Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০৩ জুলাই ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

Rajarhat: আবাসিক এলাকাতেই ভ্যাট, নারকীয় পরিস্থিতি রাজারহাটে

বিধাননগর পুরসভার কালীপার্ক এলাকায় রাস্তার উপরেই তৈরি হয়ে গিয়েছে ওই ভ্যাট। যে কারণে ক্ষুব্ধ আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা।

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ১৯ মে ২০২২ ০৭:২১
Save
Something isn't right! Please refresh.
উপচে পড়ছে রাজারহাটের কালীপার্কের সেই ভ্যাট। নিজস্ব চিত্র

উপচে পড়ছে রাজারহাটের কালীপার্কের সেই ভ্যাট। নিজস্ব চিত্র

Popup Close

এক সময়ে আবাসিক এলাকার ভিতরেই আবর্জনা ফেলা শুরু হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা তা নিয়ে আপত্তি করেছিলেন। এলাকার জনপ্রতিনিধির কাছে দরবারও করেছিলেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। উল্টে দু’বছরের মধ্যে সেই আবর্জনা ফেলার জায়গা কার্যত ভ্যাটে পরিণত হয়। অভিযোগ, পুরসভার ভ্যানই বাড়ি থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করে ওই জায়গায় ফেলে। তার পরে পুরসভার গাড়ি এসে সেখান থেকে আবর্জনা তুলে নিয়ে যায়।

বিধাননগর পুরসভার কালীপার্ক এলাকায় রাস্তার উপরেই তৈরি হয়ে গিয়েছে ওই ভ্যাট। যে কারণে ক্ষুব্ধ আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা। তাঁরা জানাচ্ছেন, ঘরের জানলা খুললে দুর্গন্ধে টেকা যায় না। বছরখানেক আগে স্থানীয় পুর প্রতিনিধির কাছে ওই খোলা ভ্যাট সরানোর আবেদন জানিয়ে চিঠিও দিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু অভিযোগ, কাজের কাজ কিছু হয়নি।

এলাকার বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, একেবারে বাস রাস্তার উপরেই তৈরি হয়েছে ওই ভ্যাট। আবর্জনার স্তূপে ঢুকে কুকুর আর শুয়োরের দল মারামারি করে চার দিকে নোংরা ছড়ানোয় এলাকা প্রায়ই নরকের চেহারা নেয়। স্থানীয় এক আবাসিকের কথায়, ‘‘রাস্তার উপরে এ ভাবে আবর্জনা পড়ে থাকাটা মেনে নেওয়া যায় না। ওই ভ্যাটের পাশ দিয়ে হাঁটার সময়ে কুকুরের কামড় খাওয়ার আশঙ্কা থাকে। গরুর উৎপাতেও রাস্তায় যানজট তৈরি হয়।’’

Advertisement

উল্লেখ্য, বিধাননগরের সল্টলেক থেকে খোলা ভ্যাট তুলে দেওয়া হলেও রাজারহাট এলাকায় এখনও রাস্তায় আবর্জনা ফেলা পুরোপুরি বন্ধ করা যায়নি। কালীপার্কের মতো এমন বহু এলাকা রয়েছে, যেখানে ফাঁকা জায়গায় আবর্জনা ফেলা হয়। এমনকি, খালের জলেও প্লাস্টিক-সহ নানা ধরনের আবর্জনা ফেলা হচ্ছে বহু দিন ধরে, যার জেরে বেহাল অবস্থা নিকাশির। বাগুইআটি মোড়ে ফলবাজারের পিছনের জমিতে দীর্ঘদিন ধরেই নানা ধরনের আবর্জনা ফেলা হয়। যা নিয়ে আশপাশের বাসিন্দাদের ক্ষোভ রয়েছে।

স্থানীয় চার নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শাহনওয়াজ় আলি মণ্ডল (ডাম্পি) জানান, ২১১ নম্বর বাস রুটের রাস্তায় তৈরি হওয়া ওই ভ্যাট তাঁরাও তুলে দেওয়ারই পক্ষে। শাহনওয়াজ় বলেন, ‘‘আমরা এক মাস আবর্জনা ফেলা বন্ধ রাখতে পেরেছিলাম। কিন্তু আবারও এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ আবর্জনা ফেলছেন। পুরসভার তরফে সকাল-বিকেল আবর্জনা তোলা হচ্ছে। আমার ওয়ার্ডে একটি ঘেরা ভ্যাট তৈরি হয়েছে। সেটি চালু হলেই ওই ভ্যাট বন্ধ করে দেব। এখানে একটি কম্প্যাক্টর বসানোরও পরিকল্পনা রয়েছে।’’

জমা জঞ্জাল থেকে যাতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি না হয়, তার জন্য সরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন ওয়ার্ডে পচনশীল বর্জ্য থেকে জৈব সার তৈরির একটি প্রকল্পের কথা ভাবা হয়েছে। কিন্তু সে সবই ভবিষ্যতের পরিকল্পনা। আপাতত যা পরিস্থিতি, তাতে ফাঁকা জায়গায় আবর্জনা পড়ে থাকায় রাজারহাটের অনেক জায়গাতেই নারকীয় পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।

সমস্যার কথা মেনে নিয়েছেন বিধাননগর পুরসভার মেয়র পারিষদ (নিকাশি ও জঞ্জাল সাফাই) দেবরাজ চক্রবর্তী। তিনি বলেন, ‘‘জৈব সার তৈরির যন্ত্রগুলি বিভিন্ন ওয়ার্ডে বসানোর কথা। ওই প্রকল্প চালু হলে যত্রতত্র আবর্জনা না ফেলার বিষয়ে এলাকাবাসীকে সচেতন করতে কর্মশালার আয়োজনেরও পরিকল্পনা রয়েছে।’’

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement