E-Paper

তিন মাসের মধ্যে ফের সীমানার পুনর্বিন্যাস শহরের তিনটি থানার

লালবাজারের এই নির্দেশিকার জেরে বর্তমানে একবালপুর থানা ভবন এলাকাও আলিপুর থানা থেকে একবালপুর থানার মধ্যে চলে এসেছে। পুলিশের এক কর্তা জানালেন, বন্দর এলাকার ৭৪ এবং ৭৭ নম্বর ওয়ার্ড আলিপুর থানার হাতে আনা হয়েছিল গত নভেম্বর মাসের নির্দেশিকায়।

শিবাজী দে সরকার

শেষ আপডেট: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৪৯

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

ফের তিন মাসের মাথায় শহরের তিনটি থানার সীমানা বদল করা হল। এর ফলে বৃদ্ধি পেয়েছে একবালপুর এবং ওয়াটগঞ্জ থানার আওতাধীন এলাকা। আবার কমে গিয়েছে আলিপুর থানার এলাকা। লালবাজার জানিয়েছে, তিনটি থানার সীমানার পুনর্বিন্যাস ঘটিয়েছেন নগরপাল সুপ্রতিম সরকার। যা কার্যকর হয়েছে বুধবার থেকে। উল্লেখ্য, গত নভেম্বর মাসে কলকাতা পুলিশের ওই তিনটি থানা ছাড়াও নিউ মার্কেট ও পার্ক স্ট্রিট থানার সীমানার পুনর্বিন্যাস করা হয়েছিল।

সূত্রের খবর, বুধবার জারি করা ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, একবালপুর থানার হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে সুধীর বসু রোড, এমএম আলি রোড, ভূকৈলাস রোডের একাংশ, ইব্রাহিম আলি রোড এবং একবালপুর রোড। অন্য দিকে, ওয়াটগঞ্জ থানার হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে ফ্যান্সি মার্কেট, মনসাতলা লেন, মনসাতলা রো, হরিসভা স্ট্রিট, খিদিরপুর রোড এবং ডায়মন্ড হারবার রোডের একাংশ। উল্লেখ্য, গত নভেম্বরে যে সীমানা পুনর্বিন্যাস করা হয়েছিল, তাতে ওই সমস্ত এলাকা একবালপুর এবং ওয়াটগঞ্জ থানার হাত থেকে নিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়েছিল আলিপুর থানার হাতে। তবে, নতুন করে সীমানা পুনর্বিন্যাস করা হলেও আলিপুর থানার হাতে থেকে যাচ্ছে অরফ্যানগঞ্জ বাজার, আলিপুর চিড়িয়াখানা, আলিপুর বডিগার্ড লাইন্স। যা নভেম্বর মাসের আগে ছিল ওয়াটগঞ্জ থানার আওতাধীন।

লালবাজারের এই নির্দেশিকার জেরে বর্তমানে একবালপুর থানা ভবন এলাকাও আলিপুর থানা থেকে একবালপুর থানার মধ্যে চলে এসেছে। পুলিশের এক কর্তা জানালেন, বন্দর এলাকার ৭৪ এবং ৭৭ নম্বর ওয়ার্ড আলিপুর থানার হাতে আনা হয়েছিল গত নভেম্বর মাসের নির্দেশিকায়। এ বারের নতুন নির্দেশিকায় ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডকে ফের আলিপুর থেকে একবালপুর এবং ওয়াটগঞ্জ থানার হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তিন মাসের মধ্যে কেন এই সিদ্ধান্ত বদলাল প্রশাসন? সূত্রের খবর, ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা দূরত্বের কারণে আলিপুর থানায় গিয়ে অভিযোগ জানানোর ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ছিলেন। এ নিয়ে তাঁরা ক্ষোভও জানিয়েছিলেন। যা নজরে এসেছিল প্রশাসনের। এর ফলে মাসকয়েক আগেই ঠিক হয়, কিছু এলাকা, যেমন, অরফ্যানগঞ্জ বাজার, আলিপুর চিড়িয়াখানা, আলিপুর বডিগার্ড লাইন্স বাদে বাকি এলাকা পুরনো থানার আওতাধীন করা হবে।

পুলিশের একটি অংশের দাবি, সীমানা পুনর্বিন্যাসের জেরে কিছুটা হাঁফ ছেড়েছে আলিপুর থানার পুলিশ। কারণ হিসাবে ওই থানার পুলিশকর্মীরা জানাচ্ছেন, বন্দরের ওই এলাকা তাঁদের হাতে আসায় আলিপুর থানার পরিসর বেড়ে গিয়েছিল। পুলিশের একাংশের দাবি, এর ফলে এলাকায় সুষ্ঠু পুলিশি ব্যবস্থা বজায় রাখতে অসুবিধায় পড়তে হচ্ছিল। তাই নতুন করে সীমানা বিন্যাসে মানুষ উপকৃত হবেন বলে দাবি পুলিশের একাংশের।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Police Stations

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy