E-Paper

মাকে খুন করে তালা দিয়ে চম্পট, ধৃত ছেলে

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাতে জগৎপুর কাঠপোল এলাকায় একটি ফ্ল্যাটের বিছানায় পড়ে ছিল রুমার দেহ। তাঁর গলায় ওড়না পেঁচানো ছিল। পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ওই মহিলাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ মার্চ ২০২৬ ০৭:৫৬
রুমা চক্রবর্তী।

রুমা চক্রবর্তী। —ফাইল চিত্র।

মাকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হল তাঁর প্রথম পক্ষের ছেলে। অভিযোগ, মাকে খুন করে ঘরের দরজায় তালা দিয়ে চম্পট দিয়েছিল অভিযুক্ত। তদন্তে নেমে আট ঘণ্টার মধ্যে তাকে ধরে পুলিশ। বাগুইআটি থানার অধীন জগৎপুর কাঠপোল এলাকার ঘটনা। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতার নাম রুমা চক্রবর্তী (৪৩)। তাঁকে খুনের অভিযোগে ধরা হয়েছে তাঁর প্রথম পক্ষের ছেলে রুদ্রদীপ সর্দারকে (২২)।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাতে জগৎপুর কাঠপোল এলাকায় একটি ফ্ল্যাটের বিছানায় পড়ে ছিল রুমার দেহ। তাঁর গলায় ওড়না পেঁচানো ছিল। পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ওই মহিলাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ঘটনায় অভিযোগ দায়ের হয় বাগুইআটি থানায়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, ঘটনার আগে ওই ফ্ল্যাটে গিয়েছিল রুদ্রদীপ। এর পরেই তার খোঁজ শুরু হয়। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও রুদ্রদীপের মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন খতিয়ে দেখে তার অবস্থান সম্পর্কে সূত্র পায় পুলিশ। বুধবার ভোরে মায়াপুর থেকে রুদ্রদীপকে ধরা হয়।

প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, রুমা ও তাঁর দ্বিতীয় পক্ষের স্বামী রঞ্জিত চক্রবর্তী ওই ফ্ল্যাটে থাকতেন। সেখানে মঙ্গলবার যায় রুদ্রদীপ। রাতে ফিরে দরজা তালাবন্ধ দেখে রুমার স্বামী আত্মীয়দের কাছে খোঁজ করেন। এর পরে বাড়ির মালিকের কাছ থেকে ফ্ল্যাটের চাবি নিয়ে দরজা খোলা হলে রুমাকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পুলিশ সূত্রের খবর, ময়না তদন্তের পরে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। প্রাথমিক ভাবে তদন্তকারীদের অনুমান, শ্বাসরোধ করে রুমাকে খুন করা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে ওড়নার ব্যবহার হয়ে থাকতে পারে।

পুলিশ সূত্রের খবর, অভিযুক্তকে জেরা করে প্রাথমিক ভাবে কিছু তথ্য সামনে এসেছে। তার মায়ের বিয়ে সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে অশান্তি হয়েছিল। অশান্তি বাড়তে থাকলে তা হাতাহাতির পর্যায়ে গড়ায়। সে সময়ে ওড়না পেঁচিয়ে রুমাকে শ্বাসরোধ করা হয় বলে জেনেছে পুলিশ। সেই তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। তবে, শুধু বিয়ে নিয়ে আপত্তি, না কি অভিযুক্তের আর্থিক বা সম্পত্তি সংক্রান্ত চাহিদা ছিল, দেখছে পুলিশ। স্রেফ উত্তেজনার বশে, না কি পরিকল্পনামাফিক এই ঘটনা, তা-ও দেখা হচ্ছে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Murder Case arrest police investigation

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy