E-Paper

নৌকায় করে এসে ডাকাতি নির্মীয়মাণ আবাসনে, পুলিশের জালে ন’জন

কাশীপুরের রুস্তমজি পার্সি রোডে গঙ্গার পাড়ে ওই বিলাসবহুল আবাসনটি তৈরি হচ্ছে। সেখানেই নৌকায় চড়ে এসে কয়েক জন ডাকাতির উদ্দেশ্যে হানা দেয় বলে পুলিশের দাবি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ জুন ২০২৬ ০৮:৫৮
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

নৌকায় চড়ে এসে কাশীপুরের গঙ্গার ধারে একটি নির্মীয়মাণ আবাসনে ডাকাতির ঘটনা ঘটল। বুধবার গভীর রাতের এই ঘটনায় ওই ডাকাতদল গুলি চালিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। প্রায় কয়েক লক্ষ টাকার নির্মাণ সামগ্রী লুট করে তারা চম্পট দেয়। কলকাতা পুলিশের উত্তর ডিভিশনের বিভিন্ন থানার তদন্তকারীদের নিয়ে একটি বিশেষ দল বা সিট গঠন করে তদন্তে নামে লালবাজার। বৃহস্পতিবার রাতে শেষ পর্যন্ত ন’জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ছ’জনই নাবালক বলে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, বাকি তিন প্রাপ্তবয়স্কের নাম মামুর মল্লিক (১৮), মহম্মদ সুজন (১৯) এবং রমজান শেখ (২০)। তিন জনকেই উত্তর বন্দর থানা এলাকা থেকে ধরা হয়েছে। তাদের শুক্রবার শিয়ালদহ আদালতে তোলা হলে আগামী ২৫ জুন পর্যন্তপুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

কাশীপুরের রুস্তমজি পার্সি রোডে গঙ্গার পাড়ে ওই বিলাসবহুল আবাসনটি তৈরি হচ্ছে। সেখানেই নৌকায় চড়ে এসে কয়েক জন ডাকাতির উদ্দেশ্যে হানা দেয় বলে পুলিশের দাবি। নির্মীয়মাণ আবাসনের সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষীদের ভয় দেখাতে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে তারা। নিরাপত্তারক্ষীরাও পাল্টা শূন্যে গুলি ছোড়েন বলে পুলিশের দাবি। তার মধ্যেই অ্যালুমিনিয়াম, স্টিলের বেশ কিছু নির্মাণ সামগ্রী ও কিছু বৈদ্যুতিন যন্ত্রাংশ নিয়ে নৌকায় চড়ে চম্পট দেয় ওই ডাকাত দল।

নির্মাণ সংস্থার ম্যানেজার দেবাশিস নাথের অভিযোগের ভিত্তিতে এর পরে তদন্তে নামে কাশীপুর থানা। তবে কলকাতা পুলিশের উত্তর ডিভিশনের ডিসি তদন্তভার নেন। কয়েকটি থানার অফিসারদের নিয়ে বিশেষ তদন্তকারী দল তৈরি করে ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা শুরু করে পুলিশ। সেই সূত্রেই এর পরে ন’জনকে আটক করা হয়। আদালতে পুলিশের তরফে দাবি, অভিযুক্তদের মধ্যে ছ’জনই নাবালক। তাদের হোমে পাঠানো হয়েছে। অন্য তিন জনকে জেরা করে ডাকাতির সামগ্রী উদ্ধার করা প্রয়োজন। এ ছাড়া, এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কিনা, তা-ও দেখা দরকার। সেই কারণেই ধৃতদের পুলিশি হেফাজতের আবেদন করা হয়। বিচারক এর পরে তিন জন প্রাপ্তবয়স্ককে পুলিশি হেফাজতে পাঠান।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Lal Bazar

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy