Advertisement
E-Paper

শতাব্দীর পথ আটকে ঘরের আর্জি বৃদ্ধার

বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায় বুধবার তিনটে থেকে সভা শুরু করেন মহম্মদবাজারের চারটি অঞ্চলে। ডেউচা ও রায়পুরে সভা করার পরে বেরিয়ে যান বাগলপুর গ্রামে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ এপ্রিল ২০১৯ ০০:০১
পরশ: শতাব্দী রায়ের কাছে ঘরের আর্জি জানাচ্ছেন সত্তরোর্ধ ঝর্না মণ্ডল। কেন্দ্রসরাইলে। ছবি: পাপাই বাগদি

পরশ: শতাব্দী রায়ের কাছে ঘরের আর্জি জানাচ্ছেন সত্তরোর্ধ ঝর্না মণ্ডল। কেন্দ্রসরাইলে। ছবি: পাপাই বাগদি

শতাব্দীর সভার পথ আটকে সরকারি প্রকল্পে ঘর তৈরির আর্জি জানালেন এক বৃদ্ধা। তা শুনে ঘর তৈরির আশ্বাসও দিয়ে গেলেন প্রার্থী।

বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায় বুধবার তিনটে থেকে সভা শুরু করেন মহম্মদবাজারের চারটি অঞ্চলে। ডেউচা ও রায়পুরে সভা করার পরে বেরিয়ে যান বাগলপুর গ্রামে। সেখান থেকে সভা শেষ করে যান শ্রীকান্তপুর মোড়ে। সেখান থেকে কাপিস্টা পঞ্চায়েতের মুরালপুর বের হলে মাঝ পথে, কেন্দ্রসরাইল বাসস্ট্যান্ডে ৭০ বছর বয়সি ঝর্ণা মণ্ডল গাড়ি আটকান। তখনই ঘরের আর্জি জানান। অভিযোগ করেন, তৃণমূলের স্থানীয় নেতাদের বারবার বলার পরেও কাজ হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেল, বৃদ্ধা ঝর্ণাদেবীর ছোট মাটির চালাঘর আছে। ছোট নাতিকে নিয়ে সংসার। দুই ছেলে, দুই মেয়ে থাকলেও তাঁরা আলাদা থাকেন। এ দিকে, বৃদ্ধার সংসারে রোজগারের তেমন কেউ নেই। ঘর ভেঙে পড়ছে। তাই ঘর তৈরির কথা জনে জনে বলার পাশাপাশি জানিয়েছিলেন স্থানীয় নেতাদেরও। আর্জি শোনার পরেই অবশ্য ব্লক সভাপতি তাপস সিংহকে বৃদ্ধার নাম লিখে নেওয়া এবং ভোটের পরেই যাতে বাড়ি হয়ে যায় তার ব্যবস্থা করতে বলেন শতাব্দী। এর পরে বেরিয়ে যান মুরালপুর গ্রামে। সেখানে সভা শেষে করে জিন্দারপুর গ্রামে আসেন। ভুতুরা পঞ্চায়েতের তিনটি গ্রামে ছোট সভা করেন। প্রতিটি সভায় রাজ্য সরকারের নানা প্রকল্পে উন্নয়নের কথা তুলে ধরে ভোট দেওয়ার আবেদন জানান।

দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

মুরারই ১ ব্লকের কয়েকটি অঞ্চলেও এ দিন ভোট প্রচার করেন শতাব্দী। এ দিন বীরভূম লোকসভার শেষ প্রান্তে প্রচার করে মোহুরাপুর, বনরামপুর, আমভুয়া ও গোড়শা গ্রামে ছোট ছোট সভা করেন। প্রতিটিতেই মহিলাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। আমভুয়া গ্রামে ঢোকার সময় গাড়ি থামিয়ে কয়েক জন মহিলার সঙ্গে কথা বলেন শতাব্দী রায়। এলাকার সমস্যা শোনেন। আমভুয়া গ্রামের শাহিনা বিবি ও সেলিনা আক্তারা বলেন, ‘‘দিদিকে রাজগ্রাম এলাকায় পানীয় জলের সমস্যার কথা জানিয়েছি। দ্রুত সমাধান করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।’’ এ দিন পীরতলার মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন মুরারইয়ের বিধায়ক আব্দুর রহমান, ব্লক সভাপতি বিনয়কুমার ঘোষ, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শাহনাজ বেগম ও বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ আসগার আলী। এ দিনের সভায় শতাব্দী বলেন, “১০ বছর আপনাদের পাশে আমি ছাড়াও দলের কর্মীরা আছেন। আমাকে ভালবাসলে ভোট দেবেন। আমাকে ভোট দেওয়া মানে তৃণমূলকে দেওয়া। তৃণমূলকে ভোট দেওয়া মানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করা।’’

লোকসভা ভোট ২০১৯ Lok Sabha Election 2019
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy