হাসপাতালে নাবালিকাকে হেনস্থার ঘটনা নিয়ে রাজ্য প্রশাসন এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের নিশানা করল বিরোধীরা। দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে বিজেপির সঙ্কল্প সভা থেকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “তৃণমূল মানে ধর্ষকদের দল। পার্ক স্ট্রিট, কামদুনি, কাকদ্বীপ, কাটোয়া, কালিয়াগঞ্জ, কোথায় ঘটেনি? (একটি ঘটনায়) মমতা বললেন, প্রেমের গল্প। এই হলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।” এর পাশাপাশি সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তীও বলেছেন, “বাংলায় কারও কোনও নিরাপত্তা আছে? পার্ক স্ট্রিট-কাণ্ডের পরে যে দিন উনি (মমতা) ‘ছোট ঘটনা’ বলেছিলেন, ধর্ষকদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, সে দিন থেকে দুষ্কৃতী-ধর্ষকেরা বুঝে গিয়েছে, তাদের আসল ভরসাস্থল কালীঘাট।” কার্যত একই সুরে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য অধীর চৌধুরীর তোপ, “মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসন পরিচালনার অভিধানে নিরাপদ বলে কোনও শব্দ রাখেননি। দিদি ও তাঁর খোকাবাবু ছাড়া, এই বাংলা কারও জন্য নিরাপদ নয়। ইনি ক্ষমতায় থাকলে আমাদের অস্তিত্বের সঙ্কট দেখা দেবে।”
এই প্রেক্ষিতে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের পাল্টা বক্তব্য, “বাংলায় ৩৪ বছর (বাম-আমল) এবং অন্য রাজ্যের তুলনায় এখন নারী নির্যাতনের ঘটনা অনেক কম। আমরা চাই, একটাও যাতে এমন ঘটনা না-হয়। পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে।
বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেই চলেছে। এ বার মধ্যপ্রদেশে দুই অস্ট্রেলিয় ক্রিকেটারের এই শ্লীলতাহানির চেষ্টার এই ঘটনায় ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকার বিশ্বে দেশের মাথা হেঁট করেছে।’’
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)