Advertisement
E-Paper

৪ মাসে ৫০০ কোটি জমা ব্যাঙ্কে, ১১০০ কোটির লেনদেনে রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান! ধৃত জয়ের সঙ্গে ২৫ ভুয়ো সংস্থার যোগ, দাবি ইডির

এসপি কনস্ট্রাকশন নামে একটি সংস্থার কথা জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা, যার মালিকানা রয়েছে সোনা পাপ্পুর নামে। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে জানা যাচ্ছে, জয় এবং সোনা পাপ্পুদের মধ্যে প্রায় দেড় কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:৩৩
Joy S Kamdar Arrest Case

বেহালার বাসিন্দা জয় এস কামদারকে রবিবার গ্রেফতার করে ইডি। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

প্রায় ১১০০ কোটি টাকার অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ বেহালার ব্যবসায়ী জয় এস কামদারের বিরুদ্ধে! সোমবার ধৃত ব্যবসায়ীকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে হাজির করানোর আগে এমনটাই দাবি করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

রবিবার বেআইনি ভাবে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগে জয়কে গ্রেফতার করে ইডি। সান এন্টারপ্রাইজ় নামে সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টরের বিরুদ্ধে নানাবিধ অভিযোগ উঠেছে। তাঁর সংস্থা থেকে দক্ষিণ কলকাতার ‘ত্রাস’ সোনা পাপ্পু স্ত্রীর নামে একটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং গুলি কিনেছিলেন, সেই তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা। তার উপর সোনা পাপ্পু এবং তাঁর স্ত্রীর নামে থাকা সংস্থার সঙ্গে কোটি টাকার উপর লেনদেনের নথি পেয়েছে ইডি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, জয়ের বিরুদ্ধে ১১০০ কোটি টাকা অবৈধ ভাবে লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

ইডি জানিয়েছে, জয়ের কাছ থেকে প্রাপ্ত ডিজিটাল ডিভাইস থেকে ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য মিলেছে। ক্যালকাটা গুজরাতি এডুকেশন সোসাইটির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে জয়ের ভুয়ো কোম্পানিতে ৪০ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। ধৃত ব্যবসায়ীর বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি ১১০০ কোটি টাকার লেনদেন করেছেন তিনি। তার মধ্যে চার মাসের মধ্যে ৫০০ কোটি টাকা নগদ জমা হয়েছে। জয়ের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ২৫টি ভুয়ো সংস্থার সন্ধান পেয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা।

Advertisement

সুপ্রিম ক্রেডিট কর্পোরেশন লিমিটেড নামে একটি সংস্থার হদিস পেয়েছে ইডি। তার অন্যতম ডিরেক্টরের নাম জয়। এসপি কনস্ট্রাকশন নামে আর একটি সংস্থার কথা জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা, যার মালিকানা রয়েছে সোনা পাপ্পুর নামে। ওই কোম্পানিগুলির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে জানা যাচ্ছে, জয় এবং সোনা পাপ্পুদের মধ্যে প্রায় দেড় কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। আবার ক্রেডিট কর্পোরেশন লিমিটেড নামক কোম্পানির সঙ্গে সোনা পাপ্পুর স্ত্রীর নামে থাকা কোম্পানি হেভেন ভ্যালি-রও আর্থিক লেনদেন হয়েছে। কিন্তু সোনা পাপ্পুর স্ত্রী সোমা পোদ্দার দাবি করেছেন, এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।

এখন ধৃত ব্যবসায়ীকে হেফাজতে চেয়ে আদালতে হাজির করেছে ইডি। তাদের আইনজীবী বলেন, ‘‘তদন্তে অনেক তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। অন্যান্য সন্দেহভাজনের সঙ্গে এই অভিযুক্তের যোগ রয়েছে।’’

ED businessman arrested Sona Pappu Case
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy