E-Paper

কলকাতার কড়চা: সংগ্রহশালা দিবসের ভাবনা

প্রতি বছর ১৮ মে পালিত হয় ‘আন্তর্জাতিক সংগ্রহশালা দিবস’। ২০২৬-এর থিম, ‘অনৈক্যের পৃথিবীতে ঐক্য গড়ে তোলে সংগ্রহশালা’।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ১৬ মে ২০২৬ ১০:৫৭

হেঁশেলে গ্যাসের সঙ্কট নিয়ে জেরবার? পৃথিবীর অন্য প্রান্তের নানা ঘটনা সেই ঔপনিবেশিক আমল থেকেই বাংলার জনজীবনকে গভীর প্রভাবিত করে আসছে। ১৮০৮-এ ইউরোপে নেপোলিয়নের যুদ্ধের জেরে ব্রিটিশরা শ্রীরামপুরের দিনেমার উপনিবেশটি দখল করে, নাগরিকদের গ্রেফতার করে। বন্দিদের মধ্যে ছিলেন কোপেনহেগেন থেকে আসা সার্জন ও উদ্ভিদবিদ নাথানিয়েল ওয়ালিচ। তাঁর অসামান্য মেধার গুণে পরে তাঁকে প্যারোলে মুক্তি দিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিজ্ঞানসেবায় নিযুক্ত করা হয়।

১৮১৪ সালে ওয়ালিচ এশিয়াটিক সোসাইটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ সংগ্রহশালা স্থাপনের প্রস্তাব দিয়ে চিঠি লেখেন। এমনকি প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক ভিত্তি হিসেবে নিজ সংগ্রহ থেকে কিছু দুষ্প্রাপ্য নিদর্শন ও নমুনা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন। সোসাইটির সদস্যরা সানন্দে সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেন। এই কাজে এগিয়ে আসেন কলিন ম্যাকেঞ্জি, চার্লস স্টুয়ার্ট, রামকমল সেনের মতো বিশিষ্ট সংগ্রাহকরাও। ব্রিটিশ, ভারতীয় ও দিনেমারের সম্মিলিত উদ্যোগে এশিয়ার প্রথম সংগ্রহশালা হিসেবে সে বছরই কলকাতায় যাত্রা শুরু করে ‘ইন্ডিয়ান মিউজ়িয়ম’। একটি বিভাগের সুপারিনটেন্ডেন্ট নিযুক্ত হন ওয়ালিচ।

প্রতি বছর ১৮ মে পালিত হয় ‘আন্তর্জাতিক সংগ্রহশালা দিবস’। ২০২৬-এর থিম, ‘অনৈক্যের পৃথিবীতে ঐক্য গড়ে তোলে সংগ্রহশালা’। এই বিশেষ দিনটি উদ্‌যাপনে ১৬ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত নানা আকর্ষণীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ‘ডিএজি মিউজ়িয়মস’। ভারতীয় সংগ্রহশালা ও আলিপুর মিউজ়িয়মে এই উৎসবে সঙ্গীত, খেলা ও বিনোদনের মিশেলে সংগ্রহশালা দেখার প্রথাগত অভিজ্ঞতায় নতুনত্বের ছোঁয়া। আজ ১৬ মে দুপুর ৩টে থেকে ইন্ডিয়ান মিউজ়িয়মের বার্ড গ্যালারিতে ‘সফ্ট থ্রেশোল্ড’-এর অংশগ্রহণকারীরা জাদুঘরের আনাচে-কানাচে খুঁজে বার করবেন কুইয়ার ও প্রতিবন্ধকতার বিভিন্ন লুকানো আখ্যান। এর পর পারস্পরিক যত্নের ভিত্তিতে এক আনন্দময় সমাজ গড়ার পথ দেখাবে ‘রিভাইভাল ডিজ়এবিলিটি ইন্ডিয়া’-র প্রতিষ্ঠাতা নু মিশ্রের বিশেষ আলোচনা। ১৭ মে সন্ধে সাড়ে ৬টায় মিউজ়িয়মের আশুতোষ জন্মশতবার্ষিকী সভাঘরে রিভার বুদুর ও সৌরভ রায়চৌধুরীর পরিবেশনা ‘গেইট-কিপিং’— হাঁটাচলার প্রথাগত ব্যাকরণ এবং শারীরিক সক্ষমতার দোহাই দিয়ে গড়া সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিকে চ্যালেঞ্জ জানাবে (উপরের ছবি)। শেষে অভিনব ‘সাইলেন্ট ডিসকো পার্টি’। ১৮ মে আলিপুর মিউজ়িয়মে বিকেল ৪টে এবং সন্ধে সাড়ে ৬টায় আয়োজিত হবে ‘অল্ট টেক্সট অ্যাজ় পোয়েট্রি’ শীর্ষক অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছবি খোঁজার ভাষা বা ‘অল্ট টেক্সট’ লেখার ব্যবহারিক কর্মশালা।

শিল্প ও তথ্যকে সবার, বিশেষত বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের নাগালে পৌঁছে দিতে অনলাইন টুলকিট নিয়ে থাকবেন সুনন্দ চক্রবর্তী ও তাঁর দল। প্রিয়াঙ্কা ডি’সুজ়া ও শ্রেয় পাঠকের গড়া কুইয়ারনেস ও বিশেষ চাহিদা থেকে অনুপ্রাণিত ‘ইনস্টলেশন আর্ট’। এ বছরের থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিশেষ ভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের মিউজ়িয়ম ঘোরার অভিজ্ঞতা আরও সহজ করার চেষ্টা করা হয়েছে। সক্ষমতার নিরিখেও যে বিভাজন চারপাশে, আমাদের সেই বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করাবে অনুষ্ঠানগুলি।

মেলালেন তিনি

“তিনি ও রবীন্দ্রনাথ একই জগতের অধিবাসী,” বুদ্ধদেব বসুর এ কথা মেনে নিয়েও অমিয় চক্রবর্তীকে আমরা বিচার করি আধুনিক কবি হিসেবেই। তিরিশের দশকের কবি-তালিকায় জীবনানন্দ সুধীন্দ্রনাথ বুদ্ধদেব প্রেমেন্দ্র মিত্র বিষ্ণু দে-র পাশে তাঁরও সাদর অভ্যর্থনা। যৌবনে উজ্জ্বল কুড়িটা বছর কেটেছে রবীন্দ্রসান্নিধ্যে (ছবি)— কিছু সময়ের সাহিত্যসচিব বা বিদেশসফর-সঙ্গীই নয় শুধু, তিনি ছিলেন রবীন্দ্রনাথের অসমবয়সি বন্ধু, বিদেশের জানালাও। পদ্মভূষণ, দেশিকোত্তম, শোইয়াট্‌জার পদক, সাহিত্য অকাদেমি সম্মানের পাশাপাশি, এশিয়াটিক সোসাইটি কলকাতা-র ‘অনারারি ফেলো’ও হন ১৯৭৩-এ। সেই সূত্রেই গত ১১ মে তাঁকে ১২৫তম জন্মবার্ষিকীর শ্রদ্ধা জানাল এশিয়াটিক সোসাইটি। প্রবীণ ও নবীন প্রজন্মের পাঁচ অধ্যাপক, সুমিতা চক্রবর্তী তরুণ মুখোপাধ্যায় সুমিতা ভট্টাচার্য মোস্তাক আহমেদ ও দেবারতি জানার আলোচনায় উঠে এল, কেন আজও অমিয় চক্রবর্তীকে পড়া জরুরি, কোথায় তিনি স্বতন্ত্র। প্রদর্শিত হল তাঁর ছবি, বইপত্রও।

স্মৃতি-কণিকা

মানুষের মন যেন দো-মহলা বাড়ি— একটি বাহিরের, অন্যটি অন্তরের। যা কিছু প্রকাশ্য তারও চেয়ে ঢের বেশি চুপটি করে থাকে গভীরে, গোপনে। শ্যামশ্রী টুটু বন্দ্যোপাধ্যায় খুব কাছ থেকে দেখেছেন কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়কে, ‘কিংবদন্তি শিল্পী’ পরিচয়ের গণ্ডি পেরিয়ে পৌঁছেছেন তাঁর ‘বড়মাসি’র অন্তরের উঠোনে। বুঝতে চেয়েছেন তাঁর গভীর মনকে। স্মৃতির কোলাজে গাঁথা সেই সব কথার মালা-ই হয়ে উঠেছে বই, কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়: বাহির-অন্তর। বইপাড়ায় বিদ্যাসাগর টাওয়ার-এ দে’জ় বইঘরে আজ, ১৬ মে বিকেল ৫টায় প্রকাশ-অনুষ্ঠান ‘ঋত প্রকাশন’-এর আয়োজনে: গুণিজন-উপস্থিতিতে, কথায় গানে পাঠে স্মৃতিচারণে।

ইতিহাস ছুঁয়ে

বাংলা নাটক ও ছায়াছবির নিয়মিত অভিনেতা ছিলেন অবনীনাথ ভট্টাচার্য, বিএফজেএ-র সভাপতি, ১৯৯২-১৯৯৮ সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন-এর সম্মানিত সদস্যও। প্রয়াত হন ২০০৯-এ। চিত্রপট ও চিত্রভাবনা পত্রিকার সম্পাদনা ছাড়াও, ব্যাপক লেখালিখি করেছেন সিনেমা নিয়ে। তারই ফসল চলচ্চিত্রবীক্ষণ: ইতিহাস, স্মৃতি, পর্যালোচনা (প্রকা: সপ্তর্ষি) বইটি, আগামী ২২ মে শুক্রবার সন্ধে সাড়ে ৬টায় আনুষ্ঠানিক প্রকাশ দক্ষিণ কলকাতার রিড বেঙ্গলি বুক স্টোর-এ। থাকবেন গৌতম ঘোষ হিরণ মিত্র সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় প্রমুখ, লেখকের পুত্র অম্বরীশ ভট্টাচার্যও। বাংলা, ভারত ও বিশ্বের ছবি, ফিল্ম সোসাইটি আন্দোলন, গুণী চলচ্চিত্র-ব্যক্তিত্ব, ভারতীয় চলচ্চিত্রের ‘হয়ে ওঠা’র ইতিহাস বিধৃত বইটিতে।

মঞ্চে জীবনানন্দ

জীবনানন্দ দাশের সাহিত্যকৃতি থেকে বাংলা থিয়েটারে নাট্যপ্রযোজনা সংখ্যায় কমই, এ সত্য অস্বীকার করা যাবে না। তাঁর উপন্যাসে তথাকথিত ‘উচ্চকিত’ বা ‘নাটকীয়’ ঘটনা নেই, মানবমন, তার বাসনা ও ব্যর্থতার এক জটিল বীক্ষণ আদ্যন্ত উপস্থিত, সে-ই কি তার কারণ? অদূর অতীতে কলকাতা তথা বাংলার থিয়েটার দেখেছে মাল্যবান কিংবা কারুবাসনা-র মতো নাটক, যথেষ্ট আলোচিতও তারা। ‘ক্যানডিড থিয়েটার’ নাট্যগোষ্ঠী অন্তরঙ্গ-নাট্যের পরিসরে নতুন করে ভেবেছে মাল্যবান-কে: ছোট জায়গায়, অল্প কিছু মানুষের সামনে অভিনয়ে জীবনানন্দের এই চর্চিত ও বিতর্কিত উপন্যাসকে পৌঁছে দিতে চেয়েছে। সুদীপ্ত ভুঁইয়ার নাট্যরূপ ও প্রয়োগে, আগামীকাল ১৭ মে সন্ধ্যা ৭টায় অভিনয়, দমদমের অন্তরঙ্গ-নাট্যগৃহ থিয়ে-অ্যাপেক্স’-এ।

বরাক ও বঙ্গ

২০২৪ সাল থেকে ‘অনীক’ নাট্যদল কলকাতায় শুরু করেছে ‘বরাক বাংলা নাট্য উৎসব’: বরাক উপত্যকা ও পশ্চিমবঙ্গের বাঙালির মধ্যে সাংস্কৃতিক সমন্বয় ও ঐক্য গড়ার লক্ষ্যে। বরাক উপত্যকার কয়েকটি নাট্যগোষ্ঠীকে এ উৎসবে আমন্ত্রণ জানানো হয়, সঙ্গে থাকে আয়োজক দলের নাটকও। তৃতীয় বছরের উৎসব আগামী ১৮-২০ মে সন্ধ্যা ৬টায় তপন থিয়েটারে। ‘রেস থিয়েটার পয়লাপুল’-এর ত্রিকাল পাশা, ‘আজকের প্রজন্ম, শিলচর’-এর নৌকাডুবি আর ‘অনীক’-এর নতুন নাটক আঙিনা জুড়ে ভোর— তিন সন্ধ্যায় তিনটি নাটকের অভিনয়। শুরুর দিন আলোচনা, ‘ভাষার অধিকার: অধিকারের ভাষা’ নিয়ে বলবেন তীর্থঙ্কর চন্দ। ১৯ মে মঙ্গলবার ভাষা শহিদ দিবসে নাটকের আগে হবে শহিদ স্মরণ-অনুষ্ঠান।

শিল্পজীবন

রবীন্দ্র-আহ্বানে কলাভবনে যোগ দিলেন নন্দলাল বসু; শান্তিনিকেতনে স্থায়ীভাবে থাকতে এলেন যখন, কনিষ্ঠা কন্যা যমুনা তখন সাত-আট। সেই থেকে জীবনের শেষাবধি শান্তিনিকেতনে আলোছায়ায় মিশে ছিলেন যমুনা সেন। পিতার কাছে চিত্রাঙ্কন ফ্রেস্কো মডেলিং লিনোকাট অনুশীলন; আলপনা সূচিশিল্প বাটিকেও দক্ষতা। প্রবাসী, জয়শ্রী-র মতো পত্রিকায় বেরোয় তাঁর আঁকা ছবি। কলাভবনেই অধ্যাপনা, যুক্ত ছিলেন কলাভবন-প্রাক্তনী মেয়েদের হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠান ‘কারুসংঘ’-এর সঙ্গেও। নৃত্যেও সাবলীল: ছেলেমেয়ের দল নিয়ে নানা জায়গায় যেতেন কবি, যমুনা প্রায় সব অনুষ্ঠানেই মুখ্য ভূমিকায়; নাটক ও নৃত্যাভিনয়ে মেয়েদের সাজানোর দায়িত্বেও। ২৫ বছর আগে প্রয়াত শিল্পীর কিছু চিত্রকৃতি (ছবি) ও ব্যক্তিগত সংগ্রহের প্রদর্শনী করছে ‘প্রাচ্য পাশ্চাত্য’ প্রকাশনা, ৫ সূর্য সেন স্ট্রিটে তাদের বিপণিতে। ৯ থেকে ৩০ মে, দ্বিতীয় ও চতুর্থ রবিবার বাদে রোজ বেলা ১২টা-সন্ধে সাড়ে ৭টা। প্রকাশ পেয়েছে প্রদর্শনী-পুস্তিকাও।

আবহমান

জীবন এখন ছড়িয়ে গেছে কাছে-দূরে, দেশে-বিদেশে। কিন্তু যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে একদা পড়ার আর হাসি-গান-প্রেম-ঝগড়া মেশানো সময়টা স্মৃতির বিনিসুতোয় গেঁথে রেখেছে সবাইকে। এই ‘বেঁধে বেঁধে’ থাকাকেই বহতা সময় ও প্রজন্মে চারিয়ে দিতে তৈরি হল বন্ধু-দল ‘অপ্রাসঙ্গিক’, ফি-বছর বাংলা নববর্ষে একখানা করে নিখাদ বাঙালি মন-মেজাজের ক্যালেন্ডার তৈরিও হয়ে উঠল রীতি। ১৪৩৩-এর ক্যালেন্ডারে পাতায় পাতায় হাত ধরে আছে ছড়া ও ছবি (উপরে): হালখাতা-পঞ্জিকা থেকে এআই, ফুটবল থেকে রূপকথা আর ইতিহাস, সবই উপজীব্য তার। “ইচ্ছে দিয়ে রং মিলিয়ে অনর্গল/ লাটাই ঘুড়ি মশলামুড়ি তেঁতুলজল—” আবহমান বঙ্গমনের আড়ালে লুকিয়ে থাকা শিশুটি ছাড়া কে বা বলতে পারে আর!

এলডোরাডো

বারোটি খণ্ডচিত্র, আন্তর্জাতিক স্তরের বারো জন চলচ্চিত্র পরিচালকের তৈরি। প্রতিটির বিষয় ‘শহর’। শহরই যেন নামভূমিকায়, প্রতিটিতে। পরিচালকেরা যে যাঁর শহরকে সেখানে দেখেছেন নিজস্ব দৃষ্টিকোণে, ভাবনায়, আঙ্গিকে। এই চিত্রমালারই একটি ছবি, মৃণাল সেনের ক্যালকাটা মাই এলডোরাডো (১৯৯০)। শশী আনন্দের ক্যামেরা-চোখে, আনন্দশঙ্করের সঙ্গীত পরিচালনায় মৃণাল সেনের এ-ছবিতে জেগে ওঠে সেই কলকাতা, যে শহর তাঁর চিরচেনা অথচ নিত্য নতুন: দুঃসহ দীনতার পাশে যেখানে রাত জাগে প্রাণপ্রাচুর্য। কলকাতাকে ভাল না বেসে গতি নেই— তীব্র রাগ ও গভীর সংরাগ, দুই অনুভূতিই এ-ছবির উপজীব্য। গত ১৪ মে চলে গেল মৃণাল সেনের জন্মদিন, সেদিন বিকেলে সল্টলেকের অন্য থিয়েটার ভবনে ‘জীবনস্মৃতি আর্কাইভ’ ও ‘অন্য থিয়েটার’-এর উদ্যোগে প্রদর্শিত হল অদেখা ছবিটি।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Colonial Rule british Artwork

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy