কলকাতার নারকেলডাঙায় এক যুবতীর মৃত্যু ঘিরে রহস্য। তাঁর গলায় আঘাতের দাগ রয়েছে বলে দাবি পরিবারের। প্রথমে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছিল পুলিশ। পরে ওই যুবতীর এক প্রতিবেশী নারকেলডাঙা থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।
বুধবার দুপুর ৩টে নাগাদ নারকেলডাঙার শিবতলা লেনের বাসিন্দা পুষ্পা কুমারীকে অচেতন অবস্থায় তাঁর ঘর থেকেই উদ্ধার করা হয়। বছর তেইশের ওই যুবতীকে তড়িঘড়ি এনআরএস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। বৃহস্পতিবার দেহের ময়নাতদন্ত করানো হয়।
আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার নিজের ঘরেই ছিলেন পুষ্পা নামের ওই যুবতী। তাঁর বাবা তখন বাড়ির বাইরে ছিলেন। এক প্রতিবেশী জানান, পু়ষ্পা নিজের ঘরের খাটে অচেতন অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। তার পর তাঁকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও বাঁচানো যায়নি। তাঁর কী ভাবে মৃত্যু হল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
পুষ্পার বাড়়ির উল্টো দিকে থাকা প্রতিবেশী, বিজন্তী দেবী বৃহস্পতিবার নারকেলডাঙা থানায় গিয়ে খুনের মামলা দায়ের করেন। ওই তরুণীকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।