হাওড়ায় রামনবমী এবং হনুমান জয়ন্তীর মতো উৎসব নির্বিঘ্নে কেটেছে। তার পরেও সাবধান প্রশাসন। বিশেষত মুর্শিদাবাদ জেলার কিছু অংশে অশান্তির পর হাওড়ার ‘স্পর্শকাতর’ এলাকাগুলির উপর বিশেষ নজর রাখছে প্রশাসন। মঙ্গলবার নববর্ষের সকাল থেকে হাওড়ার বিভিন্ন জায়গায় দেখা গেল পুলিশের রুটমার্চ। কয়েক’টি জায়গায় নেমেছে র্যাফও।
প্রশাসন সূত্রে খবর, পুলিশের ‘কাউন্টার ইনসার্জেন্সি ফোর্স’কে নামানো হয়েছে হাওড়ার বিভিন্ন এলাকায়। মঙ্গলবার বিকেলে শিবপুর ট্রামডিপো থেকে সিআইএফ জওয়ানদের নিয়ে এলাকায় নজরদারি চালায় পুলিশ। ছিলেন হাওড়া সিটি পুলিশের সেন্ট্রাল জ়োনের পদস্থ আধিকারিকরা। হাওড়া সিটি পুলিশের কমিশনার প্রবীণকুমার ত্রিপাঠী বলেন, ‘‘হাওড়া জেলার মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারেন, সে জন্য সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রামনবমী এবং হনুমান জয়ন্তীর মতো উৎসব শান্তিপূর্ণ পালিত হয়েছে। তবুও জনগণকে সতর্ক এবং সচেতন করার জন্য অতিরিক্ত বাহিনী রুটমার্চ করছে। খেয়াল রাখা হচ্ছে, যাতে কোনও দুষ্কৃতী গন্ডগোল পাকাতে না পারে। কোনও গুজবের কারণে অশান্তি না হয়।’’
হাওড়ার বাঁকড়া অঙ্কুরহাটি শিবপুর এলাকাতেও রুটমার্চ হয়েছে। হাওড়া গ্রামীণ এলাকাতেও পুলিশের টহলদারি চলবে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।
ওয়াকফ সংশোধনী আইনের বিরোধিতায় গত কয়েক দিন ধরে অশান্ত ছিল মুর্শিদাবাদের বিস্তীর্ণ এলাকা। বীরভূম, মালদহ থেকেও গন্ডগোলের খবর মেলে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়েও অশান্তি হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে সাবধানতা অবলম্বন করেছে পুলিশ-প্রশাসন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- সংশোধিত ওয়াকফ আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের আবহে গত শুক্রবার অশান্তি ছড়িয়ে পড়েছিল মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর, সুতি, শমসেরগঞ্জ-সহ কিছু অঞ্চলে।
- মুর্শিদাবাদের অশান্তির ঘটনার তদন্তে বুধবার ২০ সদস্যের সিট গঠন করে রাজ্য পুলিশ।
-
পর্যাপ্ত পুলিশ থাকলে নিয়ন্ত্রণে আনা যেত মুর্শিদাবাদের অশান্তি, নিয়ম মেনে ক্ষতিপূরণ দিয়েছে রাজ্য? প্রশ্ন হাই কোর্টের
-
মুর্শিদাবাদের জোড়া খুনে সিবিআই তদন্তের আর্জি শুনল না ডিভিশন বেঞ্চও! ফেরত গেল সিঙ্গল বেঞ্চে
-
মানবাধিকার কমিশনের সামনে নয়, মুর্শিদাবাদের অশান্তির প্রতিবাদে ধর্নার জায়গা বদল করল হাই কোর্ট
-
মুর্শিদাবাদের জোড়া খুনে সিবিআই তদন্তের আবেদন শুনল না সিঙ্গল বেঞ্চ! পাঠানো হল প্রধান বিচারপতির কাছে
-
‘অ্যাক্টিং প্রাইম মিনিস্টার’কে বলব, অশান্তি না-বাধিয়ে সীমান্তে নজর দিন, মমতার নিশানা কি শাহের দিকে?