকড়ের কাছে ফেরা। পিসেমশাই স্বামীনাথনের কাছে শুনেছেন, বাংলার তেতাল্লিশের মন্বন্তর কী ভাবে জীবন পাল্টে দেয় তাঁর— আজীবন সেই ক্ষুধার্ত বাংলাকে রেখেছিলেন বুকের ভিতরে। সবুজ বিপ্লবের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে প্রিয়ম্বদা ওয়াকিবহাল। তবু সেই ষাটের দশকে দেশের খাদ্যে স্বনির্ভর হতে পারার যুদ্ধজয় গভীর ছাপও ফেলেছিল দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে। ইতিহাসচর্চার পাশাপাশি রাজনীতিতেও দেশ গড়ার শরিক হতে চান তিনি; সাম্য ন্যায় সম্প্রীতির অকৃত্রিম ভারত-এষণায়।

গদাইবাবু

পঞ্চাশের দশকের গোড়ার দিকে লেখা স্যামুয়েল বেকেট-এর ওয়েটিং ফর গোডো, ‘অ্যাবসার্ডিস্ট থিয়েটার’-এর সীমানা ছাড়িয়ে আধুনিক পৃথিবীর এক ক্লাসিকের মর্যাদা পেয়েছে বহুদিনই। বহুস্তর এই নাটকের ভাঁজে ভাঁজে লুকিয়ে ব্যঙ্গ বিষাদ আশা নিরাশা আলো ছায়ার মিশ্র বুনট, এক ভিন্নধর্মী কবিতার চাদরও তার সর্বাঙ্গে জড়ানো। অনুবাদ ও রূপান্তরের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য থাকা সত্ত্বেও বাংলা থিয়েটারে এর সক্ষম ভাষান্তর ও সফল মঞ্চায়ন কেন দেখা যায়নি, সেটা বিস্ময়ের। ষাট বছরে পা-দেওয়া নাট্যদল ‘থিয়েটার ওয়ার্কশপ’ এ বার তাদের নতুন প্রযোজনা হিসেবে মঞ্চে আনছে এই নাট্য, রূপান্তরে তার নাম গদাইবাবু আসছেন। অশোক মুখোপাধ্যায়ের রূপান্তর ও নির্দেশনায়, প্রধান দু’টি ভূমিকায় গৌতম হালদার ও লোকনাথ দে। আজ গিরিশ মঞ্চে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় প্রথম অভিনয়।

সিনে-সম্ভার

গত পাঁচ বছর চলেছে রমরমিয়ে। ভবানীপুর ফিল্ম সোসাইটি-র উদ্যোগে এ বার ষষ্ঠ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবও দোরগোড়ায়, আগামী ১১ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি। নন্দন-৩ প্রেক্ষাগৃহে পাঁচ দিন ব্যাপী উৎসবে চলচ্চিত্রপ্রেমীরা দেখতে পাবেন বারোটি দেশের মোট তেরোটি ছবি। বুধবার বিকেল ৪টে থেকে সামার লাভার ও পামাশে ছবিদু’টি দিয়ে উৎসব শুরু; প্রথম দু’দিন দু’টি এবং পরের তিন দিন তিনটি করে ছবি। জার্মানি মেক্সিকো সুইডেন চিলি বেলজিয়াম আর্জেন্টিনা ফিলিপিন্স ফ্রান্স অস্ট্রেলিয়া আমেরিকা স্পেন— নানা দেশের নানা ঘরানার সাম্প্রতিক কাহিনিচিত্র নিয়ে শীত-শেষের কলকাতায় ছবির মেলা।

শিল্পমেলা

শুধুই এক শিল্প বিপণি নয়, ভারতীয় শিল্প-পরম্পরা প্রচার-প্রসারে তৎপর এক শিল্পপ্রতিষ্ঠান— নিউ টাউনের ‘কারু’। এই মুহূর্তে তারা কাজ করছে শান্তিনিকেতনের তিন প্রধান স্তম্ভ নন্দলাল বসু, সুরেন্দ্রনাথ কর ও রথীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিল্পভাবনা নিয়ে— ভারতীয় নন্দনতত্ত্ব তথা শিল্পের বিচারে যাঁদের কাজ একদা দেশকে নতুন পথের সন্ধান দিয়েছিল। সাম্প্রতিক এই ভাবনাসূত্রেই তারা আয়োজন করছে ‘উত্তরায়ণ: শান্তিনিকেতন রিক্র্যাফ্টেড’ শিরোনামে এক শিল্প ও সংস্কৃতি উৎসবের। আগামী ১৩ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি, তিন দিন ব্যাপী এই আয়োজন বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডের দাগা নিকুঞ্জে। থাকবে তপতী গুহঠাকুরতা ইনা পুরি উমা দাশগুপ্ত সুশোভন অধিকারী-সহ গুণিজনদের কথালাপ, ‘চিত্রাল্পনা’ শীর্ষক প্রদর্শনী, সঙ্গীত, নৃত্যনাট্য শাপমোচন ও বসন্ত-এর পরিবেশন; কারু-র নিজস্ব সম্ভার নিয়ে শিল্পমেলা।

কোলাহল তো...

নাগরিক নিসর্গ বলে কি কিছু হয়? চারপাশের চিৎকৃত যাপন, ঢাকাচাপা বা আড়ষ্ট আবেগ-অনুভূতির মধ্যে জীবন কাটাই আমরা, কিন্তু নাগরিক শিল্পী তার মধ্যেও খোঁজেন সৃষ্টির, শিল্পের প্রাণশক্তি। সরকারি আর্ট কলেজের প্রাক্তনী, চিত্রশিল্পী ও শিল্প-শিক্ষক শুভব্রত নন্দী অন্তত খুঁজেছেন— এলোমেলো, অগোছালো, এমনকি দমবন্ধ এই শহরের কোলাহল আর বেসুরও তাঁকে প্রাণিত করেছে ছবি আঁকায়। ২০১৭-য় তাঁর প্রথম একক চিত্রপ্রদর্শনীর নাম ছিল ‘ওয়াইল্ড কংক্রিট’, এ বার ‘সাইলেন্ট ক্যাকোফনি: নয়েজ়েস দ্যাট কিপ আস অ্যালাইভ’ শিরোনামে দ্বিতীয় একক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে গতকাল থেকে অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টসের নর্থ গ্যালারিতে। প্রদর্শনীর চিত্রকর্মগুলির (ছবিতে একটি, ‘ডকইয়ার্ড’) পরিচয়বহ ক্যাটালগটিতে শিল্পীর ছবি সম্পর্কে লিখেছেন শমীক বন্দ্যোপাধ্যায় মৃণাল ঘোষ ও সৌমিক নন্দী মজুমদার। ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, রোজ বেলা ১২টা থেকে রাত ৮টা।

স্বাদ-ঐতিহ্য

নিত্যনতুন, আলো-ঝলমল চিনে খাবারের জায়গা কতই তো আছে শহর জুড়ে। তবু, চিনে খাবারপ্রেমী যাঁরা একই সঙ্গে খোঁজ করেন ভাল খাবার আর পুরনো ইতিহাসের, তাঁদের জিজ্ঞেস করলে উঠে আসবে আহ ইয়ুং, কিমফা, সেই ভুই, ইউ চিউ, শুন লি ইত্যাদি চিনে ভোজনালয়ের নাম। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের উপরে চাং ওয়া রেস্তরাঁ, বা সূর্য সেন স্ট্রিটের ছোট্ট গুঞ্জন চাইনিজ় ফুড তো প্রবীণ-নবীন সকলেরই চেনা ঠিকানা, তার পাশে ট্যাংরার লাকি চাইনিজ় রেস্তরাঁ বা চৌরঙ্গি রোডের নিউ এমব্যাসিও কম যায় না কিছু। নতুন বছরের ছোট্ট ক্যালেন্ডারে কলকাতার এই চিনে খাদ্য-ঠেকগুলিকেই রঙে রেখায় (ছবি) তুলে ধরেছে ‘নোজ়বাইট স্টুডিয়ো’। খাবার ও নস্টালজিয়া মানুষকে কাছে আনে, সময়ের সেতু রচনা করে। ছোট্ট, চিত্রিত ক্যালেন্ডারটি সেই স্বাদ ও আবেগের প্রতি এক সচিত্র শ্রদ্ধার্ঘ্য।

ইতিহাস উৎসব

পারিবারিক ইতিহাস রক্ষায় উত্তরসূরিদের উদ্যোগের সার্থক নিদর্শন বড়িশার সাবর্ণ রায়চৌধুরী পরিবার পরিষদ পরিচালিত সাবর্ণ সংগ্রহশালা। প্রতি বছর তাদের উদ্যোগে হয় ‘আন্তর্জাতিক ইতিহাস উৎসব’, এ বছর বিংশতিতম। শহরের নামী সংগ্রাহকদের সংগ্রহ নিয়ে, কয়েকটি বিষয়ের ভিত্তিতে সজ্জিত এ বারের প্রদর্শনী: রয়েছে প্রাচীনকাল থেকে অদ্যাবধি অলঙ্কারের নিদর্শন, পুরনো ছাপা বই, ব্রিটিশ আমলের কাপড়ের লেবেল, পুরনো রেকর্ড ও মিনিয়েচার শিল্পবস্তুর সংগ্রহ, কমিক স্ট্রিপের বিবর্তন-কথা। এ বছরের ‘থিম কান্ট্রি’র সম্মান দিয়ে তুলে ধরা হবে জাপানের ঐতিহ্য। অভিনেতা অনুপকুমারের ৯৫তম জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধার্ঘ্য, তাঁর জীবনকৃতি ও ব্যবহৃত নানা কিছুর প্রদর্শনীতে; শ্রদ্ধাঞ্জলি শতবর্ষী উত্তমকুমারকেও। আগামী ৮-১১ ফেব্রুয়ারি উৎসব সাবর্ণ রায়চৌধুরী বড় বাড়িতে, সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা: সঙ্গীতশিল্পীদের সম্মাননা, কুইজ়, আলোচনা, ঐতিহ্য সফর-সহ বহুবিধ আয়োজন।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

illustration Engraving Manabendra Bandyopadhyay

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy