E-Paper

আড়াইশো হয়েও অধরা রফার জন্য প্রয়াস বামে

বাম শরিক সিপিআইয়ের সঙ্গে আসন-রফা প্রায় মিটে গেলেও অন্য দুই শরিক আরএসপি এবং ফরওয়ার্ড ব্লকের সঙ্গে বোঝাপড়া এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে শনিবার বামফ্রন্টের বৈঠকে আসন ভাগের সর্বশেষ পরিস্থিতি আলোচনা হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ মার্চ ২০২৬ ০৪:৫৫
বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু।

বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। — ফাইল চিত্র।

রাজ্যের প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে স্মরণ করে বিধানসভা ভোটের প্রচার শুরু করে দেওয়ার কথা বামেদের। বুদ্ধদেবের জন্মদিন উপলক্ষে আজ, রবিবার তাঁর নামে সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কাজের সূচনা হবে প্রমোদ দাশগুপ্ত ট্রাস্টের উদ্যোগে। তবে প্রচারে নেমে গেলেও বিধানসভার আসন-রফা এখনও সম্পূর্ণ হল না বামফ্রন্টে। বাম সূত্রের খবর, কম-বেশি ২৫০টি আসনের জন্য সমঝোতা হয়ে গিয়েছে। বাকি ৪৪টির জন্য কাল, সোমবার ফের বিভিন্ন দলের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠকে বসবে সিপিএম।

বাম শরিক সিপিআইয়ের সঙ্গে আসন-রফা প্রায় মিটে গেলেও অন্য দুই শরিক আরএসপি এবং ফরওয়ার্ড ব্লকের সঙ্গে বোঝাপড়া এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে শনিবার বামফ্রন্টের বৈঠকে আসন ভাগের সর্বশেষ পরিস্থিতি আলোচনা হয়েছে। আরএসপি-র ভাগের ১৩টি আসনের দাবির নিষ্পত্তি হয়ে গেলেও আরও ৬টির দাবি তারা বজায় রেখেছে। কালীগঞ্জের মতো আসন শেষ পর্যন্ত সিপিএম না-ছাড়লে প্রয়োজনে ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ লড়াইয়ের প্রস্তুতিও নিয়ে রাখছে আরএসপি। ফ ব-র সঙ্গে ২০-২১টি আসন নিয়ে সিপিএমের কথা কার্যত পাকা হয়ে গেলেও আরও কয়েকটি আসন নিয়ে জট রয়েছে। অন্য দিকে, ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের (আইএসএফ) সঙ্গে ২৬টি আসন নিয়ে বামেদের রফা-আলোচনার নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। আরও বেশ কয়েকটি আসনের দাবি ধরে রেখেছেন নওসাদ সিদ্দিকীরা। তার মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনার কয়েকটি আসন রয়েছে। সূত্রের খবর, বামফ্রন্টে পেশ হওয়া হিসেব অনুযায়ী, বাম শরিক, সিপিআই (এম-এল) লিবারেশন এবং আইএসএফের জন্য সব মিলিয়ে প্রায় ৯০টি আসনের বণ্টন চূড়ান্ত। সিপিএম নিজেরা লড়বে, এমন প্রায় ১৬০টি আসনের তালিকা তৈরি। এই ২৫০ বাদ দিলে বাকি ৪৪টির জন্য রফা-বৈঠক চলবে। শেষ পর্যন্ত সিপিএম ১৭০-এর আশেপাশে আসনে প্রার্থী দিতে পারে বলে বাম সূত্রের ইঙ্গিত।

বিধানসভা নির্বাচনের জন্য ইস্তাহার তৈরির আগে এ বার ওয়েবসাইটে জনতার মতামত নিয়েছে সিপিএম। রাজ্য এবং তার পাশাপাশি জেলাভিত্তিক ইস্তাহার তৈরির কাজেও তারা অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে। কিন্তু শরিক নেতৃত্বের একাংশ এ দিন বৈঠকে প্রশ্ন তুলেছেন, এমন উদ্য‌োগ শুধু সিপিএমের নামে হচ্ছে কেন? প্রতি বারই ভোটের আগে বামফ্রন্টের ইস্তাহার হয়। ফ্রন্টের শরিক দল তার পরে চাইলে পৃথক আবেদন প্রকাশ করতেই পারে। সূত্রের খবর, বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু আশ্বাস দিয়েছেন, ফ্রন্টের নামেই ইস্তাহার হবে। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর এক সদস্যের কথায়, ‘‘কয়েক দিনের মধ্যেই আসন-রফা এবং ইস্তাহারের কাজ চূড়ান্ত হয়ে যাবে।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

CPIM Assembly Election CPI RSP Forward Bloc

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy