E-Paper

নাবালিকাকে ‘খুনের চেষ্টা’ সাঁতার প্রশিক্ষকের, মামলার রায় শীঘ্রই

আদালত সূত্রের খবর, কাশীপুর রোডের বাসিন্দা, বছর এগারোর ঋদ্ধি সাউয়ের বাবা পক্ষাঘাতে আক্রান্ত। তিনি একটি দোকানে বসে কাজ করেন। সন্দীপ কলকাতার একটি সুইমিং ক্লাবের প্রশিক্ষক।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:৩৬

—প্রতীকী চিত্র।

নিজের বাড়িতে একা ছিল নাবালিকা। মেয়েটির সাঁতারের প্রশিক্ষক বাড়িতে এসে জানায়, তার বাবা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁর চিকিৎসার জন্য টাকার দরকার। এ কথা বলার পরেই সে ওই বাড়ি থেকে গয়না লুট করতে গেলে নাবালিকা বাধা দেয়। তখন মেয়েটিকে গলায় গামছার ফাঁস দিয়ে এবং গলায় ছুরি চালিয়ে খুনের চেষ্টা করে সে। তার পরে বাড়ি থেকে গয়না লুট করে পালায়। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ওই সাঁতারের প্রশিক্ষক সন্দীপ সাউকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। চিৎপুর থানার ২০২৫ সালের এই মামলার বিচার চলছে শিয়ালদহ আদালতে বিচারক অনির্বাণ দাসের এজলাসে। শুক্রবার সেই মামলার শুনানি শেষ হয়েছে। ১৮ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণা হবে বলে জানিয়েছেন মামলার সরকারি আইনজীবী অসীম কুমার। তাঁর দাবি, ‘‘অভিযুক্ত স্বীকার করেছে যে, বাজারে তার অনেক টাকার ঋণ রয়েছে। তা শোধ করার জন্যই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে সে।’’

আদালত সূত্রের খবর, কাশীপুর রোডের বাসিন্দা, বছর এগারোর ঋদ্ধি সাউয়ের বাবা পক্ষাঘাতে আক্রান্ত। তিনি একটি দোকানে বসে কাজ করেন। সন্দীপ কলকাতার একটি সুইমিং ক্লাবের প্রশিক্ষক। গত ১৮ মার্চ ঋদ্ধির বাড়িতে এসে তার অসুস্থ বাবার চিকিৎসার নামে আলমারি থেকে গয়না নেয় সন্দীপ। নাবালিকা বাধা দিলে তার গলায় গামছার ফাঁস দেয় সে। ঋদ্ধি অচৈতন্য হয়ে পড়লে মৃত্যু নিশ্চিত করতে রান্নাঘর থেকে ছুরি এনে ছাত্রীর গলায় কোপ মেরে সন্দীপ পালায় বলে অভিযোগ। একটি নার্সিংহোমে ঋদ্ধির চিকিৎসা হয়।

অসীম বলেন, ‘‘গলা কাটা থাকায় নাবালিকা কথা বলতে পারছিল না। তাই নার্সিংহোমের শয্যায় শুয়ে সে একটি কাগজে পুরো ঘটনাটি লিখে লুট হওয়া গয়নার ছবি এঁকে দেয়। ঘটনার পরের দিনই সন্দীপকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তিনটি সোনার নেকলেস উদ্ধার করা হয়েছে।’’ এই মামলায় ওই নাবালিকা-সহ ২২ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। জামিন পায়নি সন্দীপ।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

attemted murder police investigation

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy