Advertisement
E-Paper

নজরবন্দি বারাসত ও মধ্যমগ্রাম, তবু নিয়ম ভাঙা চলল দিনভর

ঘুরতে দেখে চালকদের ধমক দিয়ে বাড়ি পাঠান টহলরত পুলিশকর্মীরা। মধ্যমগ্রাম চৌমাথার কাছে ভিড় করে ছিলেন কিছু মানুষ। কারণ জানতে চাইলে কেউ কেউ পুলিশকে জানান, তাঁরা কাজ থেকে বাড়ি ফিরছেন। কেউ জানান, কাজে যাচ্ছেন। পুলিশ তাঁদের তাড়াতাড়ি চলে যেতে নির্দেশ দেয়। বিকেলের পর থেকে কিছুটা ভিড় কমে দুই এলাকায়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ জুলাই ২০২০ ০২:১৯
জনশূন্য: লকডাউন চললেও বারাসতের বিভিন্ন রাস্তায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দেখা গিয়েছিল দূরত্ব-বিধি না মানার বিভিন্ন দৃশ্য। মাস্কও পরতে দেখা যায়নি অনেককে। তবে দুপুরের দিকে অবশ্য কোনও কোনও এলাকায় এমন সুনসান রাস্তা ও বন্ধ দোকানপাটও চোখে পড়েছে। ছবি: বিশ্বনাথ বণিক

জনশূন্য: লকডাউন চললেও বারাসতের বিভিন্ন রাস্তায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দেখা গিয়েছিল দূরত্ব-বিধি না মানার বিভিন্ন দৃশ্য। মাস্কও পরতে দেখা যায়নি অনেককে। তবে দুপুরের দিকে অবশ্য কোনও কোনও এলাকায় এমন সুনসান রাস্তা ও বন্ধ দোকানপাটও চোখে পড়েছে। ছবি: বিশ্বনাথ বণিক

সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় মধ্যমগ্রাম ও বারাসত পুর এলাকায় আবার লকডাউনের পথে হেঁটেছে প্রশাসন। ওই দুই এলাকায় বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে আংশিক ও সময়ভিত্তিক লকডাউন। প্রথম দিন প্রশাসনের তরফে কড়াকড়ির চেষ্টা হলেও বাসিন্দাদের একটি বড় অংশই তা মানেননি বলে অভিযোগ। এ দিন দুপুর ১টা বাজতেই কোনও কোনও জায়গায় বন্ধ হয়ে যায়

দোকানপাট। দুই জাতীয় সড়কে হাতে গোনা গাড়ি চলাচল করলেও পুর এলাকার সব রাস্তা কিন্তু ফাঁকা ছিল না। কোনও কোনও জায়গায় ভিড়ও দেখা গিয়েছে। লোকজনের অনেককেই মাস্ক ছাড়া বেরোতে দেখা যায়। বিভিন্ন এলাকায়

টহল দিয়েছে পুরসভা এবং পুলিশের গাড়ি। তবে তাতেও হুঁশ ফেরেনি নিয়ম ভেঙে বেরোনো বাসিন্দাদের। দুপুর ১টার পরে ওই দুই পুর এলাকায় কিছু দোকান বন্ধ হয়ে গেলেও দুপুর ২টো নাগাদ দেখা যায়, বারাসতের কাজিপাড়ায় বেশ কিছু দোকান খোলা রয়েছে। খবর পেয়ে বারাসত পুরসভার ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক অশনি মুখোপাধ্যায় গিয়ে সেগুলি বন্ধ করার ব্যবস্থা করেন।

এই দুই পুর এলাকায় দু’টি জাতীয় সড়ক ছাড়াও একাধিক রাজ্য সড়ক রয়েছে। এ দিন দুপুর ১টার পরে রাজ্য সড়কে দূরপাল্লার একাধিক গাড়ি দেখা গেলেও টোটো, অটো বা রিকশার দেখা সে ভাবে মেলেনি। বারাসতের চাঁপাডালি এবং কলোনি মোড়ে দু’টি খালি টোটোকে

ঘুরতে দেখে চালকদের ধমক দিয়ে বাড়ি পাঠান টহলরত পুলিশকর্মীরা। মধ্যমগ্রাম চৌমাথার কাছে ভিড় করে ছিলেন কিছু মানুষ। কারণ জানতে চাইলে কেউ কেউ পুলিশকে জানান, তাঁরা কাজ থেকে বাড়ি ফিরছেন। কেউ জানান, কাজে যাচ্ছেন। পুলিশ তাঁদের তাড়াতাড়ি চলে যেতে নির্দেশ দেয়। বিকেলের পর থেকে কিছুটা ভিড় কমে দুই এলাকায়।

আরও পড়ুন: অক্সফোর্ডের করোনা টিকা অক্টোবরেই? সেই চেষ্টাই চলছে, বলছেন বিজ্ঞানীরা

এ দিকে, বারাসত পুরসভা, জেলা স্বাস্থ্য দফতর এবং জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কোভিড রোগীদের থাকা ও চিকিৎসার জন্য বারাসত স্টেডিয়ামে একটি সাময়িক স্বাস্থ্য শিবির তৈরির প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। অশনিবাবু বলেন, ‘‘যাঁদের করোনা-রিপোর্ট পজ়িটিভ অথচ কোনও উপসর্গ নেই, মূলত তাঁদেরই এখানে রাখার ব্যবস্থা হচ্ছে।’’

উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল সম্পর্কিত যাবতীয় আপডেট পেতে রেজিস্টার করুন এখানে

Lockdown Coronavirus
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy