নিউটাউনের শিশু খুনে ঘটনাস্থলে পাওয়া একটি কাপড়ে রক্তের দাগ দেখে তদন্তকারীদের অনুমান ছিল, রক্ত ওই শিশুটিরই।
সেই সূত্র ধরেই শনিবার মৃত প্রীতির ঠাকুরমা ও কাকিমাকে গ্রেফতার করা হয়। রক্তের দাগ প্রীতির কি না নিশ্চিত হতে এ বার আরতিদেবীর ডিএনএ পরীক্ষার কথা ভাবছে পুলিশ। রবিবার বারাসত আদালতে ধৃত ঠাকুরমা আরতিদেবী ও কাকিমা কবিতাদেবীর ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজত হয়।
মহালয়ার দিন চার বছরের প্রীতি ঢুকে পড়েছিল তার কাকার ঘরে। তার পর থেকেই সে নিখোঁজ ছিল। কাকার বাড়ির ছাদে প্রীতির বস্তাবন্দি ক্ষতবিক্ষত দেহ মেলে। ঘটনার তদন্তে নেমে আরতিদেবীর একটি শাড়িতে রক্তের দাগ মেলে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে খুনের কথা কবুল করে ধৃত দুই মহিলা।
বিধাননগর পুলিশের এক কর্তা জানান, শিশুটি যে সময়ে খুন হয়, সেই সময়ে তার অবস্থান সম্পর্কে প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হয়েছি্ল পুলিশ। তখন থেকেই প্রীতিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তখন ঘটনাস্থলে ধৃত আরতি ও কবিতা ছাড়া অন্য কারও উপস্থিতির প্রমাণ মেলেনি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান ছিল, নিউটাউনের মহিষগোটের শিবতলায় কাকার বাড়িতেই ওই শিশুটিকে খুন করা হয়। এতে পরিবারের কেউ জড়িত। তবে রবিবারও শিশুটির কাটা আঙুল ও খুনে ব্যবহৃত অস্ত্রের হদিস মেলেনি।