×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১৫ মে ২০২১ ই-পেপার

অ্যাপক্যাবে যাত্রী সংখ্যা বেঁধে দেওয়ার আবেদন

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ০৪ মে ২০২১ ০৬:২০
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

করোনা সংক্রমণ উদ্বেগজনক ভাবে বাড়তে থাকায় অ্যাপক্যাবে যাত্রী তোলার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপের আর্জি জানিয়ে রাজ্যের পরিবহণ সচিবকে চিঠি দিল ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল অনলাইন ক্যাব অপারেটর্স গিল্ড’। ক্যাবচালকদের সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে সামনের আসনে কোনও যাত্রীকে বসতে না দেওয়ার আর্জি জানিয়েছে ওই সংগঠন।
ওই সংগঠনের দাবি, করোনা পরিস্থিতিতে অ্যাপক্যাব চালকদের মধ্যে সংক্রমণের আশঙ্কা ক্রমশ বাড়ছে। উপসর্গহীন বা মৃদু উপসর্গ রয়েছে, এমন অনেক যাত্রীই অ্যাপক্যাবের মাধ্যমে গন্তব্যে যাতায়াত করছেন। ফলে অ্যাপক্যাব চালকদের সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে ক্যাবচালকের পাশের আসনে কোনও যাত্রীকে বসতে না দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ওই সংগঠন। ক্যাবপিছু সর্বোচ্চ তিন জন যাত্রী তোলার পাশাপাশি, সামনের এবং পিছনের আসনের মধ্যে প্লাস্টিকের আড়াল দেওয়ার দাবিও করা হয়েছে ওই চিঠিতে।
গত বছর আনলক-পর্বে অ্যাপক্যাবে এই ধরনের বেশ কিছু সতর্কতা নেওয়া হয়েছিল। প্রথম দিকে অ্যাপক্যাব সংস্থাগুলি গাড়িতে ওই প্লাস্টিকের আস্তরণ বসানোর ব্যবস্থাও করেছিল। কিন্তু পরে তা কার্যত উঠে যায়।
বর্তমানে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মারাত্মক চেহারা নেওয়ায় বহু ক্যাবচালক ইতিমধ্যেই সংক্রমিত হয়েছেন। ফলে তাঁদের থেকে যাত্রীদেরও সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। তাই ছোঁয়াচ এড়াতে অ্যাপক্যাবে যাত্রী সংখ্যা বেঁধে দেওয়ার পাশাপাশি, সরকার যাতে এ নিয়ে নির্দেশ জারি করে তা দেখতে ওই চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানান সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রনীল বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ‘‘অ্যাপক্যাব সংস্থাগুলি গত বছর চালকদের নিরাপত্তার স্বার্থে মাস্ক, স্যানিটাইজ়ার দেওয়ার পাশাপাশি আস্তরণের ব্যবস্থাও করেছিল। এখন প্রায় তার পুরোটাই উধাও। সে জন্য এ নিয়ে সরকারি স্তরে তৎপরতা প্রয়োজন।’’ সংক্রমণ রুখতে সরকারি স্তরেও সাহায্য প্রয়োজন বলে তিনি জানান। তিনি আরও বলেন, ‘‘আপৎকালীন পরিস্থিতিতে পরিবহণকে জরুরি পরিষেবা হিসেবে দেখা উচিত। সেই পরিষেবা সচল রাখতে চালকদের প্রতিষেধক দেওয়ার আওতাতেও আনা প্রয়োজন।’’ তবে এ নিয়ে এখনই সরকারের কাছে দাবি না জানালেও বিষয়টিকে তাঁরা গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ইন্দ্রনীল।
পরিবহণ দফতর সূত্রের খবর, নির্বাচনের মধ্যে যাত্রীদের অসুবিধার কথা ভেবেই এত দিন এ নিয়ে কোনও নির্দেশিকা জারি করা হয়নি। তবে এ বার পরিস্থিতি দেখে এ নিয়ে অভিযোগ এলে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

Advertisement
Advertisement