কলকাতার জোড়াসাঁকোয় ১০৪ এমএম বর্মণ স্ট্রিটে একটি পুরনো বহুতলের সিঁড়ির একাংশ ভেঙে পড়ে বিপত্তি। জানা গিয়েছে, বাড়িটি মেরামতের কাজ চলছিল। সেই কাজ চলাকালীন শুক্রবার সকালে সিঁড়ি ভেঙে পড়ে। বাড়িতে আটকে পড়েন ২২ জন বাসিন্দা। ঘটনাস্থলে পুলিশ এবং দমকল পৌঁছে বাসিন্দাদের উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, আটকে থাকা বাসিন্দাদের অনেকেই নামতে চাইছেন না।
পুলিশ সূত্রে খবর, বাড়িটিকে আগেই বিপজ্জনক ঘোষণা করেছিল পুরসভা। বাড়িটির গায়ে ‘বিপজ্জনক’ বোর্ডও লাগানো রয়েছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িটি ৭০-৮০ বছরের পুরনো। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মহম্মদ জসিমউদ্দিন। তাঁর দাবি, ‘‘কোনও সিঁড়ি ভাঙেনি। বাথরুম ভেঙেছে। তবে আটক বাসিন্দাদের দ্রুত উদ্ধারের কাজ চলছে।’’ তাঁর অভিযোগ, বাড়িটি বিপজ্জনক ঘোষণার পরেও মালিক কোনও ব্যবস্থা নেননি। বাড়ি ভাঙার আগে কোনও অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
কাউন্সিলর আরও জানিয়েছেন, বাড়ির বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। আশ্বাস দিয়েছেন, নিজে দাঁড়িয়ে থেকে উদ্ধারকাজের বিষয়টি দেখাশোনা করবেন। তাঁর দাবি, বাড়িতে মেরামতির কাজ হচ্ছে, এ নিয়ে ভাড়াটেরা কেউ আগে অভিযোগ করেননি। এখন ভেঙে পড়ার পরে অনেকেই বাড়ি ছাড়তে নারাজ। ওই বাড়ির বাসিন্দাদের অভিযোগ, তাঁদের অনুমতি ছাড়াই মেরামতের কাজ শুরু করেন মালিক। এই ঘটনায় স্থানীয়েরা বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের প্রশ্ন, বাড়িটি বিপজ্জনক ঘোষণা করার পরেও কেন কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি? এই ঘটনায় বড়সড় বিপদ হতে পারত বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তাঁরা।