E-Paper

প্রোমোটারকে ‘মারে’ গ্রেফতার পুরপ্রতিনিধি, অভিযোগ আগেও

দেড় বছরের মাথায় বাগুইআটিতে ফের আক্রান্ত হলেন ওই প্রোমোটার। তিনি নিজেকে বিজেপির কর্মী বলেই দাবি করেছেন। অভিযুক্ত সেই সমরেশ চক্রবর্তী।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ মে ২০২৬ ১০:২৯
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

দু’টি জমানার দু’টি চিত্র। অভিযুক্ত একই ব্যক্তি, আক্রান্তও এক। বিধাননগর পুরসভার ন’নম্বর ওয়ার্ডের পুরপ্রতিনিধি সমরেশ চক্রবর্তী ওরফে চিন্টু সেই অভিযুক্ত।

ঘটনা এক, তৃণমূল জমানায় সমরেশ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল যে তিনি বাগুইআটির এক প্রোমোটারের থেকে ৫০ লক্ষ টাকা তোলা চেয়েছিলেন। প্রোমোটার সেই টাকার পুরোটা দিতে না পারায় রিভলভারের বাট দিয়ে মেরে তাঁর মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিলেন সমরেশ। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হলে সমরেশের কয়েক জন সঙ্গীর জেল হয়। কিন্তু পুরপ্রতিনিধি বারাসত কোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়ে সে বারের মতো জেলযাত্রা থেকে রেহাই পান। যদিও সেই জামিনকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করেন ওই প্রোমোটার। যা এখনও বিবেচনাধীন।

ঘটনা দুই, দেড় বছরের মাথায় বাগুইআটিতে ফের আক্রান্ত হলেন ওই প্রোমোটার। তিনি নিজেকে বিজেপির কর্মী বলেই দাবি করেছেন। অভিযুক্ত সেই সমরেশ চক্রবর্তী। এই ঘটনার সূত্রে অবশেষে শুক্রবার বাগুইআটি থানার পুলিশের জালে ধরা পড়লেন চিন্টু। আক্রান্ত প্রোমোটার কিশোর হালদারের দাবি, তিনি বিজেপির কর্মী। তাঁর অভিযোগ, রাজারহাট-গোপালপুরে বিজেপির জয়ের পরে এক দিন বিজয় মিছিল হয়েছিল। সেখান থেকে ফেরার পথে তাঁকে মারধর, ভীতি প্রদর্শন এবং হুমকি দেওয়া হয়। তাঁর অভিযোগের তির চিন্টু-সহ কয়েক জনের বিরুদ্ধে।

বিজেপি কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ঘটনায় রাজনৈতিক প্রভাবশালীর হাত ছিল। তাই অভিযুক্ত রয়ে যান পুলিশের নাগালের বাইরে। কিশোরের তখন অভিযোগ ছিল, একটি বহুতল নির্মাণের জন্য সমরেশ তাঁর কাছ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা তোলা চান। তিনি কয়েক লক্ষ টাকা দু’দফায় দিয়েছিলেন। তার পরেও টাকা চেয়ে তাঁকে চাপ দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু তিনি রাজি না হওয়ায় হামলা চালানো হয়েছিল।

তৃণমূল কর্মীদের একাংশেরদাবি, ভোট পরবর্তী সময়ে তাঁদের নেতা-কর্মীদের হামলার মুখে পড়তে হচ্ছে। এ ক্ষেত্রেও পুরনো ঘটনাররেশ ধরে পুরপ্রতিনিধিকে ফাঁসানোর চেষ্টা হচ্ছে।

পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ করা হচ্ছে। আগেও ওই প্রোমোটার আক্রান্ত হয়েছিলেন। সেই ঘটনাও বিবেচনায় থাকছে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Promoter

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy